এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট সুপারসনিক ও মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান এফ-১৬ ফ্যালকন আধুনিক সামরিক শক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে স্থলে আঘাত হানার সক্ষমতাসম্পন্ন এই জেট বর্তমানে বিশ্বের ২৫টিরও বেশি দেশের বায়ুসেনায় ব্যবহৃত হচ্ছে। জেনারেল ডাইনামিক্সের নকশায় তৈরি হলেও বর্তমানে লকহিড মার্টিন এফ-১৬ উৎপাদন করছে। কৌশলগত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে এসব জেটের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্ট্যাটিস্টার ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী নিচে তুলে ধরা হল কোন পাঁচটি দেশের কাছে রয়েছে বিশ্বের সর্বাধিক এফ-১৬ ফাইটার জেট:
ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে আকাশসীমা রক্ষায় তাইওয়ানের প্রধান ভরসা এফ-১৬। দেশটি এর বহরকে উন্নত F-16V (Viper) সংস্করণে আপগ্রেড করছে। উন্নত রাডার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টার্গেটিং সুবিধা এবং আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ফলে এগুলি এখন তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
আফ্রিকার সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী হিসেবে পরিচিত মিশরের ট্যাকটিক্যাল এয়ার পাওয়ারের প্রধান ভিত্তিও এই এফ-১৬ জেট। আকাশ প্রতিরক্ষা, স্থল আক্রমণ, সীমান্ত নজরদারি ও বহুমুখী সামরিক মিশনে এগুলির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা এবং নিয়মিত আপগ্রেডের ফলে মিশর তার এফ-১৬ ইউনিটকে উচ্চমাত্রায় যুদ্ধ-প্রস্তুত রাখতে সক্ষম হয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এফ-১৬ বহরগুলোর একটি রয়েছে ইসরায়েলের হাতে। নিজেদের সামরিক চাহিদা অনুযায়ী জেটগুলিতে উন্নত রাডার, ইলেকট্রনিক স্যুট, সেন্সর ও অস্ত্র ব্যবস্থা যুক্ত করেছে দেশটি। মধ্যপ্রাচ্যের জটিল নিরাপত্তা পরিবেশে আকাশ প্রতিরক্ষা, স্থল আক্রমণ ও কৌশলগত প্রতিরোধ শক্তি বজায় রাখতে ইসরায়েলের এফ-১৬ ফ্লিটের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এফ-১৬ বহর রয়েছে তুরস্কের। দেশটি নিজেদের তৈরি আপগ্রেড প্যাকেজ ব্যবহার করে পুরোনো জেটগুলোকে আধুনিক করছে। পাশাপাশি নতুন Block 70 মডেল যুক্ত হওয়ায় তুরস্কের অ্যাভিওনিক্স, রাডার ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়েছে। ন্যাটো মিশন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শক্তি প্রদর্শনে এই ফ্লিট তুরস্কের কৌশলগত সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এফ-১৬ ফ্যালকনের জন্মদাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম এফ-১৬ ফাইটার বহর। মার্কিন বায়ুসেনা, ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ ইউনিটে বিস্তৃত এই ফ্লিট আকাশে আধিপত্য তৈরি, স্থল আক্রমণ, আন্তর্জাতিক মিশন এবং উন্নত পাইলট প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হয়। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, আধুনিক সেন্সর ও অস্ত্র ব্যবস্থা এবং দীর্ঘ অপারেশনাল অভিজ্ঞতা এফ-১৬-কে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত করেছে।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রমাণিত সামরিক সক্ষমতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং বহুমুখী ব্যবহারের কারণে এফ-১৬ এখনো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর ফাইটার জেট। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্যে এসব জেট আগামী দিনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
স্ট্যাটিস্টার ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী নিচে তুলে ধরা হল কোন পাঁচটি দেশের কাছে রয়েছে বিশ্বের সর্বাধিক এফ-১৬ ফাইটার জেট:
ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে আকাশসীমা রক্ষায় তাইওয়ানের প্রধান ভরসা এফ-১৬। দেশটি এর বহরকে উন্নত F-16V (Viper) সংস্করণে আপগ্রেড করছে। উন্নত রাডার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টার্গেটিং সুবিধা এবং আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ফলে এগুলি এখন তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
আফ্রিকার সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী হিসেবে পরিচিত মিশরের ট্যাকটিক্যাল এয়ার পাওয়ারের প্রধান ভিত্তিও এই এফ-১৬ জেট। আকাশ প্রতিরক্ষা, স্থল আক্রমণ, সীমান্ত নজরদারি ও বহুমুখী সামরিক মিশনে এগুলির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা এবং নিয়মিত আপগ্রেডের ফলে মিশর তার এফ-১৬ ইউনিটকে উচ্চমাত্রায় যুদ্ধ-প্রস্তুত রাখতে সক্ষম হয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এফ-১৬ বহরগুলোর একটি রয়েছে ইসরায়েলের হাতে। নিজেদের সামরিক চাহিদা অনুযায়ী জেটগুলিতে উন্নত রাডার, ইলেকট্রনিক স্যুট, সেন্সর ও অস্ত্র ব্যবস্থা যুক্ত করেছে দেশটি। মধ্যপ্রাচ্যের জটিল নিরাপত্তা পরিবেশে আকাশ প্রতিরক্ষা, স্থল আক্রমণ ও কৌশলগত প্রতিরোধ শক্তি বজায় রাখতে ইসরায়েলের এফ-১৬ ফ্লিটের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এফ-১৬ বহর রয়েছে তুরস্কের। দেশটি নিজেদের তৈরি আপগ্রেড প্যাকেজ ব্যবহার করে পুরোনো জেটগুলোকে আধুনিক করছে। পাশাপাশি নতুন Block 70 মডেল যুক্ত হওয়ায় তুরস্কের অ্যাভিওনিক্স, রাডার ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়েছে। ন্যাটো মিশন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শক্তি প্রদর্শনে এই ফ্লিট তুরস্কের কৌশলগত সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এফ-১৬ ফ্যালকনের জন্মদাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম এফ-১৬ ফাইটার বহর। মার্কিন বায়ুসেনা, ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ ইউনিটে বিস্তৃত এই ফ্লিট আকাশে আধিপত্য তৈরি, স্থল আক্রমণ, আন্তর্জাতিক মিশন এবং উন্নত পাইলট প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হয়। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, আধুনিক সেন্সর ও অস্ত্র ব্যবস্থা এবং দীর্ঘ অপারেশনাল অভিজ্ঞতা এফ-১৬-কে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত করেছে।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রমাণিত সামরিক সক্ষমতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং বহুমুখী ব্যবহারের কারণে এফ-১৬ এখনো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর ফাইটার জেট। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্যে এসব জেট আগামী দিনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
আন্তজার্তিক ডেস্ক