ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক কর্মশালা নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এই প্রথম দেশের অর্থনীতির আকার ছাড়াল ৫০০ বিলিয়ন ডলার নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে ফাঁস নিলেন রাবি শিক্ষার্থী রাণীশংকৈলে গ্রাম আদালত বিষয়ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ‘বলিউডের কেউ আমাকে মেসেজ করে না!’ নতুন ছবির প্রচারে ইন্ডাস্ট্রির একাংশকে বিঁধলেন কঙ্গনা ঢুকতে দেয়নি আমেরিকা, দেশে ফিরতেই বীরের সম্মান পেলেন ‘আফ্রিকার সেরা রেফারি’ ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে কাল, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছে যেসব চমক আসরের পর কাজা নামাজ পড়া যাবে কি? ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা হাম উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু ‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’, অনেক দিন বড়পর্দা থেকে দূরে এনা রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় যুবকের মৃত্যু ২৮ ঘন্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, যুবক গ্রেফতার নিয়ামতপুরে ২০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে পুলিশের রাতভর অভিযান: ১,৪১৫ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারী আটক নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭

জল খাওয়ার সময় কোন নিয়মটি না মানলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়বে?

  • আপলোড সময় : ১০-১২-২০২৫ ০১:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-১২-২০২৫ ০১:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন
জল খাওয়ার সময় কোন নিয়মটি না মানলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়বে? ফাইল ফটো
বাইরে থেকে ঘরে ফিরেই ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা জল বার করে ঢকঢক করে খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। ফ্রিজের কনকনে ঠান্ডা জল খেলে শুধু সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথাই হবে না, হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষতি হওয়ারও অন্যতম কারণও কিন্তু হিমশীতল জল। শুনতে অবাক লাগলেও তা সত্যি। যাঁদের হার্টের সমস্যা আগে থেকেই আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই অভ্যাস বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

মুম্বই নিবাসী হৃদ্‌রোগ চিকিৎসক স্বরূপ সরোজ পালের মতে, আপাত দৃষ্টিতে খুব একটা ক্ষতিকর মনে না হলেও ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাওয়ার অভ্যাস কিন্তু রক্তনালিকাগুলির উপর প্রভাব ফেলে, শুধু তা-ই নয়, হঠাৎ করে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়ে হার্টের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। চিকিৎসক বলেন, ‘‘হার্টের রোগীরা যখন বরফ দেওয়া কিংবা হিমশীতল জল খান, তখন রক্তনালিকাগুলি সঙ্কুচিত হয়ে যায়, যার ফলে শরীরে ভ্যাসোকনস্ট্রিকশন তৈরি হয়ে রক্তচাপ হঠাৎ করে বেড়ে যায়। এ ছাড়াও ঠান্ডা জলের প্রভাবে রক্তনালিকাগুলি শক্ত হয়ে যায়, তাই হৃদ্‌যন্ত্রের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। রক্তনালিগুলির মুখ সঙ্কুচিত হয়ে যাওয়ার কারণে হৃদ্‌যন্ত্রে রক্তের চলাচল বাধা পায়। এই সমস্যা হৃদ্‌রোগীদের জন্য বড় বিপদের কারণ হতে পারে।’’

চিকিৎসকের মতে, ঠান্ডা জল ভেগাস স্নায়ুর উপরেও প্রভাব ফেলে। এই স্নায়ু হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই হৃদ্‌রোগীদের অতিরিক্ত ঠান্ডা জল না খাওয়াই ভাল।

অতিরিক্ত ঠান্ডা জল খেলে তা হৃৎস্পন্দনের হার কমিয়েও দিতে পারে। ‘ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন’-এর তথ্য বলছে, দিনের পর দিন কনকনে ঠান্ডা জল খেয়ে গেলে তা হৃৎস্পন্দনের হার অনিয়মিত করে দিতে পারে। সাধারণত এক জন প্রাপ্তবয়স্কের হার্টবিট মিনিটে ৬০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকে। হৃৎস্পন্দনের একটা নির্দিষ্ট ছন্দও থাকে। এর মাত্রা যদি কোনও ভাবে বেড়ে বা কমে যায়, তখন হার্টের সঙ্কোচন ও প্রসারণ অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় কার্ডিয়াক অ্যারিদ্‌মিয়া বলা হয়। তখন শ্বাসের হার বেড়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ বাড়তে পারে এবং তা হৃদ্‌রোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়  সভা

নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা