ঢাকা , সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাঠমান্ডু যাওয়ার রাস্তায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে নিহত ১৮ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কারও হস্তক্ষেপ চায় না ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদোন্নতিপ্রাপ্ত ২ সেনা কর্মকর্তাকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে রোজা রেখে ধূমপানের বিধান ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষক কার্ড দেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে বিপুল পরিমাণ হেরোইনসহ সরবরাহকারী গ্রেফতার নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিএনপি নেতার মৃত্যু প্লাস্টিকের জুতার ভেতরে ইয়াবা পাচার, ২৯৭০ পিসসহ গ্রেপ্তার ১ রাজশাহী অঞ্চলে বিলুপ্ত সিনেমা হল রাসিক মেয়র হিসেবে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা মহানগর বিএনপি নেতা রবিউল আলম মিলুকে চাঁদা বন্ধের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ রাসিকের উদ্যোগে মহান শহিদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালিত অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একুশ আমাদের পাথেয়, বিভাগীয় কমিশনার নগরীতে ট্যাপেন্টাডল-সহ মাদক কারবারী গ্রেফতার শিশু গৃহকর্মীকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা, চিকিৎসক গ্রেপ্তার রামুতে হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় দুই ভাই মাদারীপুরে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, ৪ ঘণ্টায় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ কোমরে রশি নিয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রদল নেতা

সমাজমাধ্যমের নেশা দাম্পত্য জীবন নষ্ট করছে

  • আপলোড সময় : ১৭-১১-২০২৫ ০৪:২১:৩৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-১১-২০২৫ ০৪:২১:৩৯ অপরাহ্ন
সমাজমাধ্যমের নেশা দাম্পত্য জীবন নষ্ট করছে ছবি: সংগৃহীত
যা খাচ্ছেন, যা করছেন এমনকি কোন দিন কী পরছেন, দিনের নানা মুহূর্তগুলি ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে ভাগ করেন অনেকেই। সুয়োগ পেলেই সমাজমাধ্যমের পাতায় নজর, কার জীবনে কী ঘটে চলেছে তা দেখার আগ্রহ। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে সর্ব ক্ষণ বুঁদ হয়ে আছেন। সমাজমাধ্যমের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি এবং দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করার অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব তো ফেলছেই, ক্ষতি করছে কাছের সম্পর্কগুলিরও।

সমাজমাধ্যমের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি প্রতি দিনের জীবনে, এমনকী পারিবারিক সম্পর্কে কুপ্রভাব ফেলছে। মানসিক চাপে ভুক্তভোগীদের বড় অংশ চাপ কমানোর জন্য বিজ্ঞাপন দেখে পণ্য ব্যবহার করছেন, কেউ কেউ মদ বা তামাকজাত দ্রব্যের উপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। ভার্চুয়াল বন্ধুর দামি গাড়ি বা সাজানো বাড়ির ছবি মনে ঈর্ষা জাগাচ্ছে, স্নায়ুজনিত উত্তেজনাও তৈরি করছে। অন্যের সঙ্গে তুলনা টানতে টানতে কাছের সম্পর্কগুলি অনেক দূরে চলে যাচ্ছে।

হাত-পা, মন, মস্তিষ্ক সব যেন বন্দি এই ডিজিটাল হাতকড়ায়। পাশে বন্ধু বসে থাকলেও নজর চলে যা ডিজিটাল বন্ধু কী করছে সেই দিকে। ডিজিটাল দুনিয়ার ঘোর থেকে বেরিয়ে সুস্থ জীবন যাপন করার চাবিকাঠি নিজের হাতেই তুলে নিতে হবে। এর জন্য করতে হবে ডিজিটাল উপোস। তবে এই ডিজিটাল উপোস করা অত সোজা নয়। শুরু করতে হবে ধীরে ধীরে।

১) ভাবতে শুরু করুন: সারা দিনে কত বার ফোন দেখেন? টিভি পর্দার দিকে কত ক্ষণ তাকিয়ে থাকেন? ক’ঘণ্টা কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে বসে থাকেন? আর কত ক্ষণ বাড়ির লোকদের সঙ্গে গল্প করেন? ভার্চুয়াল বন্ধুদের ছেড়ে পাড়ার কিংবা স্কুল কলেজের বন্ধুদের সঙ্গে কবে শেষ আড্ডা দিয়েছিলেন? এই প্রশ্নগুলি নিজেকে করে দেখুন। ডিজিটাল উপোস চলছে যখন, অন্য কিছু দিয়ে মন ভরাতে হবে। সে ক্ষেত্রে ভাল সঙ্গী হতে পারে বই। দীর্ঘ ক্ষণ বইয়ে মন না বসলে শুরু করুন রহস্য উপন্যাস বা ছোট গল্পের বই দিয়ে। বাড়ির সদস্যদের ডেকে দাবা বা লুডোর বোর্ড সাজিয়ে বসে পড়তে পারেন। একটু চেষ্টা করে দেখুন। ফোনের ক্যামেরায় না দেখে মনের ক্যামেরায় আশপাশের মানুষের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো বন্দি করে রাখুন। জীবনটা সুন্দর হবে, হতাশাও কাটবে। নতুন নস্ট্যালজিয়া তৈরি হবে।

২) সময় বাঁধুন: প্রত্যেক দিন মোবাইল, টিভি, কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কতটা করে সময় দেবেন, সেটা আগে ঠিক করতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ব্যবহার থেকে দূরে রাখুন নিজেকে। রাতে ঘুমের আগে ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখুন। ঘুমোনোর অনন্ত এক ঘণ্টা আগে থেকেই ফোন নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দিন। মুঠোফোনই বেশির ভাগ সময় কেড়ে নেয়। হাতের কাছে ফোন থাকলেই, ফোন না়ড়াচাড়া করতে ইচ্ছে করে।

৩) ছাঁটাই অভিযান: দরকারি অ্যাপ ছাড়া বাকি অ্যাপগুলি ডিলিট করে দিন। মানে ধরুন, গাড়ি ধরার, লোকেশন দেখার মতো দরকারি অ্যাপ রেখে সোশ্যাল নেটওয়র্কিং ও চ্যাট করার অ্যাপ ছাঁটাই করুন। দেখবেন আর ফোনের দিকে তাকাতেও ইচ্ছে করছে না। উপোস শুরু করার সময়ে একটু কড়া তো হতেই হবে।

৪) সঙ্গী খুঁজুন: একা উপোস না করে এক জন সঙ্গী খুঁজুন। তা হলে নিজে যদি কখনও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না-ও পারেন, সে আপনাকে আটকাবে। আর সময় মতো একই সাহায্য আপনিও বন্ধুকে করতে পারেন। ফোন, কম্পিউটার ছেড়ে সেই বন্ধুর সঙ্গে গল্প করে সময়ও কাটাতে পারবেন অনেকটা। বন্ধুবান্ধব, অফিস, বাড়িতে ঘোষণা করে দিন নিজের ডিজিটাল উপোসের কথা। কখনও ভুলে কোনও নিয়ম ভাঙলে আশপাশের লোকজন সতর্ক করতে পারেন।

৫) ফোন ছাড়া ছুটিতে যান: দু’দিনের জন্য ফোন বন্ধ করে ঘুরতে চলে যান। পরবর্তীকালে ছুটি কাটানোর জন্য এমন জায়গা বাছাই করুন যেখানে ফোনের নেটওয়ার্ক ধরে না। তা হতে পারে কোনও জঙ্গল, হতে পারে কোনও পাহাড়ি নির্জন গ্রাম। কাল্পনিক ডিজিটাল জগতে স্বাদ-গন্ধ-স্পর্শ কিছুই নেই। বাস্তব জীবনে বাঁচতে শিখুন। দেখবেন বাস্তবটা অনেক বেশি সুন্দর।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী অঞ্চলে বিলুপ্ত সিনেমা হল

রাজশাহী অঞ্চলে বিলুপ্ত সিনেমা হল