ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ , ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জে তহসিলদারের ‘ঘুষ’ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল চীনে টর্নেডো ও রেকর্ড বন্যায় ৮ জনের মৃ’ত্যু আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী ভারতের মহারাষ্ট্রে বর্ষার তাণ্ডবে মৃত ১৬ টানা বৃষ্টিতে ভূমিধস, ১০ রোহিঙ্গার মৃত্যু ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে রক্তে শর্করা বাড়িয়ে দিতে পারে রোজের ৫ অভ্যাস আত্রাইয়ে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ আত্রাইয়ে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ মান্দায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বোয়ালিয়া ও কর্ণহারে ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারী গ্রেফতার ট্রাকের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল দুটি ইজিবাইক, নিহত ২ ট্রাকের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল দুটি ইজিবাইক, নিহত ২ জয়পুরহাটে ট্রাক-ইজিবাইকের সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু কোন কোন কাজ খাওয়ার পর করলেই বিপদ! মুক্তির আগেই বিতর্কে ‘কুইন ২’ সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত নারী ও শিশুর নিরাপত্তা: রাজশাহী জেলা প্রশাসক লালপুরে এলজিইডির বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫ নগরীতে পুলিশের অভিযান গ্রেফতার ১৫

স্বাদে অনন্য বকফুলের বড়া

  • আপলোড সময় : ১০-১২-২০২৫ ০১:১৭:১৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-১২-২০২৫ ০১:১৭:১৬ অপরাহ্ন
স্বাদে অনন্য বকফুলের বড়া স্বাদে অনন্য বকফুলের বড়া
লম্বা একটা বাঁশ দিয়ে গাছ থেকে ফুল পাড়ছিলেন অসীম সাহা। আর সেগুলো কুড়িয়ে নিচ্ছিল ছোট্ট শিশু অবন্তী। ফুলগুলো দিয়ে বড়া খাবে। তাই বাবার সঙ্গে এসেছে । ফুলটার নাম বকফুল।  সবজি হিসেবে জনপ্রিয় এই ফুল অনেকেই ভেজে খান। মিষ্টিকুমড়ার ফুলের বড়ার মতোই এর বড়া বেশ সুস্বাদু।

 গ্রামবাংলার পরিচিত গাছ বকফুল এখন আর আগের মতো সহজে দেখা যায় না। দ্রুত নগরায়ণ ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে এই গাছ দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা গ্রামে ফুলসহ  বকফুল গাছের দেখা পাওয়া গেল। 

গ্রামের বাসিন্দা অসীম সাহা জানালেন, বছর দেড়েক আগে তিনি একই গ্রামের হেমেন্দ্রনাথ সাহার কাছ থেকে একটি চারা এনে বাড়ির পিছনে লাগিয়েছেন। একবছরের মধ্যেই গাছে ফুল ধরা শুরু করেছে। নিজেরা এই ফুলের বড়া খান। পাড়া প্রতিবেশীরাও এসে নিয়ে যায়।

হেমেন্দ্রনাথ সাহা জানালেন, তাঁর বাড়ির উঠানে এই গাছ ছিল। গাছটা বেশ বড় ছিল। ভাবিচা গ্রামসহ আশেপাশের গ্রাম থেকে লোক আসতো এই ফুল নিতে। ফুলের কিছু বীজ সংরক্ষণ করে  রেখে দিয়েছিলেন। সেই বীজ অনেককে দিয়েছেন। 

গ্রামের পবিত্র প্রামানিকের বাড়িতেই এই বকফুল গাছের দেখা পাওয়া গেল।

গৃহবধূ বেবি রানী জানালেন, অ্যাংকার ডাল বা খেসারি ডাল বেটে এই ফুল দিয়ে বড়া করলে বেশ সুস্বাদু হয়। বেসন দিয়ে করলেও ভালো লাগে। 
আমরা মাঝেমধ্যেই এই বকফুল এনে বড়া করে খাই। 

পরিবেশবিদ মোকারম হোসেনের লেখা 'ফুল' নামক বইয়ে লেখা আছে, আমাদের প্রকৃতিতে বকফুল অনেক পুরোনো। গাছ ছোটখাটো ধরনের, দ্রুত বর্ধনশীল। ফুলের গড়ন অনেকটা শিম ফুলের মতো। সাদা, গোলাপি ও লাল রঙের হয়। মাঝখান থেকে বাঁকানো, অনেকটা পাখির ঠোঁটের মতো। বীজ থেকে সহজেই চারা হয়।

বছরে একবার পাতা ঝরায়। বেশি দিন বাঁচে না।পাতা চিরল চিরল, অনেকটা শিরীষপাতার মতো। শরৎ-হেমন্তে সারা গাছে দুই থেকে চারটি ফুলের থোকা ঝুলে থাকে।। অবশ্য বছরের অন্যান্য সময়েও দু-চারটি ফুল ফুটতে পারে। 
এক বছরেই এই গাছে ফুল ও ফল আসে। গাছ তেমন কোনো কাজে লাগে না। তবে বাকল ও শিকড় ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে। এ ফুলের তৈরি ভাজি ও বড়া খেতে সুস্বাদু।

বকফুলের বৈজ্ঞানিক নাম Sesbania grandiflora। পরিবার Fabaceae। জন্মস্থান মালয়েশিয়া।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত নারী ও শিশুর নিরাপত্তা: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত নারী ও শিশুর নিরাপত্তা: রাজশাহী জেলা প্রশাসক