ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ , ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল পাচারকালে ভ্রাম্যমান আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা কর্মজীবনের শেষ যাত্রায় ঘোড়ার গাড়িতে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে ব্যতিক্রমী বিদায় ফুলবাড়ীর হিমাগারে আলু সংরক্ষণ জায়গা নেই, আলু নিয়ে বিপাকে কৃষক ফুলবাড়ীতে লক্ষণ দেখে হামের চিকিৎসা, নেই পরীক্ষার ব্যবস্থা সংসদ সদস্যদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি: অর্থমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খোলা নিয়ে ইরানের কঠোর অবস্থান, অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয় স্টাইল ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন মিম নামাজে নিয়মিত হওয়ার ৩ উপায় শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে নতুন বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর ট্রাম্পের ‘মানসিক ভারসাম্য’ নিয়ে প্রশ্ন মার্কিন রাজনীতিতে অরক্ষিত সেচ পাম্পে বোরখা পেঁচিয়ে নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু এক সাধারণ অভ্যাসই বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি নাটোরে বাসের চাপায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু একনেকে উত্থাপিত অধিকাংশ প্রকল্পই অপ্রয়োজনীয় ও রাজনৈতিক বিবেচনায় নেয়া: অর্থমন্ত্রী মহানগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫ নগরীতে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ভারত যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা রাশমিকা মান্দানার জন্মদিনে বিশেষ চমক রাণীনগরে মাদকের আসরে ভ্রাম্যমান আদালতের হানা, যুবকের কারাদন্ড

নদীতে মাসে গড়ে মিলছে ৪৩ মরদেহ, ৩০ শতাংশেরই পরিচয় শনাক্ত হচ্ছে না

  • আপলোড সময় : ২৭-০৮-২০২৫ ০২:২৫:০৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৮-২০২৫ ০২:২৫:০৬ অপরাহ্ন
নদীতে মাসে গড়ে মিলছে ৪৩ মরদেহ, ৩০ শতাংশেরই পরিচয় শনাক্ত হচ্ছে না প্রতিকী ছবি
চলতি বছর প্রতিমাসে গড়ে ৪৩টি করে মরদেহ পাওয়া গেছে নদীগুলোতে, যেই সংখ্যা আগের বছরে ছিল ৩৭। এসব মরদেহের ৩০ শতাংশের কোনো পরিচয়ই মেলেনি এখন পর্যন্ত। নৌ পুলিশের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এসব তথ্য। হিসেব বলছে, মৃত্যুর অনেক সময় পর মরদেহ পাওয়া আর জনবল-লজিস্টিক সংকটে অনেকটাই বেগ পেতে হয় এসব মরদেহ শনাক্ত করতে।

২৩ আগস্ট শনিবার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী কেরাণীগঞ্জের মীরেরবাগ এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় গলায় কালো রঙের কাপড় প্যাঁচানো এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি উদ্ধারের এক ঘণ্টা পরে একইস্থান থেকে ওড়না দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

একইদিন যুবকের হাতের সঙ্গে যুবতীর এক হাত বাঁধা অবস্থায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকেই উদ্ধার করা হয় দুজনের মরদেহ।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে ৪৪০টি মরদেহ পাওয়া যায় নদীতে। যার মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ২৯৯টি, আর পরিচয় মেলেনি ১৪১টির। অন্যদিকে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে মরদেহ পাওয়া গেছে ৩০১টি। এর মধ্যে ৯২টি শনাক্ত করা যায়নি।

ঢাকা অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি বছর প্রতিমাসে গড়ে ৪৩টি করে মরদেহ পাওয়া গেছে নদীগুলোতে। তবে এ সংখ্যা আগের বছর ছিল ৩৭। এসব মরদেহের ৩০ শতাংশের কোনো পরিচয়ই মেলেনি এখন পর্যন্ত। নদীতে যেসব মরদেহ পাওয়া যায় সেগুলো অনেকদিন আগের হওয়াতে গলে-পচে যায়। আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া যায় না। চেহারাও বিকৃত হয়ে যায়। তাই অনেক সময় শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।

নৌ পুলিশ সুপার আরও বলেন, নৌ পুলিশের জনবল আর লজিস্টিক সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই বেগ পেতে হয় তদারকি ও মরদেহ শনাক্তে।

এ নিয়ে অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলছেন, নদীতে মরদেহ ফেললে তা শনাক্ত করা কঠিন, তাই অপরাধীরা নদীকে মরদেহ গুম করার ডাম্পিং স্টেশন হিসেবে ব্যবহার করছে। বেশি লাশ উদ্ধার হয় এমন এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি এসব মরদেহ শনাক্তের কাজে সকল বাহিনীকে সমন্বিত করতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫

নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫