ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ , ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লালমনিরহাটে স্বামী-স্ত্রীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, দুজনই গুরুতর আহত ঈশ্বরদীতে শ্রেণিকক্ষে বিষাক্ত গন্ধে ৫০–৬০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি মোহনপুর কৃষি কর্মকর্তার প্রচেষ্টায় কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য রাসিক প্রশাসকের উদ্যোগে রামেক ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব বেঞ্চ স্থাপন, স্বস্তি শিক্ষার্থীদের সীতাকুণ্ডে অবৈধভাবে সরকারি চাল মজুদ, ৫ লাখ ৭৮ হাজার কেজি চাল জব্দ তিন মহাদেশে আলাদা উদ্বোধন! মঞ্চ মাতাবেন কেটি পেরি থেকে বাংলাদেশি ডিজে ভারতে মন্দিরের দেয়াল ধসে ৬ ভক্ত নিহত ক্লাস চলাকালে ‘বিষাক্ত কেমিক্যালের গন্ধে’ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে নাটোরে ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম: প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত নাটোর জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬ কেজি ৮০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক নিয়ামতপুরে উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুরে কিশোরী গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার রামেক হাসপাতালে সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রয়ের অভিযোগ: ওটি বয় মীরের বিরুদ্ধে স্বামী সূরজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন মৌনী! ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ৩৯টি বিমান হারিয়েছে, জানালেন মার্কিন আইনপ্রণেতা প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ  একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজসহ ৯ প্রকল্প অনুমোদন পিরোজপুরে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু দুধ নয়, রাগি দুধ খেলে পাবেন বেশি উপকার!

ইসরায়েলের আটক ছেলের মরদেহ, কবর দেয়ার অপেক্ষায় ফিলিস্তিনি মা জামিলা

  • আপলোড সময় : ২০-০৯-২০২৫ ১১:১০:২৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৯-২০২৫ ১১:১০:২৯ অপরাহ্ন
ইসরায়েলের আটক ছেলের মরদেহ, কবর দেয়ার অপেক্ষায় ফিলিস্তিনি মা জামিলা ইসরায়েলের আটক ছেলের মরদেহ, কবর দেয়ার অপেক্ষায় ফিলিস্তিনি মা জামিলা
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলি সেনারা মাহমুদ সানাকরাকে গুলি করে নিয়ে যায়। সেই থেকে তার মা এখনো অপেক্ষায় আছেন ছেলের মরদেহ ফেরত পাওয়ার জন্য।

৬৭ বছর বয়সী জামিলা সানাকরার তিন ছেলে। সবাই এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। তার দুই সন্তানকে ইসরায়েল হত্যা করেছে, তা তিনি নিশ্চিত জানেন। তবে, তৃতীয় ও সবচেয়ে ছোট ছেলে মাহমুদকে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি, জন্মদিনের এক সপ্তাহ আগে, নিজ ঘরে গুলি করে হত্যা করে ইসরায়েলি কমান্ডোরা। এরপর সেনারা তাকে নিয়ে যায়, আর কখনো পরিবারকে ফিরিয়ে দেয়নি।

তিনি এখনো জানেন না ছেলে বেঁচে আছে, নাকি মৃত। অনিশ্চয়তা তার শোক আর মানসিক যন্ত্রণাকে আরও গভীর করেছে।

‘ফিলিস্তিনি মায়েরা তাদের সন্তানকে দুইবার বয়ে নিয়ে যায়—একবার গর্ভে, আরেকবার জানাজার মিছিলে,’ নিজের বাড়িতে বসে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন জামিলা।

প্যালেস্টাইনি ন্যাশনাল ক্যাম্পেইন ফর দ্য রিকভারি অব মার্টার্স’ বডিজ-এর তথ্য অনুযায়ী, মাহমুদ সম্ভবত সেই ২ হাজার ২২০ জনের একজন, যাদের মরদেহ দখলকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে নিয়ে ইসরায়েল সংরক্ষণ করে রেখেছে—ফ্রিজে বা নাম্বারকৃত কবরস্থানে।

জেরুজালেম লিগ্যাল এইড অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস সেন্টার (জেএলএসি) বলছে, ইসরায়েল এভাবে মরদেহ আটকে রাখাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রিয়জনকে শেষবার বিদায় জানানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে।

অসংখ্য ফিলিস্তিনি মায়ের মতোই জামিলাকেও বঞ্চিত করা হয়েছে—শেষ ছেলেকে কবর দেয়ার সুযোগ থেকে। তিনি কবরস্থানে একটি কবর বানিয়ে রেখেছেন এবং আশা করছেন হয়তো তার ছেলের মরদেহ ফিরে পাবেন এবং দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সক্ষম হবেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রামেক হাসপাতালে সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রয়ের অভিযোগ: ওটি বয় মীরের বিরুদ্ধে

রামেক হাসপাতালে সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রয়ের অভিযোগ: ওটি বয় মীরের বিরুদ্ধে