ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ , ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রাজশাহীর স্বেচ্ছাসেবক নেতা শান্ত'র বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের ৬ জেলায় অচল ৬০ আইসিইউ শয্যা, রামেকে জনবল সংকটে বাড়ছে মৃত্যু ঝুঁকি রাণীশংকৈলে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের হিন্দু ভক্তদের মিলন মেলা রাণীনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে মাদক সেবির কারাদন্ড রাণীনগর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার - ৪ বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: ধানের শীষে ভোট চাইলেন হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক রাজশাহীকে শুভেচ্ছা সাংবাদিক লাঞ্চিতের ঘটনায় আরইউজের নিন্দা-প্রতিবাদ চারঘাটে ককটেল, দেশীয় অস্ত্র জব্দ ও মাদকসহ গ্রেফতার-২ ৫০ তম বিসিএস পরীক্ষা উপলক্ষে আরএমপির গণবিজ্ঞপ্তি বাঘায় সিএনজি চাপায় নিহত-৪, পলাতক আসামি আলমগীর গ্রেফতার কুমিল্লায় ৩ বাসে আগুন ২য় ক্রু উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে হয়েছে দুটি পরিবহন বিমান রাণীনগরে আগাছা নাশক ছিটিয়ে জমির ধান পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ শাকিবের স্পর্শ কোনো অনৈতিক স্পর্শ ছিল না: জ্যোতির্ময়ী দোকানপাট, শপিংমল খোলা থাকবে ৭টা পর্যন্ত মেয়েকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা এরপর গর্ভপাত, বাবা গ্রেপ্তার কিশোরী বয়সে গর্ভধারণে যেসব ঝুঁকি রয়েছে রূপচর্চার প্রতিটি ধাপ মেনেও অনুজ্জ্বল ত্বক, জেনে নিন সমাধান নগরীতে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ৭

মেলিসা তাণ্ডবে তছনছ তিন দেশ

  • আপলোড সময় : ৩০-১০-২০২৫ ০২:৪২:২২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-১০-২০২৫ ০২:৪২:২২ অপরাহ্ন
মেলিসা তাণ্ডবে তছনছ তিন দেশ ছবি: সংগৃহীত
প্রলয়ঙ্করী হারিকেন মেলিসার তাণ্ডবে তছনছ হয়ে গেছে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ। প্রাণহানির পাশাপাশি বহু ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। অনেক অঞ্চলেই ডুবে গেছে পুরো পাড়া-মহল্লা; বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও টেলিফোন পরিষেবা। 

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) পৃথক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে এপি ও রয়টার্স। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এ ঘূর্ণিঝড়ে ৩০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শুধু হাইতিতেই মারা গেছেন ২৫ জন। হারিকেনটির তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে কিউবার উপকূলীয় অঞ্চল। অনেক এলাকা এখনও তলিয়ে আছে পানির নিচে। 

তবে, সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হয়েছে জ্যামাইকা। দেশটির সরকার জানিয়েছে, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনও ৭৭ শতাংশ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আছে দেশটিতে।

ইতোমধ্যে জরুরি সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল খোলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, জ্যামাইকায় ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে, যা আরও বড় মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়কে ক্যাটাগরি-৫ বলে চিহ্নিত করেছে জ্যামাইকা। ১৭৪ বছরে এত ভয়ংকর ঝড় আর দেখেনি দেশটির মানুষ। এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় হিসাবেও বর্ণনা করা হচ্ছে এটিকে।

জ্যামাইকার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রু হোলনেস বলছেন, মেলিসার মোকাবিলা করতে পারে এমন পরিকাঠামো নেই তার দেশে। তাই তিনি বাসিন্দাদের সাবধান থাকার অনুরোধ করেছিলেন।

জ্যামাইকায় মেলিসার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়। উদ্ধারকাজও পুরোদমে শুরু করা যায়নি। বহু মানুষ ঘরছাড়া। নিখোঁজ অনেকে। মেলিসা আঘাত হানার সময় প্রায় ২৫ হাজার পর্যটক এই দ্বীপদেশটিতে অবস্থান করছিলেন।

বিমান চলাচল স্বাভাবিক হলে বার্বাডোজের একটি ত্রাণ সরবরাহ শিবির থেকে জ্যামাইকায় প্রায় ২ হাজার ত্রাণ সরঞ্জাম বিমানে পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শুধু জ্যামাইকাই নয়; কিউবা এবং হাইতিসহ ক্ষতির মুখে পড়তে পারে এমন সব দেশেই সহায়তা পাঠানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত শক্তি অর্জন করেছে মেলিসা। তাদের মতে, সবশেষ এ হারিকেনটি কেবল জ্যামাইকাই নয়, গোটা ক্যারিবীয় অঞ্চলের জন্য এক ভয়ংকর মানবিক সংকটের ইঙ্গিত বহন করছে।

সরাসরি আঘাত না হানলেও টানা কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে হাইতিতে। দেশটির রাজধানী থেকে প্রায় ৬৪ কিলোমিরটার পশ্চিমে অবস্থিত উপকূলীয় শহর পেটিট-গোয়াভেতে একটি নদীর পানি উপচে পড়ে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কমপক্ষে ১০ শিশু রয়েছে। এ ছাড়া, অন্তত ১২ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে হাইতির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।

মেলিসার আঘাতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিউবাও। যদিও লক্ষাধিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে কিউবা সরকার। দেশটির রাষ্ট্রপতি মিগুয়েল ডিয়াজ-ক্যানেলের সভাপতিত্বে টেলিভিশনে প্রচারিত সিভিল ডিফেন্স সভায় ক্ষয়ক্ষতির কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমান দেওয়া হয়নি। তবে, ক্ষতিগ্রস্ত প্রদেশ, সান্তিয়াগো, গ্রানমা, হলগুইন, গুয়ান্তানামো এবং লাস টুনাস-এর কর্মকর্তারা ছাদ, বিদ্যুৎ লাইন, ফাইবার অপটিক টেলিযোগাযোগ তার, কাটা রাস্তা, বিচ্ছিন্ন সম্প্রদায় এবং কলা, কাসাভা এবং কফি বাগানের ক্ষতির কথা জানিয়েছেন। উদ্ধার তৎপরতা শুরু হলেও ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ট্রান্সফরমার এবং বিদ্যুতের লাইন ভেঙে পড়ার কারণে এখনও বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট এবং টেলিফোন পরিষেবা বন্ধ আছে বিভিন্ন অঞ্চলে।  

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ৭

নগরীতে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ৭