ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ , ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন নিয়ামতপুরে জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা রাজশাহীতে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব শুরু রাজপাড়ায় গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড ​ভূমিমন্ত্রী আগামীকাল দুই দিনের সফরে রাজশাহী আসবেন পীরগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবসে আলোচনা সভা স্বামী-সন্তানকে হত্যার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে রাজশাহীতে ছাত্রদলের স্মরণসভা বিধবা নারীকে পিটিয়ে হাত-বুকের হাড় ভেঙে দিলেন আ.লীগ নেতা নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে ৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিচ্ছেদের পরে অর্জুনের সঙ্গে নাম জড়াল মৌনীর, ক্ষোভপ্রকাশ ক্রিস্টলের জুলাই শহিদ দিবসে শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে রাসিক প্রশাসকের শ্রদ্ধা নিবেদন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু নীতিমালা লঙ্ঘন করে সেচ মটর স্থাপন জনগণের সেবক হিসেবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে: আইজিপি ‘অটোপাসের’ অপসংস্কৃতি থেকে দেশকে বের করে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্রাই নদীতে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, দুই দিন পর মিলল সন্ধান বর্ষার আগমনের সঙ্গে সঙ্গে নওগাঁ মান্দা উপজেলায় বেড়েছে ডিঙ্গি নৌকার চাহিদা হরমুজকে ইরানের ‘দখলমুক্ত’ করতে আমেরিকার জোড়া হানা মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে জুলাই আন্দোলন হচ্ছে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন: বিভাগীয় কমিশনার

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি

  • আপলোড সময় : ২৭-০৮-২০২৫ ০১:৪৫:২৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৮-২০২৫ ০১:৪৫:২৪ অপরাহ্ন
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি ছবি: সংগৃহীত
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (২৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৬ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
 
এদিন তত্ত্ববধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে কার্যকর সমাধান চায় আপিল বিভাগ যাতে এটা বার বার আর বিঘ্নিত না হয় রিভিউ শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ এ মন্তব্য করেন।
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনসহ আরও কয়েকটি আবেদনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রিভিউ করে।
 
এর আগে মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে শুনানি এদিন পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। ওইদিন শুনানির শুরুতে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে যেসব বিচারপতি রায় দেন, তারা সবাই পরে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
 
২১ আগস্ট দ্রুততম সময়ের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রিভিউয়ের শুনানি করতে আপিল বিভাগে সব রাজনৈতিক দলের পক্ষে আবেদন করা হয়। ওই সময় প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৬ সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ আবেদন করেন আইনজীবী শিশির মনির। এদিন এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।
 
২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা) বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেয়া হয়। পরে এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের অক্টোবরে একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
 
এর আগে রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ ৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি। বদিউল আলম মজুমদার ছাড়াও অন্য চার জন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। পাশাপাশি আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
 
এছাড়া নওগাঁর রাণীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন। পঞ্চম সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আরেকটি আবেদন করেন তিনি। দুই সংশোধনী নিয়ে পৃথক পাঁচটি রিভিউ আবেদন বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আপিল বিভাগের কার্যতালিকার ১৭ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।
 
প্রসঙ্গত: ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হয়। এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে দেয়া ওই রায়ে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের ত্রয়োদশ সংশোধনী সংবিধানসম্মত। এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেয়া হয়।
 
এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারী পক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশকিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। পরে ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। 
 
এদিকে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের ১৮ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ ৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। অন্যদিকে পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ১৬টি ধারার বৈধতা নিয়ে নওগাঁর রাণীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন গত বছরের অক্টোবরে একটি রিট করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে রুল হয়। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। রায়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান পুনর্বহাল এবং পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের আরও চারটি ধারা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জনগণের সেবক হিসেবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে: আইজিপি

জনগণের সেবক হিসেবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে: আইজিপি