ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ , ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অতিরিক্ত কাজ করাই সঠিক পথ, সোনাক্ষী সিনহা মেয়ে সারায়াহ যেন জীবনকে পূর্ণভাবে উপভোগ করে, কিয়ারা আদবানি প্রেমের টানে মালয়েশিয়া থেকে কাপাসিয়ায় হাফিজা আইডা, বাঙালি বধূ সাজে বিয়ে ঘরে ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা, বাধা দেওয়ায় দাদিকে হত্যা সিলেটে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট, সিসিটিভির ভিডিও ভাইরাল স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ডিত করার অভিযোগে স্ত্রী আটক, জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ৫০ শয্যায় সেবা দিতে হিমশিম ১০০ শয্যায় উন্নীতের দাবি দুর্গাপুরে নিখোঁজ শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার জামায়াত নেতার বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে নগরীতে থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৭ চট্টগ্রামে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ফেনীতে ৬ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কোরবানির গুরুত্ব ও ফজিলত ! ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ কনস্টেবলকে অপহরণ গ্রেপ্তার ৫ ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী: পাবায় ৬৬৯ পরিবার অন্তর্ভুক্ত সিংড়ায় বাড়ির গেট ভেঙে ডাকাতি, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! রাণীনগরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ইউনিয়ন যুবদল নেতা উজ্জ্বল বহিস্কার নিয়ামতপুরে ১২০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রাণীনগরে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী গ্রেফতার

অসুস্থতায় যে দোয়া পড়লে সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়

  • আপলোড সময় : ১৭-০৯-২০২৫ ০২:৩৪:২৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৯-২০২৫ ০২:৩৪:২৮ অপরাহ্ন
অসুস্থতায় যে দোয়া পড়লে সব গুনাহ মাফ হয়ে যায় ছবি- সংগৃহীত
নবিজি (সা.) বলেছেন, অসুস্থ অবস্থায় কেউ যদি ৪০ বার দোয়া ইউনুস পড়ে, এরপর ওই অসুস্থতায়ই মারা যায়, তাহলে সে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে। অথবা আল্লাহ তাকে সুস্থতা দান করবেন এবং তার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।

সাদ ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একদিন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি কি আপনাদের বলে দেবো আল্লাহর ‘ইসমে আজম’ কী যার মাধ্যমে দোয়া করলে আল্লাহ তাআলা সাড়া দেন,  কিছু চাওয়া হলে তা দান করেন। সেটা হলো ওই দোয়া যা আল্লাহর নবি ইউনুস মাছের পেটের অন্ধকারে বসে পড়েছিলেন, 

لَّاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنۡتَ سُبۡحٰنَكَ اِنِّیۡ كُنۡتُ مِنَ الظّٰلِمِیۡنَ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ-জ্জালিমীন।

অর্থ: আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র, মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম জালিম।

এক সাহাবি বললেন, এটা কি হজরত ইউনুসের জন্য বিশেষায়িত নাকি সবার মুমিনের জন্য ব্যাপক? আল্লাহর রাসুল (সা.) বললেন, আপনি কি পড়েননি আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেছেন, ‘আমি তাকে উদ্ধার করেছিলাম আর এভাবেই আমি মুমিনদেরকে উদ্ধার করে থাকি’। (অর্থাৎ দোয়াটি সব মুমিনের জন্যই ব্যাপক)

তারপর আল্লাহর রাসুল (সা.) বললেন, যে মুসলমান তার অসুস্থতায় এই দোয়াটি ৪০ বার পাঠ করে, তারপর ওই অসুস্থতায়ই মারা যায়, তাকে শহীদের মর্যাদা দান করা হয়। আর যদি সে সুস্থ হয়, তাহলে তার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (মুসতাদরাকে হাকেম)

যেভাবে এল দোয়া ইউনুস
ইউনুস (আ.) আল্লাহ তাআলার একজন সম্মানিত নবি যাকে আল্লাহ তাআলা মুসেলের একটি জনপদ নায়নুয়ার অধিবাসীদের হেদায়াতের জন্যে প্রেরণ করেছিলেন। তিনি তাদেরকে এক আল্লাহর ওপর ঈমানের দাওয়াত দেন। উত্তম ও ভালো কাজের দাওয়াত দেন। 

কিন্তু দীর্ঘ দিন দাওয়াত দেওয়ার পরও ওই এলাকার মানুষ আল্লাহর ওপর ইমান আনেনি। এক পর্যায়ে ইউনুস (আ.) তাদের ওপর ক্রুদ্ধ হন এবং তাদেরকে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখিয়ে আল্লাহর নির্দেশ ছাড়াই ওই এলাকা ত্যাগ করেন।

আল্লাহর প্রেরিত নবি হিসেবে তার কর্তব্য ছিল আল্লাহর স্পষ্ট নির্দেশের অপেক্ষা করা। আল্লাহর নির্দেশ বা অনুমতি ছাড়া ওই এলাকা ত্যাগ করার কারণে আল্লাহ তাআলা তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন।

তিনি ওই এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পথে একটি নৌকায় ওঠেন। নৌকাটি মাঝ সমুদ্রে গিয়ে থেমে যায়। লোকেরা যে কোনোভাবে বুঝতে পারে বিশেষ কোনো ব্যক্তির কারণে এটা আটকে গেছে। তখন তারা লটারি করে এবং তাতে ইউনুসের (আ.) নাম ওঠে। ইউনুস (আ.) ওই নৌকা থেকে সমুদ্রে লাফিয়ে পড়েন এবং একটি বড় মাছ তাকে গিলে ফেলে।

আল্লাহর তাআলার ইচ্ছায় ও দয়ায় ওই মাছের পেটে তিনি জীবিত থাকেন এবং নিজের ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, ‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ-জ্জালিমীন’ অর্থাৎ আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র, মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম জালিম। তার এই দোয়া আল্লাহর কাছে কবুল হয় এবং আল্লাহ তাকে মাছের পেট থেকে মুক্তি দেন। 

কোরআনে তার দোয়া এবং তাকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনা বর্ণনা করে আল্লাহ তাআলা বলেন, স্মরণ করো যুন-নূনের (ইউনুস আ.) কথা, যখন সে রাগান্বিত অবস্থায় চলে গিয়েছিল এবং মনে করেছিল যে, আমি তার ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করব না। তারপর সে অন্ধকার থেকে ডেকে বলেছিল, ‘আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম জালিম’। আমি তখন তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম এবং দুশ্চিন্তা থেকে তাকে উদ্ধার করেছিলাম। আর এভাবেই আমি মুমিনদের উদ্ধার করে থাকি। (সুরা আম্বিয়া: ৮৭, ৮৮) 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মতিহারে পদ্মা পাড়ে অবৈধ  বাড়ি নির্মাণ, দ্রুত উচ্ছেদের দাবি

মতিহারে পদ্মা পাড়ে অবৈধ বাড়ি নির্মাণ, দ্রুত উচ্ছেদের দাবি