ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ , ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে বিরসা মুন্ডার ১২৬ তম মৃত্যু দিবস পালন আল্লামা হুছাম উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলীকে বাধাগ্রস্ত করার ঘটনায় হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ রাণীশংকৈলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় নিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অলেন শর্মা চার্জার ভ্যানের চাপায় শিশুর মৃত্যু রাজশাহীর দুর্গাপুরে ট্রলিচাপায় আ’হত শিশু রাকিবের মৃ’ত্যু ‘হিটওম্যান’ হয়ে চমকে দিলেন হুমা রাজশাহীতে পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আরএমপির মতবিনিময় সভা রাজশাহীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধশত বোতল ভারতীয় মদ জব্দ রাজশাহীতে বিপুল পরিমান অ্যালকোহল ও ইয়াবা-সহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার নগরীতে গাঁজা-ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট-সহ মাদক কারবারী গ্রেফতার -৬ অন্ধ্রপ্রদেশে ভাইজাগ স্টিল প্ল্যান্টে ১৬০০ ডিগ্রির ফুটন্ত লোহা ছিটকে ঝলসে মৃত্যু ৮ শ্রমিক সিরাজগঞ্জে আগুনে পুড়ল কোটি টাকার সম্পদ আয়ু বাড়িয়ে দিতে পারে কফি! কিন্তু জানতে হবে খাওয়ার নিয়ম প্রেমিকার জন্মদিনে ৪ লাখ টাকার উপহার, পরদিনই ব্রেকআপ! ভাত দিতে দেরি হওয়ায় শাবল দিয়ে মাকে হত্যা বিশ্বশান্তিতে অবদান রাখা শান্তিরক্ষীদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় কিনেছিলেন ফ্ল্যাট, পরে জানলেন ভবনই ৩২ তলার সাহায্য চাইতে প্রতিবেশী যুবকের কাছে ধর্ষণ-ব্লাকমেইলের শিকার প্রবাসীর স্ত্রী দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে মোসাদ্দেকের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ৫ উপায় মেনে চললেই ‘ব্রেন ফগ’-এর ঝুঁকি কমানো সম্ভব

তানোরে গো-খাদ্যর সংকট বিপাকে গৃহস্থ-খামারি

  • আপলোড সময় : ৩০-০৮-২০২৫ ০৬:৪২:৫৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৮-২০২৫ ০৬:৪২:৫৬ অপরাহ্ন
তানোরে গো-খাদ্যর সংকট বিপাকে গৃহস্থ-খামারি তানোরে গো-খাদ্যর সংকট বিপাকে গৃহস্থ-খামারি
রাজশাহীর তানোরে গবাদিপশু খাদ্যর (খড়) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। খড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা নির্ভর করছেন কচুরিপানার (দল) ওপর। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বর্তমান সময় খড়ের কেজি ও আঁটির দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ কৃষকের পক্ষে তা কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে গরুর জন্য সহজলভ্য খাবার হিসেবে কচুরিপানা (দল) কেটে ঘরে নিয়ে যাচ্ছেন তারা।

তানোরের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা মাঠ ও পুকুর-ডোবা থেকে কচুরিপানা (দল) সংগ্রহ করছেন। কেউ বাঁশ বা লাঠির সাহায্যে পানির ভেতর থেকে টেনে তুলছেন, আবার কেউ নৌকা ব্যবহার করছেন। কৃষকদের মতে, কচুরিপানা (দল) গরুর জন্য খুব একটা পুষ্টিকর খাবার নয়, তবে খড়ের চড়া দামের কারণে বিকল্প হিসেবে এটিই একমাত্র ভরসা।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল ও আয়ুব বলেন, “আগে খড়ই ছিল গরুর প্রধান খাবার।কিন্ত্ত এখন ১২ হাজার টাকা কাউন। এত দামে আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। তাই কচুরিপানাই (দল) ভরসা।”

কৃষকরা জানান, খড়ের সংকট অব্যাহত থাকলে গরু মোটাতাজাকরণ ও কৃষি কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা সরকারের কাছে খড়ের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং বিকল্প পশুখাদ্য সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এ বছর বন্যায় আউশ ধান, জমিতে রোপণ করা আমন ধানের চারা ও গো-খাদ্য ঘাস নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি, টি-আমণ ধান কিছুটা আধা পাকা অবস্থায় হারভেষ্টার মেশিন দিয়ে কাটা মাড়াই করায় গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দেয়। কিছু কিছু এলাকায় খড় পাওয়া গেলেও প্রান্তিক গবাদিপশু পালনকারীদের হাতের নাগালে নেই দাম। বাজারে বিক্রি করা গো-খাদ্যের দামও আকাশচুম্বী। যার ফলে প্রান্তিক গবাদিপশু পালনকারী গৃহস্থরা পড়েছেন চরম বিপাকে। গবাদিপশু (গরু) বাঁচিয়ে রাখতে তারা বাড়ির পাশের খাল, বিল ডোবায় জন্মানো কচুরিপানা দল তুলছেন। গো-খাদ্য হিসেবে কচুরিপানাই এখন তাদের শেষ ভরসা। কেউ কেউ নিজেদের বাড়ির কাছাকাছি কচুরিপানা না পেয়ে রিকশাভ্যান ভাড়া করে কেউবা পায়ে হেঁটেই দূর-দূরান্ত থেকে সংগ্রহ করছেন কচুরিপানা। অনেক খামারিও গো-খাদ্য সংকটের কারণে শ্রমিক দিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কচুরিপানা(দল)সংগ্রহ করছেন।

গ্রামীণ জনপদে কচুরিপানার এ ব্যবহার নতুন কিছু নয়, তবে এবার খড়ের অস্বাভাবিক দামের কারণে তা গরুর প্রধান খাবারে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তা(এএও) আকবর হোসেন বলেন, কচুরিপানা (দল) একধরনের বহুবর্ষজীবী ভাসমান উদ্ভিদ।  উদ্ভিদটি গো-খাদ্যের চাহিদা মেটানোসহ নানাবিধ কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে কৃষিতাত্ত্বিকভাবে বিবেচনা করলে এটি একটি আগাছা। কচুরিপানা খুব দ্রুত বংশবিস্তার করে। এজন্য নিচু ফসলি জমিতে বিশেষ করে ধানের জমিতে এই উদ্ভিদকে আগাছা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গো-খাদ্য হিসেবে কচুরিপানা  ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে এক দিকে যেমন নিচু ফসলি জমিতে কচুরিপানা নিয়ন্ত্রণে থাকবে অন্যদিকে গো-খাদ্যের চাহিদাও মিটবে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াজেদ আলী বলেন, শুধু কচুরিপানার ওপর নির্ভর করে গবাদিপশু লালন পালন করা অত্যন্ত কষ্টের। তবে এ মৌসুমে খাল-বিলে প্রচুর কচুরিপানা পাওয়া যাচ্ছে। এতে গবাদিপশু পালনকারীদের জন্য উপকার হয়েছে। তবে কচুরিপানা গরু বা মহিষকে খাওয়ানোর পূর্বে রোদে শুকিয়ে খড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানো ভালো।#

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আরএমপির মতবিনিময় সভা

রাজশাহীতে পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আরএমপির মতবিনিময় সভা