ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাম পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রামেক হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক পাঁচ শতাব্দীর বটবৃক্ষের ছায়ায় এগ্রোইকোলজি নেতৃত্বের সম্মাননা পাঁচ শতাব্দীর বটবৃক্ষের ছায়ায় এগ্রোইকোলজি নেতৃত্বের সম্মাননা কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় রাণীশংকৈলে আনন্দ মিছিল ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু রাজশাহীতে বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযানে ভারতীয় মদ, ট্যাপেনটাডল ও ইয়াবা জব্দ তানোরে ৫০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদককারবারি গ্রেফতার মান্দায় ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা ‘দেবী সুলতানা’ মঞ্চস্থ নানার বাড়ি থেকে ফেরার পর নিখোঁজ, খালে মিলল যুবকের লাশ তানোরে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে(ডিসি)শহিদুল ইসলাম রাণীনগরে তিন ব্যবসায়ীকে মারধর করে ছিনতাই নিয়ামতপুরে ২০০ লিটার চোলাই মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নিয়ামতপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ডাসকো'র ৬০০ গাছের চারা বিতরণ স্বর্ণের পুতুলের প্রলোভন, শেষে শ্বাসরোধে হত্যা; গ্রেফতার তান্ত্রিক শামসুল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় সব দলের জন্য সমান সুযোগ চায় বিএনপি: মির্জা ফখরুল তানোরে হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভা উত্তরাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন আলোচনায় ঠাকুরগাঁওয়ের কামাল আনোয়ার,কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি পদে মনোনীত তানোরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যান তহবিলের অর্থ বিতরণ রাজশাহীতে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ, ‘গুপ্তলীগ’ আখ্যা রাজশাহীতে আমিরপুর খেয়াঘাটের ইজারা স্থায়ী বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

সড়ক না থাকায় ৯ কোটি টাকার ৪ সেতু অকেজো

  • আপলোড সময় : ১৭-০৫-২০২৫ ০২:৩০:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৫ ০২:৩০:৫৯ অপরাহ্ন
সড়ক না থাকায় ৯ কোটি টাকার ৪ সেতু অকেজো সড়ক না থাকায় ৯ কোটি টাকার ৪ সেতু অকেজো
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে চলাচলে ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন এলাকার লোকজন। এর পরিপ্রেক্ষিতে চারটি স্থানে সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২১ সালে। চারটিরই নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু দু’পাশে সড়ক না থাকায় সেগুলো কাজে আসছে না। এতে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারটি সেতু অকেজো পড়ে আছে। মানুষের চলাচলে ভোগান্তিও বেড়েছে।
একটি প্রকল্পের ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ায় এবং সড়ক নির্মাণে আলাদা বরাদ্দ না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এতে ভোগান্তির শিকার কুশাহাটা গ্রামের আব্দুস সামাদের ভাষ্য, “আমরা একটি সেতু নির্মাণের জন্য বিভিন্ন মহলে ধরনা দিয়েছি দীর্ঘদিন। সেতু নির্মাণ করা হলেও দু’পাশে সড়ক না থাকায় এগুলো কাজে আসছে না। সেতু নির্মাণ করা হলেও আমাদের কোনো উপকার হলো না।”
উপজেলার হাটফুলবাড়ি ইউনিয়নের হসপিতলা-কুশাহাটা এলাকায় একটি সেতুর অভাবে এলাকার মানুষ দুর্ভোগের শিকার দীর্ঘদিন ধরে। 
বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। এ কারণে স্থানীয় লোকজনের আবেদনে ৬ কোটি ৫১ লাখ 
১৬ হাজার টাকা ব্যয় ধরে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয় ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল। কাজ চলমান অবস্থায় নির্মাণসামগ্রীর 
ব্যয় বেড়ে গেলে আরও প্রায় ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজটি প্রায় এক বছর আগে শেষ হলেও দু’পাশে সড়ক না থাকায় মানুষ চলাচল করতে পারছেন না।
স্থানীয় হাটফুলবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারেক মোহাম্মদ বলেন, সেতু মানুষের উপকারে আসতে হলে দু’পাশে সড়ক থাকা জরুরি। সেটি না থাকায় বিপুল টাকা অপচয়ের শামিল হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফিরোজ কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি রাজিব আহসানের ভাষ্য, ‘আমাদের কাজ ছিল সেতু নির্মাণ করা। সড়কের জন্য বরাদ্দ ছিল না বলে আমরা নির্মাণ করিনি। এতে এলাকার মানুষ সুফল পাচ্ছে না।’
দু’পাশে সড়ক নির্মাণের জন্য নতুন প্রকল্প হাতে নিতে হবে বলে জানান উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকার। তিনি বলেন, সড়ক ছাড়া সেতুটি মানুষ ব্যবহার করতে পারবেন না।
পৌর এলাকার দেলুয়াবাড়ী-কৈয়রপাড়া এলাকায় সড়ক না থাকায় সেখানে নতুন নির্মাণ করা তিনটি ছোট আকারের সেতুও কাজে আসছে না। জানা গেছে, দেলুয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কৈয়রপাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কটি পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের কাজ ফেলে রেখেই ঠিকাদার ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পালিয়ে যান। এতে সড়কের কাজ বন্ধ হয়ে আছে। ফলে দেলুয়াবাড়ী, কৈয়রপাড়া, নবাদরী, দিঘলকান্দি, আন্দরবাড়ি, ধাপ কুঠিবাড়ীসহ কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে তিনটি সেতু (কালভার্ট) ও দু’পাশে মাটির সড়কের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ৮০০ মিটার দৈর্ঘ্যের সড়কের কাজ ২০২৩ সালে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে ৩০ শতাংশ। এর মধ্যে সেতুগুলোর কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে।
আন্দরবাড়ি গ্রামের খোকন প্রামাণিক ও কৈয়রপাড়ার ময়েজ উদ্দিন বলছিলেন, সড়ক নির্মাণ না করে কালভার্টগুলো করায় কোনোটিই কাজে আসছে না। আগের চেয়ে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বন্যার সময় চলাচল করা যায় না। কৃষিজমিতে যেতে পারেন না। ফসল বাড়িতে আনতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ সড়ক দিয়ে বিভিন্ন গ্রামের শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ যাতায়াত করে। এখন সবাই কষ্ট পাচ্ছে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মেসার্স শান্ত ইসলাম গ্রুপ কাজটি পেয়েছিল। এ ব্যাপারে কথা বলতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ফয়েজ উদ্দিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জহিরুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদার লাপাত্তা হওয়ায় 
মাঝপথে কাজ বন্ধ হয়ে আছে। প্রকল্পটির গুরুত্ব বিবেচনা করে ফের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সড়ক নির্মাণ করতে দরপত্র আহ্বান করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

গোদাগাড়ীতে হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার