গৌরনদীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দপ্তর, যে জায়গায় প্রতিদিন ভিড় থাকে সেবা নিতে আসা মানুষের, সেই সরকারি দপ্তরেই বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটে গেল এক অভূতপূর্ব ঘটনা। দোতলার একটি কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন নুপুর আক্তার (৩৫)। তার পরিবারের দাবি, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী এই নারী।
বৃহস্পতিবার গৌরনদীর উপজেলা পরিষদে এ ঘটনার ঘটে।
এর আগের দিন বুধবার তিনি দেশীয় অস্ত্র ‘ডেগার’ নিয়ে ইউএনওর কক্ষে ঢোকেন। সেখানেই আত্মহত্যার হুমকি দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে হঠাৎ অফিস সহকারীরা দোতলার কক্ষে ঢুকে নুপুরকে আত্মহত্যার চেষ্টা করতে দেখা যায়। দ্রুত ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়।
নলচিড়া ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের রশিদ সরদারের মেয়ে নুপুর। তার অভিযোগ, মাদকাসক্ত ভাইয়ের নির্যাতন তাকে দীর্ঘদিন ধরেই অসহায় করে তুলেছে। আশ্রয় চাইতে বারবার ছুটে এসেছিলেন ইউএনও দপ্তরে। কিন্তু সমস্যার সুরাহা হয়নি। তাই ইউএনও অফিসেও এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
ইউএনও দপ্তরের কর্মকর্তা জি এম রউফ বলেন, মাদকাসক্ত ভাইয়ের হাতে তিনি (নুপুর) বহুবার মারধরের শিকার হয়েছেন। আত্মহত্যার চেষ্টার আগের দিন বুধবার তিনি দেশীয় অস্ত্র ‘ডেগার’ নিয়ে ইউএনওর কক্ষে ঢোকেন। সেখানেই আত্মহত্যার হুমকি দেন।
আনসার সদস্যরা তাকে বাইরে নিয়ে যায়। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নুপুর একজন মানসিক প্রতিবন্ধী নারী।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই ওয়ালী উল্লাহ জানান, খবর পেয়ে নুপুরকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে অফিস সহকারী কবির হোসেন বাদী হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ও সরকারি কাজে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার পর আজ শুক্রবার আদালতে তোলা হলে বিচারক নুপুরকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নুপুর জেলহাজতে থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনা নিয়ে ইউএনও মো. ইব্রাহিম হোসেনের মন্তব্য জানতে তার সরকারি মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও সাড়া মেলেনি। ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার গৌরনদীর উপজেলা পরিষদে এ ঘটনার ঘটে।
এর আগের দিন বুধবার তিনি দেশীয় অস্ত্র ‘ডেগার’ নিয়ে ইউএনওর কক্ষে ঢোকেন। সেখানেই আত্মহত্যার হুমকি দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে হঠাৎ অফিস সহকারীরা দোতলার কক্ষে ঢুকে নুপুরকে আত্মহত্যার চেষ্টা করতে দেখা যায়। দ্রুত ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়।
নলচিড়া ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের রশিদ সরদারের মেয়ে নুপুর। তার অভিযোগ, মাদকাসক্ত ভাইয়ের নির্যাতন তাকে দীর্ঘদিন ধরেই অসহায় করে তুলেছে। আশ্রয় চাইতে বারবার ছুটে এসেছিলেন ইউএনও দপ্তরে। কিন্তু সমস্যার সুরাহা হয়নি। তাই ইউএনও অফিসেও এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
ইউএনও দপ্তরের কর্মকর্তা জি এম রউফ বলেন, মাদকাসক্ত ভাইয়ের হাতে তিনি (নুপুর) বহুবার মারধরের শিকার হয়েছেন। আত্মহত্যার চেষ্টার আগের দিন বুধবার তিনি দেশীয় অস্ত্র ‘ডেগার’ নিয়ে ইউএনওর কক্ষে ঢোকেন। সেখানেই আত্মহত্যার হুমকি দেন।
আনসার সদস্যরা তাকে বাইরে নিয়ে যায়। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নুপুর একজন মানসিক প্রতিবন্ধী নারী।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই ওয়ালী উল্লাহ জানান, খবর পেয়ে নুপুরকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে অফিস সহকারী কবির হোসেন বাদী হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ও সরকারি কাজে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার পর আজ শুক্রবার আদালতে তোলা হলে বিচারক নুপুরকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নুপুর জেলহাজতে থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনা নিয়ে ইউএনও মো. ইব্রাহিম হোসেনের মন্তব্য জানতে তার সরকারি মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও সাড়া মেলেনি। ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
অনলাইন ডেস্ক