ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ গ্রামে বালু ভরাটের গর্তে পড়ে নদী নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
নদী (৭) ওই গ্রামের মধু সরকারের মেয়ে এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম শাহিন নামের এক ব্যক্তি পুকুরে বলগেটের মাধ্যমে বালু ভরাটের কাজ করছিল। বিকালে প্রতিবেশী কয়েক শিশুর সঙ্গে নদীও ওই বালু ভরাট কাজ দেখতে যায়। এক পর্যায়ে অসতর্কতাবশত নদী বালুমিশ্রিত পানিতে পড়ে ডুবে যায়।
ঘটনা সময় স্থানীয় চুন্নু শিকদার নামের এক ব্যক্তি দ্রুত নদীকে বালুর ভরাটের ভেতর থেকে উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু নদীকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুর পিতা মধু সরকার জানায়, দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে কয়েক বছর ধরে তারা মুনসুরাবাদ গ্রামে ভাড়া বাড়িতে থেকে ভাঙারি ব্যবসা করেন।
তিনি বলেন, আমার মেয়েটা দুপুরে খেলতে বের হয়েছিল। ভাবিনি এমন মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের জীবনে নেমে আসবে।
ফরিদপুর
নদী (৭) ওই গ্রামের মধু সরকারের মেয়ে এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম শাহিন নামের এক ব্যক্তি পুকুরে বলগেটের মাধ্যমে বালু ভরাটের কাজ করছিল। বিকালে প্রতিবেশী কয়েক শিশুর সঙ্গে নদীও ওই বালু ভরাট কাজ দেখতে যায়। এক পর্যায়ে অসতর্কতাবশত নদী বালুমিশ্রিত পানিতে পড়ে ডুবে যায়।
ঘটনা সময় স্থানীয় চুন্নু শিকদার নামের এক ব্যক্তি দ্রুত নদীকে বালুর ভরাটের ভেতর থেকে উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু নদীকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুর পিতা মধু সরকার জানায়, দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে কয়েক বছর ধরে তারা মুনসুরাবাদ গ্রামে ভাড়া বাড়িতে থেকে ভাঙারি ব্যবসা করেন।
তিনি বলেন, আমার মেয়েটা দুপুরে খেলতে বের হয়েছিল। ভাবিনি এমন মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের জীবনে নেমে আসবে।
ফরিদপুর
অনলাইন ডেস্ক