লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জের বাশঁঘর এলাকায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় হাসমত উল্যাহ (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, নিহতের ভাতিজা তোফায়েল আহমদ ও মোহনের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে।
নিহত হাসমত উল্যাহ রামগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁঘর এলাকার বাসিন্দা।
মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে এখনো এ ঘটনা কোনো মামলা বা জড়িত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে গতকাল সোমবার রাতে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হাসমত উল্যাহর ওপর হামলা চালায় ভাতিজা তোফায়েল আহমদ ও মোহনসহ বেশ কয়েকজন। এঘটনার পর আজ সকালে অভিযুক্তদের বসতবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।
পুলিশ ও স্বজনেরা জানায়, সোমবার রাত ১১টায় বাঁশঘর গ্রামের আহমেদ আলী হাজী বাড়ির হাসমত উল্যার বসতঘর জোরপূর্বক দখল করতে তোফায়েল আহমদ ও মোহনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন। এসময় হাসমত উল্যাহ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত ভাতিজা মো. তোফায়েল ও মো. মোহন হোসেনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন হাসমত উল্যার ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় হাসমত উল্যাকে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই তোফায়েল আহম্মেদ ও মোহন আত্মগোপনে চলে যান। এরপর উত্তেজিত জনতা মঙ্গলবার সকালে তোফায়েল ও মোহনের বসতঘর থেকে আসবাবপত্র বের করে আগুন লাগিয়ে দেয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল বারী জানান, পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে চাচা-ভাতিজাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। পাশাপাশি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নিহত হাসমত উল্যাহ রামগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁঘর এলাকার বাসিন্দা।
মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে এখনো এ ঘটনা কোনো মামলা বা জড়িত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে গতকাল সোমবার রাতে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হাসমত উল্যাহর ওপর হামলা চালায় ভাতিজা তোফায়েল আহমদ ও মোহনসহ বেশ কয়েকজন। এঘটনার পর আজ সকালে অভিযুক্তদের বসতবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।
পুলিশ ও স্বজনেরা জানায়, সোমবার রাত ১১টায় বাঁশঘর গ্রামের আহমেদ আলী হাজী বাড়ির হাসমত উল্যার বসতঘর জোরপূর্বক দখল করতে তোফায়েল আহমদ ও মোহনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন। এসময় হাসমত উল্যাহ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত ভাতিজা মো. তোফায়েল ও মো. মোহন হোসেনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন হাসমত উল্যার ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় হাসমত উল্যাকে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই তোফায়েল আহম্মেদ ও মোহন আত্মগোপনে চলে যান। এরপর উত্তেজিত জনতা মঙ্গলবার সকালে তোফায়েল ও মোহনের বসতঘর থেকে আসবাবপত্র বের করে আগুন লাগিয়ে দেয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল বারী জানান, পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে চাচা-ভাতিজাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। পাশাপাশি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
অনলাইন ডেস্ক