ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ , ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এই প্রথম দেশের অর্থনীতির আকার ছাড়াল ৫০০ বিলিয়ন ডলার নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে ফাঁস নিলেন রাবি শিক্ষার্থী রাণীশংকৈলে গ্রাম আদালত বিষয়ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ‘বলিউডের কেউ আমাকে মেসেজ করে না!’ নতুন ছবির প্রচারে ইন্ডাস্ট্রির একাংশকে বিঁধলেন কঙ্গনা ঢুকতে দেয়নি আমেরিকা, দেশে ফিরতেই বীরের সম্মান পেলেন ‘আফ্রিকার সেরা রেফারি’ ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে কাল, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছে যেসব চমক আসরের পর কাজা নামাজ পড়া যাবে কি? ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা হাম উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু ‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’, অনেক দিন বড়পর্দা থেকে দূরে এনা রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় যুবকের মৃত্যু ২৮ ঘন্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, যুবক গ্রেফতার নিয়ামতপুরে ২০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে পুলিশের রাতভর অভিযান: ১,৪১৫ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারী আটক নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭ ফেনীতে হত্যা মামলার পলাতক আসামি বিল্লাল গ্রেফতার

বর্ষায় বয়স্কদের কিছু নিয়ম না মানলে সংক্রমণের ভয়ও থাকে, রইল কিছু পরামর্শ

  • আপলোড সময় : ২২-০৭-২০২৫ ০৩:৩৩:২০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০৭-২০২৫ ০৩:৩৩:২০ অপরাহ্ন
বর্ষায় বয়স্কদের কিছু নিয়ম না মানলে সংক্রমণের ভয়ও থাকে, রইল কিছু পরামর্শ ফাইল ফটো
বর্ষার মরসুম মানেই বিভিন্ন সংক্রামক অসুখবিসুখ মাথাচাড়া দেবে। আজ ভাইরাল জ্বর, তো কাল অ্যালার্জি-জনিত নানা অসুখ। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক আর দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা যাঁদের, তাঁদের সমস্যাই বেশি। দিন কয়েক ওষুধ খেয়ে জ্বর কমলেও সপ্তাহখানেক ধরে হাত-পায়ের যন্ত্রণা, চোখের ভিতরে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয় অনেকের। বাড়ির বয়স্কেরা এই সময়ে সবচেয়ে বেশি অসুস্থ হন। বৃষ্টির দিনে বাতের ব্যথা আরও টনটনিয়ে ওঠে, যখন-তখন হানা দেয় ‘স্টমাক ফ্লু।’ তার উপর ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ তো রয়েছেই। দূষিত জল ও খাবার থেকেও বিভিন্ন রোগ হয়, তাই এই সময়ে বাড়ির প্রবীণ সদস্যদের অনেক বেশি সাবধানে রাখা জরুরি।

বয়স্কদের যে সমস্যাগুলি বেশি হয়

ভাইরাল জ্বর ও পেটের রোগ এই সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা। এর কারণ হল ব্যাক্টেরিয়ার প্রকোপ। ই-কোলাই ব্যাক্টেরিয়া, টাইফয়েড, ক্লসটিডিয়াম, সিরেলা, সালমোনেলার মতো ব্যাক্টেরিয়াদের উপদ্রব বাড়ে। এমনটাই জানালেন সংক্রামক রোগ বিষয়ক চিকিৎসক অংশুমান তালুকদার। তাই বাইরের খাবার, জল এই সময়ে না খাওয়াই ভাল।কোথাও যদি ঘুরতে যান, তা হলে সঙ্গে করে বয়স্ক ও শিশুদের জন্য আলাদা করে খাবার, ফোটানো জল নিয়ে যাবেন।

ইনফ্লুয়েঞ্জার পাশাপাশি অ্যাডিনোভাইরাস, রেসপিরেটারি সিনসেশিয়াল ভাইরাস (আরএসভি)-এর দাপট বাড়ছে। যে কারণেই ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশি হচ্ছে। জ্বর ১০০-র আশপাশেই ঘোরাফেরা করছে। কারও ঘুরেফিরে জ্বর আসছে। অ্যালার্জির সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। জ্বরের সঙ্গে পেটের গোলমালও হচ্ছে অনেকের। জ্বর যদি তিন দিনের বেশি থাকে, তা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথার মতো লক্ষণ থাকলে কিছু রক্তপরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভাল।

বাতের ব্য়থাও খুব ভোগায় এই সময়ে। যদি আর্থ্রাইটিস থাকে, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শেই থাকতে হবে। আর যদি হাঁটু বা কোমরের ব্যথা ভোগায়, তা হলে হালকা হাঁটাহাঁটি, যোগাসন, কয়েক রকম স্ট্রেচিং করা যেতে পারে।

সর্দিকাশির অ্যাডিনোভাইরাস, রাইনো ভাইরাস কিন্তু করোনার চেয়েও বেশি ছোঁয়াচে, এমনই বলছেন চিকিৎসক। গুরুতর ভাবে অ্যাডিনোভাইরাসে আক্রান্ত হলে গলা ও ঘাড়ের চারদিকের গ্ল্যান্ড ফুলে যেতে পারে। সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হবে।রাইনোভাইরাস নাক দিয়ে ঢোকে। এর সংক্রমণ হলে গলা ব্যথা, ঢোক গিলতে না পারা, শুকনো কাশি ভোগাতে পারে। এই অবস্থায় নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে, চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হবে।

সাবধানে থাকার কিছু উপায়

১) সর্দিকাশি হলে মুখে মাস্ক পরে তবেই বাইরে যান।

২) বয়স্কদের এই সময়ে ফোটানো জলই খাওয়াতে পারেন। রাস্তায় বিক্রি হওয়া শরবত, লস্যি বা নরম পানীয় বয়স্কদের দেবেন না।

৩) খাওয়ার আগে অবশ্যই ভাল করে হাত ধুতে হবে। প্রতি বার শৌচাগারে যাওয়ার পর হাত স্যানিটাইজ় করতে হবে। ভিজে জামাকাপড় পরে বেশি ক্ষণ থাকবেন না। বাড়ির প্রবীণ সদস্য যে ঘরে থাকেন, সেই ঘরটি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

৩) ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব থাকলেও এ সময়ে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি। ফলে খাবার বেশি ক্ষণ ভাল থাকছে না। তাই এই মরসুমে বাসি খাবার না খাওয়াই ভাল। সব সময় চেষ্টা করুন টাটকা খাবার খাওয়ার। খাওয়ার আগে খাবার গরম করে নিন। ঠান্ডা খাবারে ব্যাক্টেরিয়া বাসা বাঁধার আশঙ্কা বেশি।

৪) বাড়ির আশেপাশে জল জমতে দেবেন না। নর্দমা পরিষ্কার রাখুন। মশার ডিম পাড়ার সম্ভাব্য জায়গাগুলি পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। রাতে মশারি ব্যবহার করাই ভাল। মশা ছাড়াও নানা রকম পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ে এই সময়ে।

৫) গ্রীষ্মের অস্বস্তির পর ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে ভিজতে অনেকেরই ভাল লাগে। কিন্তু তাই বলে সব সময়ে নয়। বিশেষ করে ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে বৃষ্টির জল গায়ে পড়লেই জ্বরে ভুগতে হতে পারে। সঙ্গে বর্ষার জল থেকে ত্বকের নানা রকম সমস্যা তো রয়েছেই। তাই বাইরে বেরোনোর সময় অবশ্যই ছাতা সঙ্গে রাখুন।

৬) বর্ষায় জলরোধী জুতো ব্যবহার করুন, যা পিছলে যাওয়া এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে। ভেজা জায়গায় খালি পায়ে হাঁটবেন না। বাইরে থেকে ফিরে অবশ্যই পা ভাল করে ধুতে হবে। বর্ষার জমা জলে নানা রকম রোগজীবাণু জন্মায়। তা থেকে সংক্রমণজনিত অসুখ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়  সভা

নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা