ঢাকা , রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ , ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহী বিভাগের ৬ জেলায় অচল ৬০ আইসিইউ শয্যা, রামেকে জনবল সংকটে বাড়ছে মৃত্যু ঝুঁকি রাণীশংকৈলে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের হিন্দু ভক্তদের মিলন মেলা রাণীনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে মাদক সেবির কারাদন্ড রাণীনগর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার - ৪ বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: ধানের শীষে ভোট চাইলেন হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক রাজশাহীকে শুভেচ্ছা সাংবাদিক লাঞ্চিতের ঘটনায় আরইউজের নিন্দা-প্রতিবাদ চারঘাটে ককটেল, দেশীয় অস্ত্র জব্দ ও মাদকসহ গ্রেফতার-২ ৫০ তম বিসিএস পরীক্ষা উপলক্ষে আরএমপির গণবিজ্ঞপ্তি বাঘায় সিএনজি চাপায় নিহত-৪, পলাতক আসামি আলমগীর গ্রেফতার কুমিল্লায় ৩ বাসে আগুন ২য় ক্রু উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে হয়েছে দুটি পরিবহন বিমান রাণীনগরে আগাছা নাশক ছিটিয়ে জমির ধান পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ শাকিবের স্পর্শ কোনো অনৈতিক স্পর্শ ছিল না: জ্যোতির্ময়ী দোকানপাট, শপিংমল খোলা থাকবে ৭টা পর্যন্ত মেয়েকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা এরপর গর্ভপাত, বাবা গ্রেপ্তার কিশোরী বয়সে গর্ভধারণে যেসব ঝুঁকি রয়েছে রূপচর্চার প্রতিটি ধাপ মেনেও অনুজ্জ্বল ত্বক, জেনে নিন সমাধান নগরীতে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ৭ লালপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে শ্রমিকদের ফটক সভা

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাতিজি ২০ শিশুর প্রাণ বাঁচানো সেই শিক্ষিকা মাহরিন!

  • আপলোড সময় : ২২-০৭-২০২৫ ০৩:৪৭:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০৭-২০২৫ ০৩:৪৭:৩০ অপরাহ্ন
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাতিজি ২০ শিশুর প্রাণ বাঁচানো সেই শিক্ষিকা মাহরিন! ছবি: সংগৃহীত
উত্তরার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আলোচনায় মাইলস্টোন স্কুলটির শিক্ষিকা মাহরিন চৌধুরী। যিনি একাই প্রাণ বাঁচিয়েছেন ২০ জন কোমলমতি শিশুর। অবুঝ এসব শিশুদের প্রাণ বাঁচাতে গিয়েই বিসর্জন দিয়েছেন নিজের জীবন। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে দেখা যাচ্ছে শোকাবহ চিত্র। এবার সামনে এসেছে সাহসী এই নারীর পরিচয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমানের আদরের ভাতিজি তিনি। প্রয়াত জিয়াউর রহমানের মামাতো ভাই এম আর চৌধুরীর কন্যা এই মাহরিন চৌধুরী। 

নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী পাড়ার মেয়ে মাহরিন চৌধুরী ছিলেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষিকা। শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবস বিসর্জন দেওয়া এই নারী কখনোই তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করতেন না। অথচ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময় যখন অনেক নেতা গ্রেপ্তার এড়াতে দূরে থাকতেন, তখন মাহরিন চৌধুরী সাহসিকতার সঙ্গে খাবার নিয়ে হাজির হতেন হাসপাতাল কিংবা কারাগারে। জিয়া পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ থাকলেও কেউ ক্ষুনাক্ষরেও জানেনি তার সত্যিকারের পরিচয়। 

মাহরিন চৌধুরী একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষিকা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন বিশ্বজুড়ে। স্বজনদের ভাষ্যে, মাহরিন প্রচারবিমুখ মানুষ ছিলেন। কোনো মিডিয়া কাভারেজ বা বাহবায় কোন রকমের আগ্রহ ছিল না তার। তিনি কাজ করতেন নিঃশব্দে, নিঃস্বার্থভাবে, মানুষের জন্য। 

সোমবার (২১ জুলাই) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানটি বিধ্বস্ত হলে ভবনের ভিতরে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে এগিয়ে যান মাহরিন চৌধুরী। ২০ জন শিক্ষার্থীকে নিরাপদে বের করতে সক্ষম হলেও নিজে আর বের হতে পারেননি। ঘটনাস্থলেই তার শরীরের একটি অংশ দগ্ধ হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে দশটায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে তার আসল পরিচয় বের হয়ে আসার পর থেকেই হচ্ছে নানা আলোচনা। কেউ বলছেন আপোষহীন নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাতিজি বলে কথা। জিয়া যেমন সাধারণ মানুষের জন্য ভাবেনি নিজের কথা, দিয়ে গেছেন আপন প্রাণ। তেমনি তার ভাতিজিও নিজের প্রাণ দিয়ে গেলেন কোমলমতি শিশুদের বাঁচাতে গিয়ে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ৭

নগরীতে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ৭