ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ , ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সীমান্ত পারের পর সিবিপি'র হেফাজতে আটক শিশুর মৃত্যু, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পরিবারের মামলা রাণীশংকৈলে পিআইওকে মারধর মামলার প্রধান আসামি গণনঅধিকর পরিষদ নেতা মামুন গ্রেপ্তার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ হাম প্রতিরোধে মাঠে যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম রবি, সচেতনতা কার্যক্রমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি বিএমডিএ'র বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ ও রেহান আসাদ ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী ইয়াসমিনের হত্যাকারীকে ‘পশু’ বললেন ট্রাম্প চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় যুবকের কবজি বিচ্ছিন্ন: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি গ্রেফতার সলঙ্গায় যৌথ অভিযানে অবৈধ জ্বালানি জব্দ, দুইজনকে কারাদণ্ড পহেলা বৈশাখ উদযাপনে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা রাজশাহীতে বিজিবি অভিযানে বিপুল মাদক জব্দ, কারবারিরা পলাতক নগরীতে দুই মাদক কারবারী গ্রেফতার ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৪৫ বিলিয়ন ডলার হার্ট অ্যাটাকের আতঙ্ক বাড়ছে রোজ! যাপনে ৯টি পরিবর্তন আনা দরকার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ দেখে প্রেমে ভয় পান নোরা! পেন্টাগনে হেগসেথ ও ড্রিসকলের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব তীব্রতর নগরীতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের পূর্ণমিলনী শিশু অসুস্থ হলে যে দোয়া পড়বেন উখিয়া সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে উড়ে গেল যুবকের পা এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার মেলানিয়া ট্রাম্পের

পড়াশোনায় তুখোড় হবে, স্কুলে যেতেও উৎসাহ পাবে, সন্তানকে যে ৫টি কথা রোজ বলবেন?

  • আপলোড সময় : ২৫-০৫-২০২৫ ০৬:০৮:৩১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৫-২০২৫ ০৬:০৮:৩১ অপরাহ্ন
পড়াশোনায় তুখোড় হবে, স্কুলে যেতেও উৎসাহ পাবে, সন্তানকে যে ৫টি কথা রোজ বলবেন? ফাইল ফটো
স্কুল থেকে ফিরে পড়তে বসতে চায় না অনেক শিশুই। স্কুলে না যাওয়ার জন্যও নানা বাহানা বানায়। পড়াশোনার নাম শুনলেই যেন গায়ে জ্বর আসে। বকাবকি করে পড়তে বসিয়েও মনোযোগ দিতে পারে না। মন সবসময়েই মোবাইল বা খেলাধূলার দিকে থাকে। বেশির ভাগ বাড়িতেই বাবা-মাকে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এর কারণ কী, কখনও ভেবে দেখেছেন? সন্তানের মনঃসংযোগের অভাব, অতিরিক্ত জেদ অথবা পড়াশোনায় অমনোযোগী হওয়ার নেপথ্যে অভিভাবকরাই দায়ী নন তো?

পেরেন্টিং কনসালট্যান্ট পারমিতা মুখোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, বেশির ভাগ বাড়ির ছবিটাই এ রকম। এর জন্য বাবা-মায়েরাই দায়ী অনেক ক্ষেত্রেই। সন্তান স্কুল থেকে ফিরলে ক’জন বাবা বা মা জিজ্ঞাসা করেন, “আজ স্কুলের সময়টা কেমন কাটল?” সারা দিন সে কী কী করেছে, ক’জন সহপাঠীকে কাজে সাহায্য করেছে— এমন কথাও জানতে চান না বেশির ভাগই। সন্তানের কেন মনখারাপ বা তার দৈনন্দিন জীবনে কী হচ্ছে, তা জানার মধ্যে ফাঁক থেকে যায়। নানা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সন্তানের মানসিক উন্নতি, মায়ের সঙ্গে সম্পর্কের দৃঢ়তা নির্ভর করে সুন্দর সময় কাটানোর উপরে। তাই, রোজ সন্তানের সঙ্গে একান্ত সময় কাটানো ও তাকে কিছু কথা জিজ্ঞাসা করা খুবই জরুরি।

কী কী জানতে চাইবেন?
১) স্কুল থেকে ফেরার পরেই পরীক্ষার খাতা দেখতে চাইবেন না। সে কত নম্বর পেল তা-ও নয়। আগে জিজ্ঞাসা করুন, স্কুলের সময়টা সে কেমন ভাবে কাটালো, সারা দিনে কী কী কাজ করেছে। মা-বাবা এমন ভাবে জানতে চাইলে, সন্তানের স্কুলের প্রতি বা পড়াশোনার প্রতি ভীতি কমবে।

২) সারাদিনের কোন ঘটনা তাকে আনন্দ দিয়েছে— সেটিও জানতে চান। সহপাঠীর সঙ্গে খেলাধূলার মুহূর্ত, টিফিনের সময়ের হুল্লোড় অথবা ক্লাসে ঘটা কোনও ঘটনা যা তাকে আনন্দ দিয়েছে, সেটি ধৈর্য ধরে শুনুন। শিক্ষক বা শিক্ষিকা প্রশংসা করেছেন কি না, বা কী করলে সে এমন প্রশংসা পাবে, তা শিখিয়ে দিন।

৩) সন্তানের যদি মনখারাপ থাকে, তা হলে সে কারণ জানতে চান। প্রথম প্রথম হয়তো আড়ষ্ট থাকবে, সব কথা বলতে চাইবে না। তবে যদি বাবা বা মা এমন কথোপকথন চালিয়ে যান, তা হলে ভরসার জায়গা তৈরি হবে। জীবনে ব্যর্থতা ও অন্য প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কী করণীয়, তার পাঠ দেওয়া যেতে পারে এই সময়টাতেই। বহির্জগতের প্রতিযোগিতামূলক যাবতীয় ধাক্কার কথা সে যেন বাড়িতে বলতে পারে, তৈরি হবে সেই পরিসরও।

৪) সহমর্মিতার পাঠও দিতে হবে শিশুকে। প্রতিদিন কোন একটি ভাল কাজ করা শেখাতে হবে। স্কুলে সহপাঠী হোক অথবা তার বয়সি বা তার থেকে বড় কেউ হোক, কাকে কী ভাবে সাহায্য করতে পারে সে পাঠ দিতে হবে ছোট থেকেই। টিফিন ভাগ করে খাওয়া, নিজের জিনিসপত্রও অন্যের সঙ্গে ভাগ করা শেখাতে পারলে, সন্তানের মধ্যে স্বার্থপর মনোভাব তৈরিই হবে না।

৫) কোনও বই, খেলাধুলো, বিজ্ঞানের নানা দিক নিয়ে আলোচনার অভ্যেস গড়ে তোলা যেতে পারে। কোনও কঠিন উপায়ে নয়, রোজ কিছুটা সময় সন্তানের সঙ্গে কোনও আলোচনা, প্রশ্ন করা, একসঙ্গে কোনও কাজ করার মাধ্যমে সহজেই লালন করা যাবে এই দিকগুলি। ভাল সময় কাটানোর মাধ্যমে সন্তানের বৃদ্ধির তিনটি দিকের উপরে সরাসরি প্রভাব পড়ে— কগনিটিভ অর্থাৎ চিন্তাশক্তি বা বুদ্ধিমত্তা, লিঙ্গুইস্টিক অর্থাৎ ভাষাগত, সোশ্যাল অ্যান্ড ইমোশনাল অর্থাৎ সামাজিক ও মানসিক বৃদ্ধি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

নগরীতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত