ঢাকা , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ , ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ অ্যামেচার বক্সিং ফেডারেশনের নতুন কমিটিতে রাজশাহীর কৃতিসন্তান নাদিম হোসেন রাসিক প্রশাসকের সাথে চাঁদের আলো ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা ঘোষিত শিমলা পার্ক, এখন প্রয়োজন সকলের দায়িত্বশীল আচরণ কাটাখালী থানায় ট্যাপেন্টাডল সহ মাদক কারবারী হৃদয় গ্রেপ্তার লালপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ইটভাটা মালিককে জরিমানা রাসিক প্রশাসকের সাথে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ পুঠিয়ায় ৫০ গ্রাম হেরোইন সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, মোটরসাইকেল জব্দ শাহজাদপুরে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কাশিয়াডাঙ্গায় গাঁজাসহ মাদক কারবারী কালিমুদ্দীন গ্রেপ্তার রাজপাড়া থানায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার কাটাখালি থানায় ট্যাপেন্টাডল-সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার, অটোরিকশা জব্দ বোয়ালিয়া মডেল থানায় মাদক মামলায় যুবকের ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড কাশিয়াডাঙ্গায় ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার গোদাগাড়ীতে মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে প্রশ্ন, থানায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি আজাদ ও তার স্ত্রীকে ঘিরে সমালোচনা রাজশাহীতে টিসিবির জুলাই মাসের ভর্তুকি মূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু আরডিএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে এমপি আবু সাইদ চাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ তানোরে সরকারি খাস জায়গা দখল করে পাকা ঘর নির্মাণ পীরগঞ্জ বন বিভাগের লাগানো ১০ হাজার চারা গাছ ‌ তুলে ফেলেছে দুবৃত্তরা ‘টাকা নিয়ে আসি’, বলে ২ মেয়েকে রাস্তায় রেখে উধাও মা চলনবিলে শ্রাবণেই শাপলা ফুলের সমারোহ

ভুলে যাওয়ার রোগ সারতে পারে হাঁটাহাঁটিতে!

  • আপলোড সময় : ০৪-১১-২০২৫ ০২:২২:০৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-১১-২০২৫ ০২:২২:০৭ অপরাহ্ন
ভুলে যাওয়ার রোগ সারতে পারে হাঁটাহাঁটিতে! ফাইল ফটো
অ্যালঝাইমার্সের মতো দুরারোগ্য রোগ সারানোর ওষুধ এখনও আসেনি। শুধু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার নানা পদ্ধতি নিয়েই গবেষণা চলছে বিশ্ব জুড়ে। বয়সকালে স্মৃতি হারিয়ে যাওয়া বা অ্যালঝাইমার্সের মতো দুরারোগ্য ব্যাধির ঝুঁকি কমানো সম্ভব কি না, তা নিয়েই গবেষণা চলছে। দাবি করা হয়েছে, মস্তিষ্কের প্রদাহ এবং তা থেকে অ্যালঝাইমার্সের মতো স্মৃতিনাশক রোগের কারণ অনেক রকমই হতে পারে। অ্যালঝাইমার্স হওয়ার নেপথ্যে যেমন ভাইরাস যোগ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, তেমনই এর পিছনে জিনগত কারণও থাকতে পারে। আবার জীবনযাপনের পদ্ধতিও এর কারণ হতে পারে। ওষুধ বা নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসাপদ্ধতি যেহেতু নেই, তাই জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ এনেই অ্যালঝাইমার্স বা স্মৃতিনাশের মতো মানসিক সমস্যাকে বশে রাখার চেষ্টা করতে হবে। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষকেরা এই বিষয়টি নিয়ে তাঁদের মতামত জানিয়েছেন।

বয়স ৪০ থেকে ৭৯ এমন ৭৮ হাজার মানুষজনকে নিয়ে হার্ভার্ডের গবেষকেরা একটি সমীক্ষা চালান। প্রত্যেককে পরিয়ে দেওয়া হয় ফিটনেস ট্র্যাকার। প্রতি দিন নিয়ম করে তাঁদের ৩,৮০০ থেকে ৫,০০০ পা হাঁটতে বলা হয়। সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে পাঁচ দিন এই অভ্যাস চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। মাসখানেক পরে দেখা যায়, যাঁরা নিয়ম মেনে হেঁটেছিলেন তাঁদের মস্তিষ্কের সক্রিয়তা অনেক বেড়েছে। হাঁটলে মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন ভাল হয়, মস্তিষ্কের পেশির সক্রিয়তা বাড়ে, অক্সিজেন সরবরাহ হয় এবং স্মৃতিলোপের ঝুঁকি কমে। হাঁটলে এন্ডরফিন ও সেরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ হয় যা মনকে খুশি রাখে, অনিদ্রার সমস্যা দূর করে। এতে স্মৃতিশক্তিও উন্নত হয়।

‘জামা নিউরোলজি’ জার্নালে এই গবেষণার খবর প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, অ্যালঝাইমার্সের মতো অসুখে শ্বাসপ্রশ্বাসের স্বাভাবিক হার অনেক বেড়ে যায়। এই রোগে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের প্রবাহ কমতে থাকে, সে কারণে গোলমাল বাধে। অ্যালঝাইমার্স রোগের নানা স্তর রয়েছে। দীর্ঘকালীন অবসাদ, বাইপোলার ডিজঅর্ডার থেকে অ্যালঝাইমার্স হতে পারে। অত্যধিক মানসিক চাপের কারণে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে গেলে তা মস্তিষ্কের কোষগুলির উপর প্রভাব ফেলে। ‘কগনিটিভ ডিসফাংশন’ হতে পারে। তখন ভুলে যাওয়ার সমস্যা বাড়ে। অ্যালঝাইমার্সের রোগীদের যে কেবল স্মৃতিনাশ হয়, তা নয়। যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে কোনও কিছুর পরিকল্পনা করা, যুক্তি দিয়ে বিচার করার ক্ষমতা, সমাজে মেলামেশা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন তাঁরা। কথাবার্তাও অসংলগ্ন হয়ে যায়। নিজের মনের ভাব ভাষায় ব্যক্ত করতে পারেন না। এই সব সমস্যারই সমাধান হতে পারে নিয়ম মেনে হাঁটলে।

হার্ভার্ড এজিং ব্রেন স্টডি (এইচএবিএস) নামক একটি সমীক্ষায় গবেষকেরা ২৯৬ জনকে নিয়ে একটি নিরীক্ষা চালান। তাঁদের বয়স ছিল ৫০ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে এবং প্রত্যেকেই অ্যালঝাইমার্স বা স্মৃতিনাশের মতো ব্যাধিতে ভুগছিলেন। গবেষকেরা ১৪ বছর ধরে সমীক্ষাটি চালান এবং দেখেন যাঁরা নিয়ম মেনে দিনে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার পা হেঁটেছেন, তাঁদের রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আসলে স্মৃতিনাশের মতো রোগের একটা বড় কারণ হল অ্যামাইলয়েড ও টাও প্রোটিন। মস্তিষ্কে এই দুই প্রোটিন বেশি পরিমাণে জমা হতে থাকলেই স্মৃতির পাতা ধূসর হতে থাকে। যদি শারীরিক কসরত বাড়িয়ে দেওয়া যায়, তা হলে এই দুই প্রোটিন জমাট বাঁধতে পারে না। তখন স্মৃতিলোপের মতো অসুখ হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কাটাখালি থানায় ট্যাপেন্টাডল-সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার, অটোরিকশা জব্দ

কাটাখালি থানায় ট্যাপেন্টাডল-সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার, অটোরিকশা জব্দ