ঢাকা , সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাসিক মেয়র হিসেবে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা মহানগর বিএনপি নেতা রবিউল আলম মিলুকে চাঁদা বন্ধের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ রাসিকের উদ্যোগে মহান শহিদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালিত অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একুশ আমাদের পাথেয়, বিভাগীয় কমিশনার নগরীতে ট্যাপেন্টাডল-সহ মাদক কারবারী গ্রেফতার শিশু গৃহকর্মীকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা, চিকিৎসক গ্রেপ্তার রামুতে হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় দুই ভাই মাদারীপুরে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, ৪ ঘণ্টায় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ কোমরে রশি নিয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রদল নেতা সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ভরদুপুরে গুলি করে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই চাঁদাবাজি ঠেকাতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর বার্তা আইজিপির ১২ মার্চ,বসছে সংসদ নির্বাচিত হবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নিয়ামতপুরে বিয়েবাড়ি থেকে তরুণীকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার- ৩ প্রবীণ নেতাকে সাহায্য করে প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আসাদ নিয়ামতপুরে ব্যাডেন পাওয়েলের জন্মবার্ষিকী পালন নোয়াখালীতে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই ​রাজশাহীতে যুবদলের ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে বিক্ষোভ: ত্যাগীদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন অভিযোগ শীতে আসে গরম পড়লেই চলে যায় পাখির কলকাকলিতে মুখর রাণীশংকৈলে রামরায় দিঘী শান্তির সিংড়া গড়তে সকলের সহযোগিতা চাইলেন নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ আনু

নতুন শিক্ষাক্রম: ১৬টি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পর্যালোচনা চলছে

  • আপলোড সময় : ১৩-০৭-২০২৫ ০১:৫২:৫৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৭-২০২৫ ০১:৫২:৫৪ অপরাহ্ন
নতুন শিক্ষাক্রম: ১৬টি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পর্যালোচনা চলছে ছবি: সংগৃহীত
১৯৭২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সাতবার শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০১২ সালে শিক্ষাক্রমে সবচেয়ে বড় রদবদলের মাধ্যমে আসে সৃজনশীল পদ্ধতি। মুখস্থ নির্ভরতা কমিয়ে আরও বড় পরিবর্তন আসে ২০২১ সালে। সেই শিক্ষাক্রমকে ভালো উদ্যোগ বলা হলেও দেশের আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে তা ত্রুটিযুক্ত ছিলো বলে কেউ কেউ মনে করেন। সেইসময় শিক্ষাক্রম বাতিলে টানা আন্দোলনও হয়।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০১২ সালের আলোচিত সৃজনশীল শিক্ষাক্রম ফিরিয়ে আনা হয়। তবে ২০২৭ সাল থেকে নৈতিক, মানবিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম চালুর কথা ভাবছে সরকার। এজন্য ১৬টি দেশের শিক্ষাক্রম নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে।

যেমন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের শিখন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি বিভিন্ন রকম। শিক্ষার্থীরা সংখ্যাতত্ব, প্রযুক্তি, নীতি, সৃজনশীল চিন্তা, মানবিক, সমাজবিজ্ঞান ও সংস্কৃতি। দেশটিতে শ্রেণীকক্ষে ধারাবাহিক্ম মূল্যায়নে বেশি জোর দেয়া হয়। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রে শিখন মূল্যায়ন পদ্ধতি স্কুলগুলোই ঠিক করেন। শিক্ষকরা ক্লাসে দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়নে জোর দেন। ফলে অনুসন্ধানভিত্তিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে পৃথিবীর অন্যতম সুখী দেশ ফিনল্যান্ডে নীতি, গনিত, বিজ্ঞান, শিল্প-কলা, সমাজ বিজ্ঞান ও বিদেশী ভাষায় প্রাধান্য দেয়া হয়। দেশটির শিখন পদ্ধতি অনুসন্ধানভিত্তিক ও অভিজ্ঞতামূলক। ক্লাসে জীবনমুখী সমস্যার সমাধান করান শিক্ষকরা। দ্বাদশ শ্রেণীতে হয় প্রথম পাবলিক পরীক্ষা।

অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চীনের শিক্ষাক্রমে ভাষা, কারিগরি শিক্ষা, গনিত, নৈতিক ও রাজনীতি শিক্ষা প্রাধান্য দেয়া হয়। সমালোচনামূলক চিন্তা, সমস্যা সমাধান, দলগত কাজ ও উদ্ভাবনী শিক্ষার ওপর ক্লাসে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হয়।

এখন সমস্যা হলো এসব দেশের শিক্ষাক্রম চালু করার মতো আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট দেশে নেই। তাছাড়া, মানসপন্ন শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের অভাব তো রয়েছেই।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্ত বোর্ডের (এনসিটিবি) বিশেষজ্ঞ ড. মুহাম্মদ জাইর আল ফারুকী বলেছেন, আমাদের স্কুলের পরিবেশ ও ক্লাসরুমের চর্চার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এজন্য শিক্ষকদের পেশাগত প্রস্তুতি ও নিষ্ঠা প্রয়োজন।

এদিকে, শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর মতাদর্শগত বিস্তর ফারাক আরেকটি বাধা।

এনসিটিবির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী বলেন, শিক্ষাক্রম নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে কাঠামো তৈরি করা হবে। দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতেই এটি করা হবে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় যাওয়া দল এটিকে বাস্তবায়ন করবে।

অন্যদিকে শিক্ষাবিদরা জানান, অনেক দেশই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রায় প্রতিবছরই শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়। সেটিই শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, কারিকুলাম বদলাতে হবে আগে সংবিধানকে ঠিক করতে হবে। এটি না করা গেলে বর্তমান সংবিধান বা ঐকমত্যকে ভিত্তি ধরে শিক্ষানীতি তৈরি করতে হবে। কারন আগের শিক্ষানীতি অনেক পুরাতন হয়ে গেছে। সেই নীতিকে অনেক অসঙ্গতি ও গ্যাপ রয়েছে। তাই সেটির ওপর ভিত্তি করে নতুন শিক্ষাক্রম করা যাবে না।

একবারেই শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন, উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানান শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। তবে তিনি পথটি তৈরি করে দিতে চান।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, শিক্ষাক্রম নিতে এনসিটিবিতে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। কিছু পরিকল্পনা নেয়ান হয়েছে।

তবে নোটবই আর কোচিং বাণিজ্যকে উদ্বুদ্ধ করে এমন শিক্ষা ব্যবস্থা চান না সচেতন অভিভাবকরা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাসিক মেয়র হিসেবে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা মহানগর বিএনপি নেতা রবিউল আলম মিলুকে

রাসিক মেয়র হিসেবে দেখতে চায় দলের নেতা-কর্মীরা মহানগর বিএনপি নেতা রবিউল আলম মিলুকে