ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ , ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন নিয়ামতপুরে জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা রাজশাহীতে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব শুরু রাজপাড়ায় গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড ​ভূমিমন্ত্রী আগামীকাল দুই দিনের সফরে রাজশাহী আসবেন পীরগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবসে আলোচনা সভা স্বামী-সন্তানকে হত্যার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে রাজশাহীতে ছাত্রদলের স্মরণসভা বিধবা নারীকে পিটিয়ে হাত-বুকের হাড় ভেঙে দিলেন আ.লীগ নেতা নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে ৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিচ্ছেদের পরে অর্জুনের সঙ্গে নাম জড়াল মৌনীর, ক্ষোভপ্রকাশ ক্রিস্টলের জুলাই শহিদ দিবসে শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে রাসিক প্রশাসকের শ্রদ্ধা নিবেদন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু নীতিমালা লঙ্ঘন করে সেচ মটর স্থাপন জনগণের সেবক হিসেবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে: আইজিপি ‘অটোপাসের’ অপসংস্কৃতি থেকে দেশকে বের করে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্রাই নদীতে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, দুই দিন পর মিলল সন্ধান বর্ষার আগমনের সঙ্গে সঙ্গে নওগাঁ মান্দা উপজেলায় বেড়েছে ডিঙ্গি নৌকার চাহিদা হরমুজকে ইরানের ‘দখলমুক্ত’ করতে আমেরিকার জোড়া হানা মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে জুলাই আন্দোলন হচ্ছে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন: বিভাগীয় কমিশনার

নতুন শিক্ষাক্রম: ১৬টি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পর্যালোচনা চলছে

  • আপলোড সময় : ১৩-০৭-২০২৫ ০১:৫২:৫৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৭-২০২৫ ০১:৫২:৫৪ অপরাহ্ন
নতুন শিক্ষাক্রম: ১৬টি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পর্যালোচনা চলছে ছবি: সংগৃহীত
১৯৭২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সাতবার শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০১২ সালে শিক্ষাক্রমে সবচেয়ে বড় রদবদলের মাধ্যমে আসে সৃজনশীল পদ্ধতি। মুখস্থ নির্ভরতা কমিয়ে আরও বড় পরিবর্তন আসে ২০২১ সালে। সেই শিক্ষাক্রমকে ভালো উদ্যোগ বলা হলেও দেশের আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে তা ত্রুটিযুক্ত ছিলো বলে কেউ কেউ মনে করেন। সেইসময় শিক্ষাক্রম বাতিলে টানা আন্দোলনও হয়।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০১২ সালের আলোচিত সৃজনশীল শিক্ষাক্রম ফিরিয়ে আনা হয়। তবে ২০২৭ সাল থেকে নৈতিক, মানবিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম চালুর কথা ভাবছে সরকার। এজন্য ১৬টি দেশের শিক্ষাক্রম নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে।

যেমন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের শিখন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি বিভিন্ন রকম। শিক্ষার্থীরা সংখ্যাতত্ব, প্রযুক্তি, নীতি, সৃজনশীল চিন্তা, মানবিক, সমাজবিজ্ঞান ও সংস্কৃতি। দেশটিতে শ্রেণীকক্ষে ধারাবাহিক্ম মূল্যায়নে বেশি জোর দেয়া হয়। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রে শিখন মূল্যায়ন পদ্ধতি স্কুলগুলোই ঠিক করেন। শিক্ষকরা ক্লাসে দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়নে জোর দেন। ফলে অনুসন্ধানভিত্তিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে পৃথিবীর অন্যতম সুখী দেশ ফিনল্যান্ডে নীতি, গনিত, বিজ্ঞান, শিল্প-কলা, সমাজ বিজ্ঞান ও বিদেশী ভাষায় প্রাধান্য দেয়া হয়। দেশটির শিখন পদ্ধতি অনুসন্ধানভিত্তিক ও অভিজ্ঞতামূলক। ক্লাসে জীবনমুখী সমস্যার সমাধান করান শিক্ষকরা। দ্বাদশ শ্রেণীতে হয় প্রথম পাবলিক পরীক্ষা।

অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চীনের শিক্ষাক্রমে ভাষা, কারিগরি শিক্ষা, গনিত, নৈতিক ও রাজনীতি শিক্ষা প্রাধান্য দেয়া হয়। সমালোচনামূলক চিন্তা, সমস্যা সমাধান, দলগত কাজ ও উদ্ভাবনী শিক্ষার ওপর ক্লাসে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হয়।

এখন সমস্যা হলো এসব দেশের শিক্ষাক্রম চালু করার মতো আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট দেশে নেই। তাছাড়া, মানসপন্ন শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের অভাব তো রয়েছেই।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্ত বোর্ডের (এনসিটিবি) বিশেষজ্ঞ ড. মুহাম্মদ জাইর আল ফারুকী বলেছেন, আমাদের স্কুলের পরিবেশ ও ক্লাসরুমের চর্চার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এজন্য শিক্ষকদের পেশাগত প্রস্তুতি ও নিষ্ঠা প্রয়োজন।

এদিকে, শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর মতাদর্শগত বিস্তর ফারাক আরেকটি বাধা।

এনসিটিবির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী বলেন, শিক্ষাক্রম নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে কাঠামো তৈরি করা হবে। দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতেই এটি করা হবে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় যাওয়া দল এটিকে বাস্তবায়ন করবে।

অন্যদিকে শিক্ষাবিদরা জানান, অনেক দেশই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রায় প্রতিবছরই শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়। সেটিই শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, কারিকুলাম বদলাতে হবে আগে সংবিধানকে ঠিক করতে হবে। এটি না করা গেলে বর্তমান সংবিধান বা ঐকমত্যকে ভিত্তি ধরে শিক্ষানীতি তৈরি করতে হবে। কারন আগের শিক্ষানীতি অনেক পুরাতন হয়ে গেছে। সেই নীতিকে অনেক অসঙ্গতি ও গ্যাপ রয়েছে। তাই সেটির ওপর ভিত্তি করে নতুন শিক্ষাক্রম করা যাবে না।

একবারেই শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন, উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানান শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। তবে তিনি পথটি তৈরি করে দিতে চান।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, শিক্ষাক্রম নিতে এনসিটিবিতে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। কিছু পরিকল্পনা নেয়ান হয়েছে।

তবে নোটবই আর কোচিং বাণিজ্যকে উদ্বুদ্ধ করে এমন শিক্ষা ব্যবস্থা চান না সচেতন অভিভাবকরা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জনগণের সেবক হিসেবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে: আইজিপি

জনগণের সেবক হিসেবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে: আইজিপি