ঢাকা , সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাসিক মেয়র হিসেবে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা মহানগর বিএনপি নেতা রবিউল আলম মিলুকে চাঁদা বন্ধের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ রাসিকের উদ্যোগে মহান শহিদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালিত অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একুশ আমাদের পাথেয়, বিভাগীয় কমিশনার নগরীতে ট্যাপেন্টাডল-সহ মাদক কারবারী গ্রেফতার শিশু গৃহকর্মীকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা, চিকিৎসক গ্রেপ্তার রামুতে হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় দুই ভাই মাদারীপুরে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, ৪ ঘণ্টায় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ কোমরে রশি নিয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রদল নেতা সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ভরদুপুরে গুলি করে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই চাঁদাবাজি ঠেকাতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর বার্তা আইজিপির ১২ মার্চ,বসছে সংসদ নির্বাচিত হবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নিয়ামতপুরে বিয়েবাড়ি থেকে তরুণীকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার- ৩ প্রবীণ নেতাকে সাহায্য করে প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আসাদ নিয়ামতপুরে ব্যাডেন পাওয়েলের জন্মবার্ষিকী পালন নোয়াখালীতে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই ​রাজশাহীতে যুবদলের ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে বিক্ষোভ: ত্যাগীদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন অভিযোগ শীতে আসে গরম পড়লেই চলে যায় পাখির কলকাকলিতে মুখর রাণীশংকৈলে রামরায় দিঘী শান্তির সিংড়া গড়তে সকলের সহযোগিতা চাইলেন নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ আনু

ধর্মেন্দ্র-হেমার প্রেম তো আমার চোখের সামনেই পরিণতি পেয়েছে

  • আপলোড সময় : ২৪-১১-২০২৫ ১১:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-১১-২০২৫ ১১:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন
ধর্মেন্দ্র-হেমার প্রেম তো আমার চোখের সামনেই পরিণতি পেয়েছে ধর্মেন্দ্র-হেমার প্রেম তো আমার চোখের সামনেই পরিণতি পেয়েছে
আমার দীর্ঘ দিনের বন্ধু ধর্মেন্দ্র চলে গেল। সোমবার একটু বেলায় খবরটা এল। কারণ, দেওল পরিবারের তরফে খবরটা শুরুতে প্রকাশ করা হয়নি। আমি যখন শ্মশানে পৌঁছলাম, তখন ধরমের অন্ত্যেষ্টি প্রায় শেষের দিকে। সেই মহূর্তে দাঁড়িয়ে ধরমের সঙ্গে আমার কাটানো অজস্র স্মৃতি মনের মধ্যে ভিড় করছিল।

শ্মশানে সানি, ববিদের সঙ্গে দেখা হল। আমাকে জড়িয়ে ধরে ওরা দু’জনেই হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলল। কারণ, আমি তো ওদের অল্প বয়স থেকে দেখেছি। সানি বলল, ‘‘‘ইস পার জ়োর নহি’ ছবির শুটিংয়ে গোয়ায় বাবার সঙ্গে আমিও গিয়েছিলাম। আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে।’’ আবার এক বার ধর্মেন্দ্রকে ছবির গল্প শোনাতে গিয়েছিলাম। সামনে ছিল ববি। সেই ঘটনাও আমাকে জানাল ববি।

পঞ্জাবের এক গ্রাম থেকে এসে হিন্দি ছবিতে রাজত্ব করার আখ্যান ধর্মেন্দ্রকে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। ও তো দিলীপ কুমারকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিল। ধর্মেন্দ্র আর আমি এক বছর আগে-পরে হয়তো অভিনয় করতে আসি। অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়। একসঙ্গে প্রায় ৬-৭টা ছবিতে কাজ করেছি। ও আমার পরিচালনায় ছবিও করেছে। আমাকে বলত, ‘‘বিশু, আমি তো ক্ষেতে লাঙল চালাতাম। আমাকে স্টার বানিয়েছে দেশের মানুষ।’’

আমি আর ধর্মেন্দ্র ছিলাম এক থালার বন্ধু। একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া, এক ঘরে ঘুমোনো— অভিজ্ঞতা বলে শেষ করতে পারব না। শুটিংয়ের পর ধরমের ফার্মহাউজ়ে একসঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলেছি। শুটিংয়ের সময়ে গরমকালে ওর বাড়ি থেকে ছাস আসত। আর ধরম বলত, ‘‘দাও, বিশুকেও দাও।’’ দু’জনে ভাগ করে খেতাম।‘’

ধর্মেন্দ্র খোলা মনের মানুষ ছিল। সোজা কথা বলতে ভালবাসত। ওর মনের কথা আমার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পছন্দ করত। রোম্যান্টিক মানুষ ছিল। টুকটাক সম্পর্কেও জড়িয়েছে। কিন্তু হেমা ওর জীবনে আসার পর ধরমের জীবনটাই বদলে যায়। ধর্মেন্দ্র-হেমার প্রেম তো আমার চোখের সামনেই পরিণতি পেল। ‘কহতে হ্যায় মুঝকো রাজা’ ছবিতে তো আমি ধর্মেন্দ্র-হেমাকে নির্বাচন করেছিলাম। তখনও ওদের প্রেম দেখেছি। হেমাকে প্রচণ্ড ভালবাসত ধরম।

কথা দিয়ে কথা রাখত ধর্মেন্দ্র। উত্তরবঙ্গে বন্যার ত্রাণ সংগ্রহের জন্য কলকাতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। আমার এককথায় ধর্মেন্দ্র সেখানে উপস্থিত হয়। অনুষ্ঠানের দিন ও আসতে পারবে কি না, তা নিয়ে বাকি শিল্পীদের মধ্যে গুঞ্জন তুঙ্গে। ধরম বলল, ‘‘আমি এক জন জাট। যদি আমার লাশ না পড়ে, তা হলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকব!’’ কথা রেখেছিল আমার বন্ধু।

ধরমের শেষকৃত্যের পর হেমা (হেমা মালিনী)-র বাড়িতে গিয়েছিলাম। অনেক কথা হল। কন্যা এষা ছাড়াও ওর সঙ্গে অভয় দেওল ছিল। জামাইরাও তত ক্ষণে পৌঁছে গিয়েছিলেন। সায়রা বানো, মধুও এসেছিল। ওদের সঙ্গে কথা হল। হেমাকে দেখলাম, বেশ সামলে নিয়েছে। আমাকে দেখেই বলল, ‘‘আপনার বন্ধু চলে গেল!’’

কারও মৃত্যুর খবর রটে গেলে শুনেছি, তার আয়ু আরও বেড়ে যায়। ধরম যখন হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল, তখনও ওর খবর নিয়েছি। ৮ ডিসেম্বর ওর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে বাড়ি যাব ভেবেছিলাম। আমার পরিচালিত ‘অগ্নিযুগ: দ্য ফায়ার’ ছবিতে ওর অংশের শুটিং শেষ করে গিয়েছে ধরম। ছবিতে ও পঞ্জাব কেশরী লালা লজপত রাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিল। ধর্মেন্দ্রের সহকারী জয়রাজের সঙ্গে আমি নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলাম। খবর নিতাম। কিন্তু আজকের সকালটা অন্য রকম ছিল। ধরম চলে গেল।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাসিক মেয়র হিসেবে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা মহানগর বিএনপি নেতা রবিউল আলম মিলুকে

রাসিক মেয়র হিসেবে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা মহানগর বিএনপি নেতা রবিউল আলম মিলুকে