ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ , ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হযরত শাহ্ মখদুম রূপোশ (রহ.) দাতব্য চিকিৎসালয়ের উদ্বোধন কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চাইলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে - তথ্য ও সম্প্রচার সচিব পুঠিয়ায় ফের ভেকু মেশিন নিস্ক্রীয় তানোরে সরকারি খাস জায়গায় পাকা বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক সেলিম রেজা ​দুর্গাপুরে ড্রেজার মেশিন জব্দ ও ভাসমান ভেলা ধ্বংস মোহনপুরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল মোহনপুরে সিসিডিবি উদ্যোগে শীতার্ত জনগণের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ ​নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিনা প্রচারণায় রাতে শীতার্তদের মাঝে বিজিবির কম্বল বিতরণ নোয়াখালীতে জমির বিরোধে বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেপ্তার সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় নগরীর রাজপাড়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নগরীতে আ’লীগ নেতা ও রাবি সেকশন অফিসার পলাশ সহ গ্রেফতার ৩৪ নগরীতে ট্যাপেন্টাডল-সহ ৫ কারবারি গ্রেফতার রাজশাহীতে মাদক প্রতিরোধে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে গণভোট প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে বিভাগীয় মতবিনিময় সভা চাইলে পরে ঠিক, সিল দিন টিক, অধ্যাপক আলী রীয়াজ গুণগতমান বজায় রেখে দ্রুত রাজশাহী আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণ শেষের নির্দেশ নগরীতে পুলিশের অভিযানে আ’লীগ নেতা ও রাবি সেকশন অফিসার সহ গ্রেফতার ৩৪

পাটক্ষেতে প্রেমিক যুগলকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে বিচার

  • আপলোড সময় : ১৯-০৯-২০২৫ ০৪:২০:২৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০৯-২০২৫ ০৪:২০:২৭ অপরাহ্ন
পাটক্ষেতে প্রেমিক যুগলকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে বিচার পাটক্ষেতে প্রেমিক যুগলকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে বিচার
কিছু গল্প হাসির আড়ালে গভীর এক বিষাদের ছাপ রেখে যায়। কোন এক গ্রামে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি তেমনই এক গল্প, যা আমাদের সমাজের বাস্তবতাকে আয়নার মতো দেখিয়ে দিয়েছে।

গ্রামের শেষের সেই পাটক্ষেত, যা হয়তো কারও কাছে কেবলই সবুজ এক চাদর, আজ তা এক অসমাপ্ত ও নিষিদ্ধ প্রেমের করুণ মঞ্চ হয়ে রইল। লোকচক্ষুর আড়ালে একটুখানি সময় কাটাতে চেয়েছিলেন একজন যুবক এবং একজন বিবাহিতা নারী। কিন্তু গ্রামের উৎসুক চোখের পাহারা এড়ানো যায়নি। যা হওয়ার তাই হলো দুজনকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে ফেলা হলো, আর খবর গেল গ্রামের মোড়ল-মাতব্বরের কাছে। শুরু হলো বিচার।

খুব সহজেই আমরা তাদের দিকে আঙুল তুলতে পারি। বলতে পারি, ছিঃ! কী অধঃপতন! কিন্তু ঘটনার গভীরে তাকালে কিছু প্রশ্নও উঠে আসে।

মহিলাটির ভাষ্য, তার স্বামী শহরে চাকরি করেন, মাসের পর মাস দেখা হয় না। একাকীত্ব, অবহেলা আর শূন্যতা তাকে হয়তো এই ভুল পথে ঠেলে দিয়েছে। তার চোখেমুখে ভয় বা লজ্জার ছাপ না থাকাটা কি তার নির্লজ্জতা, নাকি এক দীর্ঘ অবহেলার শিকার হতে হতে সব অনুভূতি মরে যাওয়ার চিহ্ন?

অন্যদিকে, গ্রামের বেকার যুবকদের এই "সচেতনতা" কি শুধুই সামাজিক দায়িত্ববোধ, নাকি অন্যের ব্যক্তিগত জীবনে উঁকিঝুঁকি দেওয়ার এক বিকৃত আনন্দ? গাছের সাথে বেঁধে বিচার বসিয়ে কি সব সমস্যার সমাধান হয়? সম্মানহানি করে কি সম্মান ফেরানো যায়?

এই ঘটনাটি শুধু একজন নারী বা পুরুষের ব্যক্তিগত ভুলের গল্প নয়, এটি আমাদের সমাজের গভীর অসুখের প্রতিচ্ছবি। যেখানে সম্পর্কের মাঝে তৈরি হচ্ছে দূরত্ব, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাড়ছে মানসিক শূন্যতা, আর সমাজ সেই সুযোগে বিচারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে হয়তো সেই নারীর দুটি নিষ্পাপ শিশু, যারা হয়তো বুঝবেই না তাদের মায়ের এক মুহূর্তের ভুলের শাস্তি সমাজ কেন এমন নির্মমভাবে দিচ্ছে।

আসুন, অন্যের বিচার করার আগে নিজের সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হই। সঙ্গীকে সময় দিই, তার একাকীত্ব বোঝার চেষ্টা করি। মনে রাখবেন, একটি ভুল হয়তো একটি সাজানো সংসার, কিছু নিষ্পাপ ভবিষ্যৎ আর একজন মানুষের আজীবনের সম্মানকে চুরমার করে দিতে পারে।

সম্মান অমূল্য, একবার হারালে তা ফিরে পাওয়া বড় কঠিন।
(ফেসবুক থেকে পাওয়া)।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চাইলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে - তথ্য ও সম্প্রচার সচিব

কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চাইলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে - তথ্য ও সম্প্রচার সচিব