ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬ , ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানি নিষ্কাশনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করে রাস্তা নির্মাণ পুঠিয়ায় মহাসড়কে গতিরোধ করে ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট রুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন বার্তা রাজধানীর বুকে ‘শিশুবাজার’, আট লক্ষ টাকায় শিশুপুত্র, অর্ধেক দামে কন্যা! ইতিহাসের এই দিনের স্মরণীয় অধ্যায় মা-দিদিমার পুরনো শাড়ি ছিঁড়ে গিয়েছে?৫ পন্থায় রঙিন করে তুলুন বাড়ির প্রতিটি কোণ বর্ষার সময়ে ভাল ফলন হয় হরেক সব্জির, বাগানে বা জানালায় সহজে ফলাতে পারেন ওজন কমুক স্বাস্থ্য বজায় রেখে আকাঙ্ক্ষা চামোলার ব্যক্তিগত গোপন তথ্য ফাঁস প্রেসিডেন্ট ট্রোলকে এবার হাসির অস্ত্রে পরিণত করলেন আলিয়া ভাট ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সেবার নামে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ নতুন পোশাকে পুলিশ ১১ বছর পর মিলল বিচার: রাণীশংকৈলে বাক্‌প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন বগুড়ায় ছাত্রীকে একান্তে দেখা করতে বলেন মাদরাসা শিক্ষক কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রীকে পাটক্ষেতে নিয়ে যান মতি মিয়া, অতঃপর... রাজশাহীর খাদ্য প্রশাসনে দুই বছরের প্রতীক্ষার অবসান বাগেরহাট স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে হাসপাতালে ১১ শিক্ষার্থী সন্তানদের জিম্মি করে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ কৃষক লীগ নেতার কুমিল্লায় প্রধান শিক্ষক রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে গিয়ে ধরা মাদকাসক্ত নাতির হামলায় দাদির মৃত্যু, আশঙ্কাজনক অবস্থায় দাদা

আল্লাহ্‌র চোখে দাউদ (আঃ)-এর প্রশংসনীয় গুণাবলী

  • আপলোড সময় : ১৩-০৮-২০২৫ ০২:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৮-২০২৫ ০২:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন
আল্লাহ্‌র চোখে দাউদ (আঃ)-এর প্রশংসনীয় গুণাবলী প্রতিকী ছবি
আল্লাহ তা'আলা হযরত দাউদ (আঃ)-কে বিশেষ কিছু গুণাবলীতে ভূষিত করেছিলেন যা তাঁর নিকট অত্যন্ত পছন্দের ছিল। ইসলামের বিভিন্ন বর্ণনা অনুযায়ী, দাউদ (আঃ) ছিলেন একাধারে একজন নবী, ন্যায়পরায়ণ শাসক এবং আল্লাহ্‌র একনিষ্ঠ উপাসক। তাঁর যে গুণগুলো আল্লাহ্‌র কাছে বিশেষভাবে প্রিয় ছিল, সেগুলো হলো:

১. আল্লাহ্‌র প্রতি প্রত্যাবর্তনশীলতা ও কৃতজ্ঞতা: দাউদ (আঃ) আল্লাহ্‌র দিকে প্রত্যাবর্তন করতেন, অর্থাৎ যেকোনো পরিস্থিতিতে তিনি আল্লাহ্‌র উপর নির্ভর করতেন এবং তাঁর কাছেই ফিরে যেতেন। পবিত্র কোরআনে তাঁকে 'আউয়াব' বা 'বারবার প্রত্যাবর্তনকারী' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আল্লাহ্‌র প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ একজন বান্দা ছিলেন।

২. ন্যায়বিচার ও প্রজ্ঞা: আল্লাহ তাঁকে রাজত্ব ও প্রজ্ঞা দান করেছিলেন। তিনি একজন আদর্শ ও ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যিনি পৃথিবীতে আল্লাহ্‌র কর্তৃত্বের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছেন। আল্লাহ তাঁকে সুবিচার করার এবং খেয়াল-খুশির অনুসরণ না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

৩. ইবাদতে একনিষ্ঠতা: হযরত দাউদ (আঃ) ইবাদতের প্রতি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। তাঁর নামাজ ও রোজা আল্লাহ্‌র কাছে সর্বাধিক পছন্দনীয় ছিল। তিনি রাতের একটি অংশ ইবাদতে কাটাতেন এবং একদিন পর পর রোজা রাখতেন, যা 'দাউদি রোজা' নামে পরিচিত।

৪. সুমধুর কণ্ঠ ও আল্লাহ্‌র প্রশংসা: আল্লাহ তাঁকে এক অপূর্ব কণ্ঠস্বর দান করেছিলেন। তিনি যখন যাবুর কিতাব তেলাওয়াত করতেন, তখন পাহাড় ও পাখিরাও তাঁর সাথে আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করত। তাঁর এই মোহনীয় সুরের প্রশংসা কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

৫. দৈহিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি: আল্লাহ দাউদ (আঃ)-কে আধ্যাত্মিক ও দৈহিক উভয় শক্তিতে বলীয়ান করেছিলেন। তিনি একজন শক্তিশালী ও সাহসী যোদ্ধা ছিলেন এবং শত্রুর মোকাবেলা করতে কখনো পশ্চাদপসরণ করতেন না।

৬. আল্লাহ্‌র ভালোবাসার জন্য দোয়া: দাউদ (আঃ) আল্লাহ্‌র ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত দোয়া করতেন। তাঁর একটি দোয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ) খুব পছন্দ করতেন।

এছাড়াও, তিনি নিজ হাতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বাদশাহ হওয়া সত্ত্বেও তিনি বর্ম তৈরি করে তা বিক্রি করে খেতেন। এই সমস্ত গুণাবলীর জন্য হযরত দাউদ (আঃ) আল্লাহ্‌র একজন প্রিয় ও নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দা ছিলেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক

রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক