ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬ , ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নগরীতে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী কাশিয়াডাঙ্গা থানায় গাঁজা সহ নারী মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বিপিজেএ রাজশাহী শাখার নব-নির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ রুয়েটে ক্লাইমেট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত জয়া : পর্তুগালকে খুব ভালোবাসি কিন্তু সারাক্ষণ আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল চিৎকার শুনতে হয় আমেরিকার বড় চমক: বি-২ বিমান থেকে এবার ‘স্টিথ’ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল উৎক্ষেপণ জার্মানির যে রেকর্ড স্পর্শ করল ব্রাজিল কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস চুরির অভিযোগে শিশুর মাথা ন্যাড়া করে নির্যাতন গফরগাঁওয়ে শিশুকে নিয়ে বিশ্রাম কক্ষে মসজিদের ইমাম দুই তরুণীর চুল কেটে দিল গ্রামবাসী ১৭১তম ঐতিহাসিক মহান সাঁওতাল দিবস বিদ্রোহ উপলক্ষে আলোচনা সভা নগরীর মতিহার ও পবায় নারীসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হিলিতে খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দায় ডুবে তিনজন নিখোঁজ গাছের পাতায় মিলল আধুনিক শহর তৈরির গোপন নকশা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা ‘রামমন্দির ট্রাস্টে কোনো মুসলিম থাকলে এতক্ষণে এনকাউন্টার করতো’

আল্লাহ্‌র চোখে দাউদ (আঃ)-এর প্রশংসনীয় গুণাবলী

  • আপলোড সময় : ১৩-০৮-২০২৫ ০২:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৮-২০২৫ ০২:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন
আল্লাহ্‌র চোখে দাউদ (আঃ)-এর প্রশংসনীয় গুণাবলী প্রতিকী ছবি
আল্লাহ তা'আলা হযরত দাউদ (আঃ)-কে বিশেষ কিছু গুণাবলীতে ভূষিত করেছিলেন যা তাঁর নিকট অত্যন্ত পছন্দের ছিল। ইসলামের বিভিন্ন বর্ণনা অনুযায়ী, দাউদ (আঃ) ছিলেন একাধারে একজন নবী, ন্যায়পরায়ণ শাসক এবং আল্লাহ্‌র একনিষ্ঠ উপাসক। তাঁর যে গুণগুলো আল্লাহ্‌র কাছে বিশেষভাবে প্রিয় ছিল, সেগুলো হলো:

১. আল্লাহ্‌র প্রতি প্রত্যাবর্তনশীলতা ও কৃতজ্ঞতা: দাউদ (আঃ) আল্লাহ্‌র দিকে প্রত্যাবর্তন করতেন, অর্থাৎ যেকোনো পরিস্থিতিতে তিনি আল্লাহ্‌র উপর নির্ভর করতেন এবং তাঁর কাছেই ফিরে যেতেন। পবিত্র কোরআনে তাঁকে 'আউয়াব' বা 'বারবার প্রত্যাবর্তনকারী' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আল্লাহ্‌র প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ একজন বান্দা ছিলেন।

২. ন্যায়বিচার ও প্রজ্ঞা: আল্লাহ তাঁকে রাজত্ব ও প্রজ্ঞা দান করেছিলেন। তিনি একজন আদর্শ ও ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যিনি পৃথিবীতে আল্লাহ্‌র কর্তৃত্বের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছেন। আল্লাহ তাঁকে সুবিচার করার এবং খেয়াল-খুশির অনুসরণ না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

৩. ইবাদতে একনিষ্ঠতা: হযরত দাউদ (আঃ) ইবাদতের প্রতি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। তাঁর নামাজ ও রোজা আল্লাহ্‌র কাছে সর্বাধিক পছন্দনীয় ছিল। তিনি রাতের একটি অংশ ইবাদতে কাটাতেন এবং একদিন পর পর রোজা রাখতেন, যা 'দাউদি রোজা' নামে পরিচিত।

৪. সুমধুর কণ্ঠ ও আল্লাহ্‌র প্রশংসা: আল্লাহ তাঁকে এক অপূর্ব কণ্ঠস্বর দান করেছিলেন। তিনি যখন যাবুর কিতাব তেলাওয়াত করতেন, তখন পাহাড় ও পাখিরাও তাঁর সাথে আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করত। তাঁর এই মোহনীয় সুরের প্রশংসা কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

৫. দৈহিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি: আল্লাহ দাউদ (আঃ)-কে আধ্যাত্মিক ও দৈহিক উভয় শক্তিতে বলীয়ান করেছিলেন। তিনি একজন শক্তিশালী ও সাহসী যোদ্ধা ছিলেন এবং শত্রুর মোকাবেলা করতে কখনো পশ্চাদপসরণ করতেন না।

৬. আল্লাহ্‌র ভালোবাসার জন্য দোয়া: দাউদ (আঃ) আল্লাহ্‌র ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত দোয়া করতেন। তাঁর একটি দোয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ) খুব পছন্দ করতেন।

এছাড়াও, তিনি নিজ হাতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বাদশাহ হওয়া সত্ত্বেও তিনি বর্ম তৈরি করে তা বিক্রি করে খেতেন। এই সমস্ত গুণাবলীর জন্য হযরত দাউদ (আঃ) আল্লাহ্‌র একজন প্রিয় ও নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দা ছিলেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নানা আয়োজনে রাজশাহীতে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালন

নানা আয়োজনে রাজশাহীতে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালন