ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ , ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেন থেকে পড়লো শিশু, বাবাও দিলেন ঝাঁপ– উপর দিয়ে গেল ৮ বগি রাসিকের প্রশাসকের সাথে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রুয়েট উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার রাসিক প্রশাসকের সাথে কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাসিক প্রশাসকের সাথে জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়বৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী ইরান পাবনায় ফেন্সিডিল ও ইস্কাফসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার ভোলায় গরু চুরিতে দিশেহারা চরবাসী,এক রাতেই নিঃস্ব কৃষক বিদেশফেরত চিকিৎসকের বাড়িতে লুটপাটের পর আগুন তানোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু আত্রাইয়ে স্ত্রীকে তুলে নিতে এসে স্বামীসহ সাত জন আটক মেয়ের বিয়ের আগের রাতে স্ত্রীকে মেরে ফেললেন স্বামী টয়লেটে গিয়ে মোবাইলে প্রশ্ন সমাধান করছিল এসএসসি পরীক্ষার্থী হাত-পা বাঁধা ও বিবস্ত্র অবস্থায় ধানক্ষেতে পড়ে ছিলেন প্রতিবন্ধী তরুণী ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিত করায় শ্যালক-দুলাভাই গ্রেপ্তার পানির নিচে পাকা ধান, ঘরে তুলতে লড়ছেন নারীরা পুলিশে নতুন করে সাড়ে ১৪ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে মেয়াদ শেষে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টা ৬ মাস ভিভিআইপি নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১, আহত ৮ সিংড়ায় চাউল-পানির বিষক্রিয়ায় ৮জন ধান কাটা শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

তানোরে নিষিদ্ধ চায়না রিং ও কারেন্ট জালে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ

  • আপলোড সময় : ১৮-০৭-২০২৫ ০৮:৫০:৫৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৭-২০২৫ ০৮:৫০:৫৭ অপরাহ্ন
তানোরে নিষিদ্ধ চায়না রিং ও কারেন্ট জালে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ তানোরে নিষিদ্ধ চায়না রিং ও কারেন্ট জালে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ
রাজশাহীর চায়না দুয়ারী,রিং ও কারেন্ট জাল দিয়ে নির্বিচারে ছোট-বড় দেশীয় মাছ ধরা হচ্ছে।এতে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ।‘আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি’—এই প্রবাদ এখন যেন শুধুই বইয়ের পাতায়। বাস্তব চিত্র তার উল্টো। দেশের নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে একসময় প্রাচুর্য ছিল দেশীয় প্রজাতির মিঠাপানির মাছের। জলবায়ু পরিবর্তন, খাল-বিল ভরাট, অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার,মাছের আবাসস্থল ধ্বংসসহ নানা কারণে সেই মাছ আজ বিলুপ্তির পথে। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি, রিং ও কারেন্ট জালের ভয়াবহ ব্যবহার। বর্তমান বর্ষা মৌসুমে উপজেলার শীব নদী ও অন্যান্য জলাশয়ে অবাধে ব্যবহার করা হচ্ছে এসব জাল। মাছের প্রজনন মৌসুমে মা মাছ ও পোনাসহ সব ধরনের জলজ প্রাণি নিধনে চলছে একপ্রকার ‘মহোৎসব’। এতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। 

স্থানীয়রা জানান, লোহার রিংয়ের সঙ্গে মিহি সুতো দিয়ে তৈরি এই জালে আটকা পড়ে শুধু মাছ নয়, শামুক-ঝিনুক, ব্যাঙ, কাঁকড়া, সাপ, কুচিয়াসহ বহু জলজ প্রাণি মারা যাচ্ছে। ফলে মিঠাপানির মাছসহ জীববৈচিত্র্য ভয়াবহ সংকটে পড়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার শীব নদীর গোকুলমথুরা, শীতলীপাড়া, কুঠিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীতে অন্তত ২০-৩০টি চায়না দুয়ারি জাল দিনে-রাতে বসানো হচ্ছে। ৫০-৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জাল পানির নিচে পাতা থাকায় তা সহজে চোখে পড়ে না। তবে অগভীর পানিতে বসানো জাল ও পুঁতে রাখা খুঁটির মাধ্যমে তার উপস্থিতি বোঝা যায়। মৎস্যজীবী অনিল ও সুকেন বলেন, চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে প্রতিদিন যেভাবে বোয়াল, টেংরা,পুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের পোনা ধরা হচ্ছে, দ্রুত তা বন্ধ করা না হলে এসব দেশীয় মাছ অচিরেই হারিয়ে যাবে।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, এসব জালের খোপে আটকা পড়ে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণি আর বের হতে পারে না। পরে জাল তুলে মাছ সংগ্রহের সময় ডিমওয়ালা মাছ, পোনা এবং অন্যান্য প্রাণিও শুকনো ডাঙায় পড়ে মারা যাচ্ছে। এতে করে পুরো বাস্তুতন্ত্রে ধস নামছে।

স্থানীয় এক সময়ের পেশাদার মৎস্যজীবী  মহন্ত বলেন, ‘আগে নদীতে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। এখন চায়না জালের কারণে নদীতে আর মাছ নেই। বাধ্য হয়ে পেশা পরিবর্তন করে ঝালমুড়ি বিক্রি করছি।’

সচেতন মহলের অভিযোগ, উপজেলা মৎস্য বিভাগের নজরদারি নেই বললেই চলে। তারা বলেন, মা মাছের প্রজননকালে অবাধে এই জাল ব্যবহার প্রকৃতিকভাবে মাছের বংশবৃদ্ধিতে বড় বাধা। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল হোসেন বলেন, ‘দেশে মিঠাপানির ২৬০ প্রজাতির মাছ রয়েছে, এর মধ্যে ৬৪টি প্রজাতি হুমকির মুখে। নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহারে প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা জাল জব্দ ও ধ্বংসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি। তবে বেশির ভাগ জাল রাতে বসানো হয় বলে ধরা কঠিন হয়ে পড়ে।তিনি এবিষয়ে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে আইনগত সহায়তা দিবস: ৬২১টি বিরোধ নিষ্পত্তি

রাজশাহীতে আইনগত সহায়তা দিবস: ৬২১টি বিরোধ নিষ্পত্তি