ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ , ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসি পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে রাজশাহীতে মতবিনিময় সভা রাজশাহীতে সারের সংকট ও কালোবাজারি: বিপাকে কৃষকরা কারিগরি শিক্ষাই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের একমাত্র পথ: শিক্ষামন্ত্রী বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পগুলো পুনরুজ্জীবিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য, রাজশাহীতে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বর্ষবরণে রাবি: শোভাযাত্রায় যুদ্ধ-জ্বালানিসংকটের প্রতিচ্ছবি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই : শিক্ষামন্ত্রী গাছে ডাল কাটতে উঠে অজ্ঞান শ্রমিক কুষ্টিয়ার ছত্রগাছা বিদ্যালয়ের পিয়ন ক্লাসরুমে ছাত্রীকে ধর্ষণ বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে শালা-দুলাভাইয়ের ধর্ষণ সিংড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ভূ-গর্ভস্থ পানির পাইপ লাইন নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন আগামী বাজেটে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে সিংড়ায় হাজী সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর যশোর সফরের সময় জানালেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী রাণীনগরে পুকুর খননকালে মিলল মরিচাধরা থ্রি-নট-থ্রি বন্দুকের অংশ উদ্ধার চাঁদাবাজদের তালিকা করা হচ্ছে: র‍্যাব রাণীনগরে করজগ্রাম খাঁনপুকুর বাজারে বিকাশের দোকানে দিনে-দুপুরে দুর্ধর্ষ চুরি পাকিস্তানে শান্তি আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা ইরানের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে রাণীশংকৈলে পুনঃ খাল-খনন কর্মসূচির উদ্বোধন হামের উপসর্গ নিয়ে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু রাণীশংকৈলে খাল পুনঃ খনন কর্মসূচীর উদ্বোধন

চিনা মধ্যস্থতায় তালিবানের সঙ্গে দূরত্ব কমাচ্ছে পাকিস্তান

  • আপলোড সময় : ৩১-০৫-২০২৫ ০৯:৩৪:১৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৫-২০২৫ ০৯:৩৪:১৭ অপরাহ্ন
চিনা মধ্যস্থতায় তালিবানের সঙ্গে দূরত্ব কমাচ্ছে পাকিস্তান চিনা মধ্যস্থতায় তালিবানের সঙ্গে দূরত্ব কমাচ্ছে পাকিস্তান
আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর উদ্যোগ পাকিস্তানের। শুক্রবার পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে খুব শীঘ্রই রাষ্ট্রদূত পাঠাতে চলেছেন তাঁরা। এর ফলে দুই দেশের বোঝাপড়া আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন তিনি। একাধিক সূত্রের খবর, দু’দেশের সম্পর্কে দূরত্ব কমানোর কাজে প্রধান ভূমিকা পালন করছে চিন।

২০২১ সালে তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর সে অর্থে কাবুলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না ইসলামাবাদের। অবশ্য রাষ্ট্রপুঞ্জও তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে পড়শি দেশ আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক গত কয়েক মাসে কার্যত তলানিতে নেমে আসে।

বিদ্রোহী সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর একাধিক হামলায় প্রায়ই অশান্ত হয়ে ওঠে পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্ত। এই বিদ্রোহীদের তালিবান মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাকিস্তানের। অন্য দিকে, প্রথাগত কূটনৈতিক সম্পর্ক না-থাকলেও কাবুলের সঙ্গে যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রেখেছে নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে একাধিক ভূরাজনৈতিক কৌশল থেকেই চিন পাকিস্তান আর তালিবান শাসিত আফগানিস্তানের দূরত্ব কমাতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।

কয়েক দিন আগেই বেজিংয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠক করেন পাক বিদেশমন্ত্রী দার এবং তালিবান সরকারের ভারপ্রাপ্ত বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। আপাত কূটনৈতিক ওই বৈঠকে তিন জনের রুদ্ধদ্বার আলোচনাও চলে। একাধিক সূত্রের দাবি, সেই আলোচনায় পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানকে পারস্পরিক দূরত্ব কমানোর আহ্বান জানান চিনের বিদেশমন্ত্রী।

দুই দেশের এই কাছে আসার নেপথ্যে একাধিক কারণ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পহেলগাঁও কাণ্ডের পর তার নিন্দা করেছিল তালিবান সরকার। তার জন্য কাবুলকে ধন্যবাদও জানিয়েছিল নয়াদিল্লি। ২০২১-এ আফগানিস্তানে জমানা বদলের পর পরিকল্পনামাফিক কাবুলকে নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারেনি ইসলামাবাদ। বরং ভারতের সঙ্গে তালিবান সরকারের সম্পর্ক মসৃণ হয়েছে, যা চিন এবং পাকিস্তান দু’পক্ষের কাছেই মাথাব্যথার কারণ।

তা ছাড়া বেজিংয়ের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই-এর অন্যতম অঙ্গ চিন এবং পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি)। বেজিং মনে করছে, আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলি পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্তকে অশান্ত রাখলে তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আফগানিস্তানের সঙ্গে একচিলতে সীমান্ত রয়েছে চিনের। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থেই অশান্ত আফগানিস্তান চায় না বেজিং। বরং চায় ‘বন্ধু’ পাকিস্তান বিষয়টির উপর নজর এবং‌ নিয়ন্ত্রণ রাখুক।

এখনও পর্যন্ত তিনটি দেশ তালিবানকে কূটনৈতিক স্বীকতি দিয়েছে। তারা হল চিন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং উজবেকিস্তান। পাকিস্তান যদি কাবুলে রাষ্ট্রদূত পাঠায়, তবে তারা চতুর্থ দেশ হিসাবে আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রথাগত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করবে। তবে পাকিস্তান এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রদূতের নাম জানায়নি। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি তালিবান সরকারও। ২০২১-এ মার্কিন সেনা আফগানিস্তান ছাড়ার পর আমেরিকা তো বটেই, পশ্চিমি দেশগুলির প্রভাব কমেছে সে দেশে। মনে করা হচ্ছে, চিন একাধিক লাভের অঙ্ক মাথায় রেখেই সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে চাইছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এসএসসি পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে রাজশাহীতে মতবিনিময় সভা

এসএসসি পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে রাজশাহীতে মতবিনিময় সভা