গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর দক্ষিণ প্লাজায় `ইনকিলাব মঞ্চ`-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির জানাজার আগে তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক দাবি জানিয়েছেন, ওসমান হাদির হত্যার বিচার যেন প্রকাশ্যে এই বাংলার জমিনে অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, ঘটনার ন্যায়সঙ্গত বিচারের জন্য বাংলাদেশবাসী যাতে সরাসরি সাক্ষী দাঁড়াতে পারে, তা হবে তাদের একমাত্র চাওয়া।
বেলা আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজার ইমামতি করেন আবু বকর সিদ্দিক নিজেই। এ সময় লক্ষ লক্ষ তৌহিদি জনতা শরিফ ওসমান হাদির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
সিদ্দিক বলেন, ওসমান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট বার্তা রেখে গেছেন। তিনি বলেন, “আজ লক্ষ লক্ষ জনতা হাজির হয়েছেন ওসমান হাদির জানাজায় অংশ নিতে” এবং “ওসমান হাদি স্বাধীনতা রক্ষার জন্য বাংলাদেশবাসীর কাছে একটি বলিষ্ঠ বার্তা দিয়ে গেছেন”।
তিনি আরও জানান, ওসমানের একটি সন্তান রয়েছে, যার বয়স মাত্র আট মাস। সন্তান জন্মের পর ওসমান তিনি তাকে এমন একটি নাম রাখার অনুরোধ করেছিলেন, যার মধ্যে বিপ্লবী চেতনা ও সাহসিকতার পরিচয় থাকবে। তাই তার নাম রাখা হয়েছে ফিরনাস।
আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আজ তার সন্তান যখন বাবাকে দেখার জন্য কোলে আনা হয়, তখন মনে হয়, সে আর কোনো দিন জানবে না তার বাবা কেমন ছিলেন। ওসমান হাদি আর ফিরে আসবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জুমার নামাজের পর খুনিরা গুলি করে পালিয়ে গেছে, সাত থেকে আট দিন পেরিয়ে গেলেও তারা এখনও ধরাও যায়নি; জাতির কাছে এই প্রশ্নটি থেকে গেলো যে কীভাবে তারা সীমান্ত পেরিয়ে গেছে।
আরও বলা হয়, আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমার ভাই ওসমান হাদি শহীদ হয়েছেন। শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা সে সব সময়ই প্রকাশ করত। হয়তো আল্লাহ তাআলা তাকে সেই শহিদি মর্যাদা দান করেছেন, কিন্তু এই ঋণ আমি কখনো ছাড়ব না।
সিদ্দিক তার পরিবারের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, তার মেজ ভাই ওমর ফারুক ঘটনাস্থলে ছিল, তাও দোয়ার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি জানান, ছোট বোন মাসুমা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং চিকিৎসকরা বলেছেন তার অবস্থা গুরুতর।
বক্তব্যের শেষ অংশে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমাদের আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই; শরিফ ওসমান হাদি, তুমি বেঁচে থাকো মানুষের হৃদয়ে। আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।
বেলা আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজার ইমামতি করেন আবু বকর সিদ্দিক নিজেই। এ সময় লক্ষ লক্ষ তৌহিদি জনতা শরিফ ওসমান হাদির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
সিদ্দিক বলেন, ওসমান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট বার্তা রেখে গেছেন। তিনি বলেন, “আজ লক্ষ লক্ষ জনতা হাজির হয়েছেন ওসমান হাদির জানাজায় অংশ নিতে” এবং “ওসমান হাদি স্বাধীনতা রক্ষার জন্য বাংলাদেশবাসীর কাছে একটি বলিষ্ঠ বার্তা দিয়ে গেছেন”।
তিনি আরও জানান, ওসমানের একটি সন্তান রয়েছে, যার বয়স মাত্র আট মাস। সন্তান জন্মের পর ওসমান তিনি তাকে এমন একটি নাম রাখার অনুরোধ করেছিলেন, যার মধ্যে বিপ্লবী চেতনা ও সাহসিকতার পরিচয় থাকবে। তাই তার নাম রাখা হয়েছে ফিরনাস।
আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আজ তার সন্তান যখন বাবাকে দেখার জন্য কোলে আনা হয়, তখন মনে হয়, সে আর কোনো দিন জানবে না তার বাবা কেমন ছিলেন। ওসমান হাদি আর ফিরে আসবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জুমার নামাজের পর খুনিরা গুলি করে পালিয়ে গেছে, সাত থেকে আট দিন পেরিয়ে গেলেও তারা এখনও ধরাও যায়নি; জাতির কাছে এই প্রশ্নটি থেকে গেলো যে কীভাবে তারা সীমান্ত পেরিয়ে গেছে।
আরও বলা হয়, আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমার ভাই ওসমান হাদি শহীদ হয়েছেন। শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা সে সব সময়ই প্রকাশ করত। হয়তো আল্লাহ তাআলা তাকে সেই শহিদি মর্যাদা দান করেছেন, কিন্তু এই ঋণ আমি কখনো ছাড়ব না।
সিদ্দিক তার পরিবারের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, তার মেজ ভাই ওমর ফারুক ঘটনাস্থলে ছিল, তাও দোয়ার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি জানান, ছোট বোন মাসুমা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং চিকিৎসকরা বলেছেন তার অবস্থা গুরুতর।
বক্তব্যের শেষ অংশে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমাদের আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই; শরিফ ওসমান হাদি, তুমি বেঁচে থাকো মানুষের হৃদয়ে। আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।
প্রতিনিধি :