ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু রাণীনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে মাদকসেবির কারাদন্ড রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক র‌্যালি, দুই সপ্তাহের মশক নিধন কর্মসূচির ঘোষণা রাজশাহীতে বিপুল পরিমান ইয়াবা গাঁজাসহ গ্রেফতার ৫ মাদক কারবারী রাজশাহীতে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময় সভা বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু রেড ক্রিস্টে সোসাইটি, রাজশাহী সিটি ইউনিটের বিশেষ সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় সিরাপ ও ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট জব্দ পুঠিয়ায় ইউএনও'র নাম ভাঙ্গিয়ে আমবাগান কেটে চলছে পুকুর খনন, মাটি যাচ্ছে দোয়েল ইটভাটায় মোহনপুরে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনে বাঁধা: নো-ম্যানস ল্যান্ডে তাদের করুণ দিনযাপন নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্য আটক নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ রিভার সিটি প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নগরীর চন্দ্রিমায় চিকিৎসকের বাড়ির কেয়ারটেকার গ্রেফতার, ২ হাজারের বেশি ইয়াবা উদ্ধার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এআইয়ের অপব্যবহার রুখতে উদ্যোগ, গাইডলাইন প্রণয়নের পথে সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা দেশ প্রেমিক ও রাষ্ট্রনায়ক...এমপি নয়ন বিয়েবাড়িতে আরেক পিস রোস্ট চাওয়ায় মারামারি, আহত ৩ গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে ২৮ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা

বর্ষার মরসুমেও শরীরে জলের অভাব হতে পারে, সন্তানকে সুস্থ রাখতে যে অভ্যাসগুলো জরুরি

  • আপলোড সময় : ২২-০৭-২০২৫ ০২:৩৩:৩১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০৭-২০২৫ ০২:৩৩:৩১ অপরাহ্ন
বর্ষার মরসুমেও শরীরে জলের অভাব হতে পারে, সন্তানকে সুস্থ রাখতে যে অভ্যাসগুলো জরুরি ফাইল ফটো
সূর্য মাথার উপরে। রোদের তাপে ঘেমে নেয়ে একসা। স্বাভাবিক ভাবেই জল তেষ্টা পায় তখন। কিন্তু বর্ষার মরসুমে, যখন বাতাসে যথেষ্ট আর্দ্রতা থাকে, তখন কি আর জল খাওয়ার কথা মনে হয়? এই ভুলটি করে বসেন শিশু থেকে বড়রা। খেলা, দস্যিপনা করতে গিয়ে শিশুদের জল খাওয়ার কথা মনেই হয় না। আর কাজের চাপে বা তেষ্টা না পাওয়ায় নিয়মমাফিক জল খান না বড়দের অনেকেও।

অথচ চিকিৎসকেরা বলছেন, জলশূন্যতা অনেক রকম অসুস্থতার কারণ হতে পারে। মাথা ব্যথা, গলা শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের রঙের বদল, প্রস্রাব কমে যাওয়া, ক্লান্তিবোধ, ক্ষেত্র বিশেষে হদ্স্পন্দন বেড়েও যেতে পারে শরীরের জলের অভাব হলে। শরীরে নানা রকম শারীরবৃত্তীয় কাজকর্ম হয়। তার জন্যই জলের প্রয়োজন। সেই কারণেই একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষকে দিনে আ়ড়াই থেকে-৪ লিটার জল খেতে বলা হয়। কোনও কারণে জল খাওয়ার পরিমাণ কমে গেলে সমস্যা হতে পারে।

ঘরে থাকুন বা বাইরে, কিছুক্ষণ অন্তর অন্তর জল খাওয়া দরকার। তবে চিকিৎসকেরা সাবধান করছেন, জল যেন পরিশোধিত হয়। বর্ষার মরসুমে রাস্তাঘাটের জল, শরবৎ থেকেও পেটের অসুখ ছড়াতে পারে। তাই সবসময় জল সঙ্গে রাখা দরকার।

শিশুদের জল খাওয়ার গুরুত্ব তাদের মতো করে বোঝানো জরুরি। তবে ছোট থেকেই জল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললেও সুবিধা হবে। এক ঘণ্টা অন্তর অন্তর নিয়ম করে ছোটদের জল খাওয়ান। কয়েকদিন জোর করতে হলেও এক সময় তা অভ্যাস হয়ে যাবে।

শিশুদের জল খাওয়ায় উৎসাহ গিতে আকর্ষণীয় বোতল, গ্লাসে জল ভরে রাখুন। গাড়ির মতো দেখতে জলের বোতল পাওয়া যায়। আবার হাঁসের মতো দেখতে বা গাড়ির মতো এমন জিনিসও পাওয়া যায় যার মাথায় জল ভরা থাকে। নীচে নির্দিষ্ট জায়গায় গ্লাস রাখলে জল পড়ে। এই ধরনের জিনিসগুলি শিশুদের জল খেতে উৎসাহিত করবে। তবে প্লাস্টকের বোতল বা গ্লাস এড়িয়ে চলাই ভাল।

ফলেও জল থাকে: জলের ঘাটতি শুধুই জল খেয়ে পূরণ করতে হবে এমন কথা নেই। রকমারি ফলেও জল থাকে। সঙ্গে মেলে ভিটামিন, খনিজও। যে কোনও মরসুমি ফলই সন্তানকে খাওয়ানো যেতে পারে। শসা, তরমুজ, লেবু, আনারস, আম, লিচু— যে ফলটি সন্তান পছন্দ করবে সেটি খাওয়ানো যায়।

পেপসি বানিয়ে দিন: বাজারচলতি বরফের মতো জমানো পেপসি শিশুদের প্রিয়। তবে সেগুলি কতটা স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। বদলে বিভিন্ন ফলের রস দিয়ে বাড়িতেই রঙিন ‘পেপসি’ বানিয়ে দিন। পাতলা করে দই গুলে তার মধ্যে, চিনি, পাতিলেবু, নুন মিশিয়ে সাদা পেপসি তৈরি করতে পারেন। কাঠি আইসক্রিমের মতো জমিয়েও দিতে পারেন। এগুলি ছোটরা খেতে পছন্দ করবে।

স্যুপ: পছন্দের সব্জি দিয়ে বা মুরগির মাংস দিয়ে স্যুপ বানিয়ে দিতে পারেন। ছোটরাও সুস্বাদু খাবার চায়। তাই স্বাদের দিকটি খেয়াল রাখলে খাওয়াতে বেগ পেতে হবে না। ঠান্ডা বা গরম— যে কোনও স্যুপই শরীরে জলের জোগান দেয়।

বমি: বমি বা আন্ত্রিক হলেও শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। এতেও জলের ঘাটতি হতে পারে। এমনটা হলে শিশুকে ওআরএস খাওয়ানো জরুরি। চিকিৎসকেরা বলছেন, ডায়ারিয়া বা ডিহাইড্রেশন হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ওআরএসই খাওয়া উচিত। শরীরে জলশূন্যতা দেখা দিলে প্রয়োজনীয় লবণ ও শর্করা বেরিয়ে যেতে থাকে। সে কারণেই ওআরএস দরকার।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু

রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু