ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ , ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ সদস্যদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি: অর্থমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খোলা নিয়ে ইরানের কঠোর অবস্থান, অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয় স্টাইল ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন মিম নামাজে নিয়মিত হওয়ার ৩ উপায় শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে নতুন বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর ট্রাম্পের ‘মানসিক ভারসাম্য’ নিয়ে প্রশ্ন মার্কিন রাজনীতিতে অরক্ষিত সেচ পাম্পে বোরখা পেঁচিয়ে নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু এক সাধারণ অভ্যাসই বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি নাটোরে বাসের চাপায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু একনেকে উত্থাপিত অধিকাংশ প্রকল্পই অপ্রয়োজনীয় ও রাজনৈতিক বিবেচনায় নেয়া: অর্থমন্ত্রী মহানগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫ নগরীতে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ভারত যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা রাশমিকা মান্দানার জন্মদিনে বিশেষ চমক রাণীনগরে মাদকের আসরে ভ্রাম্যমান আদালতের হানা, যুবকের কারাদন্ড গরমের মরসুমে সব্জি টবেই ফলাতে পারেন মাটি কাটায় প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতার ওপর হামলা, থানায় মামলা কলকাতায় পা রাখলেন সানি লিওনি! মদ্যপান করলেও শরীরের ক্ষতি হবে না! টিপস দিলেন খোদ চিকিৎসক

জান্নাত আল্লাহ তাআলার দয়ার দান

  • আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৫ ০৪:০৫:০৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৫ ০৪:০৫:০৩ অপরাহ্ন
জান্নাত আল্লাহ তাআলার দয়ার দান ছবি: সংগৃহীত
 
আল্লাহ রাহমানুর রাহিম; পরম করুণাময়, দয়ার আধার। বান্দার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও ইহসানের কোনো সীমা নেই। দুনিয়াতে মানুষ পাপাচারে লিপ্ত হয়, চরম সীমালঙঘন করে, এরপরও আল্লাহ ছাড় দেন, তওবার জন্য সময় দেন। আল্লাহর দয়া না হলে দুনিয়ার বেশিরভাগ মানুষই অবাধ্যতার অপরাধে ধ্বংস হয়ে যেতো।
 
বান্দা গুনাহ করলে আল্লাহ অনেক সময় ক্ষমা করে দেন, অনেক সময় দুনিয়া বা আখেরাতের শাস্তির ফয়সালা করেন। গুনাহের শাস্তি হয় গুনাহের সমপরিমাণ। আল্লাহ জুলুম করেন না। আর যদি বান্দা আল্লাহর আনুগত্য করে, নেক কাজ করে, তাহলে আল্লাহ বহুগুণ বেশি সওয়াব দান করেন।
 
আল্লাহ তাআলা বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ অণু পরিমাণও জুলুম করেন না। আর যদি সেটি ভাল কাজ হয়, তিনি তাকে দ্বিগুণ করে দেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে বিপুল প্রতিদান প্রদান করেন। (সুরা নিসা: ৪০)
 
এ আয়াতে বিপুল পরিমাণ সওয়াবের কথা বলা হয়েছে, সওয়াবর বৃদ্ধির কোনো পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। অন্য দুটি আয়াত ও হাদিস থেকে বোঝা যায় মুমিনের নেক কাজের সওয়াব কমপক্ষে দশগুণ বাড়ে, আর আল্লাহর ইচ্ছায় তা সাত শত গুণেরও বেশি বাড়তে পারে।
 
আল্লাহ তাআলা বলেন, যে সৎকাজ নিয়ে এসেছে, তার জন্য হবে তার দশ গুণ। আর যে অসৎকাজ নিয়ে এসেছে, তাকে অনুরূপই প্রতিদান দেয়া হবে এবং তাদের ওপর জুলুম করা হবে না। (সুরা আনআম: ১৬০)
 
আরেক আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মত, যা উৎপন্ন করল সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে রয়েছে একশত দানা। আর আল্লাহ যাকে চান তার জন্য বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। (সুরা বাকারা: ২৬১)
 
আখেরাতে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে জান্নাত দান করবেন তার দয়া ও অনুগ্রহে। আল্লাহ তাআলা যদি দয়া না করেন, অনুগ্রহ না করেন, শুধু নেক আমলের সমপরিমাণ প্রতিদান দিতে চান, তাহলে কেউ শুধু নিজের নেক আমল দিয়ে জান্নাতের মত বড় পুরস্কার লাভ করার উপযুক্ত হতে পারবে না। নেক আমল আল্লাহ তাআলার অপরিসীম ক্ষমা ও অনুগ্রহ লাভ করার উসিলা মাত্র।
 
আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আপনাদের কারো আমল তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারবে না। সহাবিগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আপনিও নন? তিনি বললেন, আমিও নই, যদি আল্লাহ তাআলা আমাকে তার অনুগ্রহ ও করুণা দিয়ে আমাকে ঢেকে না নেন। (সহিহ মুসলিম: ৬৮৫৫)
 
অর্থাৎ আল্লাহ তাআলার শ্রেষ্ঠ বান্দা ও রাসুল হয়েও এবং আল্লাহর ইবাদতে দিনরাত নিমগ্ন থাকার পরও আল্লাহ রাসুল (সা.) আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভ করতে আল্লাহ তাআলার অপার অনুগ্রহের ওপর ভরসা করতেন, শুধু নিজের নেক আমলের জোরে জান্নাত পাবেন এই ধারণা করতেন না।
 
তাই আমাদের মতো গুনাহগার ও অধম বান্দাদের তো কোনোভাবেই এই ধারণা থাকা উচিত নয় যে শুধু নেক আমল করে আমরা জান্নাতের উপযুক্ত হতে পারবো। বরং সব সময় আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহ চাইতে থাকা উচিত।
 
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা তার ক্ষমা ও দয়া চেয়ে এভাবে দোয়া করতে শিখিয়েছেন,
 
رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِیۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا رَبَّنَا وَ لَا تَحۡمِلۡ عَلَیۡنَاۤ اِصۡرًا کَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِهٖ وَ اعۡفُ عَنَّا وَ اغۡفِرۡ لَنَا وَ ارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوۡلٰىنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَی الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِیۡنَ
 
উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুআখিজনা ইন নাসীনা আও আখত্বা’না রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইসরাং কামা হামালতাহু আলাল্লাজীনা মিং কাবলিনা রাব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মালা ত্বাকাতালানা বিহ ওয়া’ফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা আংতা মাওলানা ফাংসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরিন।
 
অর্থ: হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব! আমাদের ওপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব! আমাদের এমন ভার দেবেন না যা বহন করার সাধ্য আমাদের নেই। আপনি আমাদের মার্জনা করুন, আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের ওপর দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক, কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। (সুরা বাকারা: ২৮৬)

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫

নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫