ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ , ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লালপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় পুরুস্কার বিতরণ মোহনীয় স্টাইলে জয়া আহসান রামেকে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু আল্টিমেটাম রাজপথে দেওয়া যায়, সংসদে নয়: জামায়াত এমপিকে স্পিকার জামালপুরে অটোরিকশা চালকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার কেটলির নিয়মিত ব্যবহারে সাদা স্তর জমেছে ভিতরে? মাত্র একটি উপাদান দিয়েই নতুনের মতো ঝকঝকে হবে এই সংসদে রাষ্ট্রপতি বলেছেন ‘আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট’: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ‘অ্যাপের মাধ্যমে কিনতে হবে জ্বালানি’ ভোলায় আটক জামায়াত কর্মী বিবি সাওদার জামিন ডিজিটাল সময়ের নতুন আতঙ্ক ‘ল্যাপটপ স্পাইন’ শ্রীদেবীর মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে মুখ খুললেন মেয়ে জাহ্নবী কাপুর বৈরী আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত রেলপথ, নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচল অচলাবস্থা নোয়াখালীতে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ জাল ও পলিথিন জব্দ ইরানজুড়ে রাতভর ব্যাপক হামলা, নিহত ১৫ ধ্বংসপ্রাপ্ত মার্কিন এয়ারক্রাফ্টের নারী পাইলটের গোপন নথিপত্র 'ব্যাটেল প্লান' তেহরানের হাতে সংসদে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল (সংশোধন) বিল ২০২৬ পাস বাড়ির ছাদ থেকে টেনে বের করা হলো শিশু ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্তকে আমেরিকা ইউরেনিয়াম চুরি করতে এসেছিল নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে! ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা তেলের খোঁজে বের হয়ে আর ফেরা হলো না দুই বন্ধুর

নভেম্বরে সড়কে ঝরেছে ৪৮৩ প্রাণ

  • আপলোড সময় : ১৮-১২-২০২৫ ০৩:১৩:০৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-১২-২০২৫ ০৩:১৩:০৯ অপরাহ্ন
নভেম্বরে সড়কে ঝরেছে ৪৮৩ প্রাণ ফাইল ফটো
চলতি বছরের গত নভেম্বর মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫৩৪টি। এসব দুর্ঘটনায় ৪৮৩ জন নিহত এবং ১ হাজার ৩১৭ আহত জন হয়েছেন। নিহতের মধ্যে ৬৪ জন নারী ও ৭১ জন শিশু রয়েছে। এরমধ্যে ২২৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৯৪ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় ১০৬ জন পথচারী নিহত হয়েছেন। এই সময়ে ৬টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত এবং ৫ জন নিখোঁজ রয়েছে। ৪৭টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

আগের মাস অক্টোবরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিলেন ১৪ দশমিক ২২ জন। নভেম্বর মাসে নিহত হয়েছেন ১৬ দশমিক ১ জন। সেই হিসেবে নভেম্বর মাসে প্রাণহানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ২২ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সংবাদ মাধ্যমে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো নভেম্বর মাসের সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৯৪ জন, বাসের যাত্রী ২৪ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-মিকচার মেশিন গাড়ি আরোহী ২২ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস আরোহী ১৪ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৮৩ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-টমটম-মাহিন্দ্র) ৩১ জন এবং রিকশা-বাইসাইকেল আরোহী ৯ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৩১টি জাতীয় মহাসড়কে, ২৪৫টি আঞ্চলিক সড়কে, ৮২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৭১টি শহরের সড়কে এবং ৫টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলোর ১২২টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২৩৭টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১০৯টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেওয়া, ৫৯টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৭টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

আরও জানানো হয়েছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৪১টি দুর্ঘটনায় ১১৯ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ৩০টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি ৪১টি দুর্ঘটনায় ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম শেরপুর ও পঞ্চগড় জেলায়। সেখানে ৯টি দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়েছে- ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন; ত্রুটিপূর্ণ সড়ক; বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল; তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো; জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা; দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা; বিআরটিএ-র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে।

সুপারিশ হিসেবে বলা হয়েছে- দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে; চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে; বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে; পরিবহন মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করতে হবে; পর্যায়ক্রমে সকল মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে; গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে; রেল ও নৌ-পথ সংস্কার করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে; টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
রামেকে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

রামেকে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু