ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জরুরি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি, জেলা প্রশাসন, রাজশাহী বরেন্দ্র অঞ্চলকে ‘স্মার্ট কৃষি অঞ্চল’ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই চেয়ারম্যান তুহিন দীর্ঘ ১৯বছর পর যৌথ বাহিনীর জব্দ করার বেতার যন্ত্রপাতি ফেরত পেলেন সাবেক এমপি লালু নগরীতে ৫’জন মাদক কারবারি-সহ গ্রেফতার ১৮ রাজশাহী নগরীতে কিছুক্ষণ ভারী বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা ১৫৫ বছরে রাজশাহী এসোসিয়েশন: ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান রাবি শিক্ষার্থীদের রেল অবরোধ সারা দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ প্রেমে বিচ্ছেদের পর অভিনেতাকে জুতাপেটা করলেন অভিনেত্রী! ক্লাস শেষে ছাত্রকে নিজ কক্ষে নিয়ে যেতেন মাদরাসার শিক্ষক স্বামী প্রবাসে, প্রেমিকের সঙ্গে যে কাণ্ড ঘটালেন তরুণী! ফিফার সাহায্যে ফাইনালে মেসিরা! আবার বিতর্ক বাড়িয়ে দিলেন রোনাল্ডো বাঘায় শয়নকক্ষ থেকে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার বিশ্বকাপ জিতে গোলপোস্টের জাল কেটে নিয়েছেন স্পেনের ফুটবলারেরা! জামালপুরে প্রেমিকের বাড়িতে ২ নারীর অনশন রাস্তার জায়গা দখলের অভিযোগে আরডিএ চেয়ারম্যানের সরেজমিন পরিদর্শন নগরীর উপশহরে ট্যাপেন্টাডল সেবনের দায়ে যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড নাটোরের সিংড়ায় ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা প্রতিবন্ধী যুবতীকে ফুসলিয়ে ঘরে নিয়ে গেলেন ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ ফরিদপুরে গভীর রাতে ইমামের স্পর্শকাতর অঙ্গ কাটলেন স্ত্রী

নিবন্ধন ছাড়া এনসিপির পাশে বসলে বিএনপির অপমান হয়

  • আপলোড সময় : ২৯-০৫-২০২৫ ০১:২৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০৫-২০২৫ ০১:২৫:১৮ অপরাহ্ন
নিবন্ধন ছাড়া এনসিপির পাশে বসলে বিএনপির অপমান হয় নিবন্ধন ছাড়া এনসিপির পাশে বসলে বিএনপির অপমান হয়
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান বলেছেন, তিনি আরো বলেন, যাদের পিছনে একসময় ৭ লাখ মানুষ মিছিল করেছে, এখন তারা তিন দিন মাইকিং করলে ৭শ মানুষ আসে না, সেই এনসিপি সঙ্গে প্রথম মিটিং করেন ইউনূস সাহেব। আর সেই এনসিপির পেছনে যায় বিএনপি। আমি আমার নেতা তারেক রহমানকে-বিএনপিকে বলব, এনসিপি আগে রেজিস্ট্রেশন করে আসুক তারপর তাদের পাশে বসবে বিএনপি। তা নাহলে বিএনপির অপমান হয়।

বাংলাদেশের মানুষের অপমান হয়। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ৫ আগস্টের আগে আমরা মনে করছি এই ছাত্ররা বুঝি সবাই ফিডেল কাস্টো-চে গুয়েভেরা, আর এখন দেখা যায় তারা আঙুল ফুলে কলাগাছ, কলাগাছ ফুলে বটগাছ হয়েছে। যাদের বাড়িতে একটা ঘর নাই, দরজা নাই সেইসব ছেলেরা বিমানে চড়ে বাড়ি যায়।

এগুলো আমরা দেখি না, দেশের মানুষ দেখে না? 
তিনি বলেন, সমস্ত ছাত্ররা ইউএনও অফিসে গিয়ে, ডিসি অফিসে গিয়ে- বিভিন্ন অফিসে গিয়ে বসে থাকে। সচিবালয়ে গিয়ে বসে থাকে। ডিসিকে কিভাবে পরিবর্তন করা যায়। কাজ কিভাবে নেওয়া যায়, প্লট কিভাবে নেওয়া যায়।

এজন্য আমরা দেশকে সৃষ্টি করেছিলাম। আমার দেশের সমস্ত তারুণ্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
ফজলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে একটি চক্রান্তের মধ্যে ফেলে দিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। এদেশকে একটি চক্রান্তের মধ্যে ফেলে দিয়ে এদেশের সমস্ত মানুষের মানবাধিকারকে হত্যা করা হচ্ছে। 

তিনি আরো বলেন, রক্তের সাগরে দেশ হয়েছে, এটাকে নিয়ে এতো খেলাধুলা করা উচিৎ না।

এখনো মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে আছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় তারা বড় পাপি; তারা রাজাকার-আলবদর ও তাদের সন্তান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীর উপশহরে ট্যাপেন্টাডল সেবনের দায়ে যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড

নগরীর উপশহরে ট্যাপেন্টাডল সেবনের দায়ে যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড