গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করার পরে চিরকুটে যোগাযোগের জন্য ফোন নম্বর দিয়ে যায় চোর চক্র। সেই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে মিটার ফিরিয়ে দিতে দাবি করা হয় টাকা, টাকা পাঠানোর জন্য দেওয়া হয় একটি বিকাশ এজেন্ট নম্বর। সেই মোতাবেক বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দিয়ে যোগাযোগ করা হলে দোকান থেকে টাকা নিতে এসে চিরকুটে ব্যবহৃত ফোন নম্বরের মোবাইল, চুরি যাওয়া বৈদ্যুতিক মিটারসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে (২০নভেম্বর) ঘটনাটি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নে ঘটেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া যুবক সনি ইসলাম (২০) পার্শ্ববর্তী ক্ষেতলাল উপজেলার বারইল কুঠিপাড়া এলাকার লতিফের ছেলে। এই ঘটনায় আক্কেলপুর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন ওই গভীর নলকূপের এক অংশীদার।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী ওই নলকূপ মালিকদের সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ নভেম্বর রাতে গোপীনাথপুর ইউনিয়নের দুলালী এলাকার গভীর নলকূপ থেকে বৈদ্যুতিক মিটারটি চুরি হয়। সকালে এসে তারা (নলকূপ মালিকরা) সেখানে একটি চিরকুটে যোগাযোগের জন্য ফোন নম্বর পান।
সেই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়, দেওয়া হয় একটি বিকাশ এজেন্ট নম্বর। সেই নম্বরের খোঁজ নেওয়ার পরে এজেন্ট মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাঠানো হয় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। সেই টাকা নিতে এলে আটক করা সেই যুবককে। সে সময় তার কাছ থেকে চিরকুটের ফোন নম্বরের ব্যবহৃত মোবাইল, চুরি যাওয়া বৈদ্যুতিক মিটার উদ্ধার হয়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে।
মামলার বাদী মোজাম্মেল হয় জানান, বিগত প্রায় এক মাস পূর্বে ওই গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়েছিল। তখন চিরকুটে থাকা নাম্বারে যোগাযোগ করে ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে তারা মিটার ফিরে পেয়েছিলেন। গত ১৮ নভেম্বর রাতে আবারও সেই মিটার চুরি হয়েছিল। বিকাশে টাকা পাঠানোর পরে টাকা নিতে এলে বিকাশ এজন্টের দোকান থেকে তারা মিটারসহ এই যুবককে আটক করে থানায় দিয়েছেন।
এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছেন। আক্কেলপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চুরি যাওয়া বৈদ্যুতিক মিটার, চিরকুটে ব্যবহৃত ফোন নম্বরের মোবাইলসহ এক যুবককে গ্রেপ্তারের পরে আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে (২০নভেম্বর) ঘটনাটি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নে ঘটেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া যুবক সনি ইসলাম (২০) পার্শ্ববর্তী ক্ষেতলাল উপজেলার বারইল কুঠিপাড়া এলাকার লতিফের ছেলে। এই ঘটনায় আক্কেলপুর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন ওই গভীর নলকূপের এক অংশীদার।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী ওই নলকূপ মালিকদের সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ নভেম্বর রাতে গোপীনাথপুর ইউনিয়নের দুলালী এলাকার গভীর নলকূপ থেকে বৈদ্যুতিক মিটারটি চুরি হয়। সকালে এসে তারা (নলকূপ মালিকরা) সেখানে একটি চিরকুটে যোগাযোগের জন্য ফোন নম্বর পান।
সেই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়, দেওয়া হয় একটি বিকাশ এজেন্ট নম্বর। সেই নম্বরের খোঁজ নেওয়ার পরে এজেন্ট মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাঠানো হয় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। সেই টাকা নিতে এলে আটক করা সেই যুবককে। সে সময় তার কাছ থেকে চিরকুটের ফোন নম্বরের ব্যবহৃত মোবাইল, চুরি যাওয়া বৈদ্যুতিক মিটার উদ্ধার হয়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে।
মামলার বাদী মোজাম্মেল হয় জানান, বিগত প্রায় এক মাস পূর্বে ওই গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়েছিল। তখন চিরকুটে থাকা নাম্বারে যোগাযোগ করে ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে তারা মিটার ফিরে পেয়েছিলেন। গত ১৮ নভেম্বর রাতে আবারও সেই মিটার চুরি হয়েছিল। বিকাশে টাকা পাঠানোর পরে টাকা নিতে এলে বিকাশ এজন্টের দোকান থেকে তারা মিটারসহ এই যুবককে আটক করে থানায় দিয়েছেন।
এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছেন। আক্কেলপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চুরি যাওয়া বৈদ্যুতিক মিটার, চিরকুটে ব্যবহৃত ফোন নম্বরের মোবাইলসহ এক যুবককে গ্রেপ্তারের পরে আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’
অনলাইন ডেস্ক