ঢাকা , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ , ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাণীশংকৈলে ইসলামী ফাউন্ডেশনের যাকাত বিতরণ, অসহায়দের পাশে মানবতার হাত রাণীশংকৈলে পাটনার প্রকল্পের ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টশন সিনিয়রদের পেছনে ফেলে রাসিকের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ধান রোপণের সময় বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আরএমপি' র গণবিজ্ঞপ্তি নগরীর বুধপাড়ায় গাঁজা-সহ নারী মাদক কারবারী গ্রেপ্তার রাসিকের নতুন প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের দায়িত্ব গ্রহণ, মাজার জিয়ারত হযরত শাহ মখদুম রুপোশ (রহঃ) এর মাজার জিয়ারত করলেন নবনিযুক্ত রাসিক প্রশাসক নগরীর নওদাপাড়ায় বিদেশি রিভলবার ও গুলি উদ্ধার রাজশাহীতে হারানো ৪১ মোবাইল ফোন মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আরএমপি' র সাধারণ নির্দেশনা গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর রাসিকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নবনিযুক্ত প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন শহিদ জিয়ার দেখানো পথে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো: ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় প্রসাধনী, ফেনসিডিল ও মদ জব্দ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আরএমপি' র গণবিজ্ঞপ্তি রাজশাহী জেলা পরিষদ প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করল ইরান ব্যায়াম হোক মজার ছলে নোয়াখালীতে গৃহবধূ হত্যা: স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার

নতুন শিক্ষাক্রম: ১৬টি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পর্যালোচনা চলছে

  • আপলোড সময় : ১৩-০৭-২০২৫ ০১:৫২:৫৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৭-২০২৫ ০১:৫২:৫৪ অপরাহ্ন
নতুন শিক্ষাক্রম: ১৬টি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পর্যালোচনা চলছে ছবি: সংগৃহীত
১৯৭২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সাতবার শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০১২ সালে শিক্ষাক্রমে সবচেয়ে বড় রদবদলের মাধ্যমে আসে সৃজনশীল পদ্ধতি। মুখস্থ নির্ভরতা কমিয়ে আরও বড় পরিবর্তন আসে ২০২১ সালে। সেই শিক্ষাক্রমকে ভালো উদ্যোগ বলা হলেও দেশের আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে তা ত্রুটিযুক্ত ছিলো বলে কেউ কেউ মনে করেন। সেইসময় শিক্ষাক্রম বাতিলে টানা আন্দোলনও হয়।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০১২ সালের আলোচিত সৃজনশীল শিক্ষাক্রম ফিরিয়ে আনা হয়। তবে ২০২৭ সাল থেকে নৈতিক, মানবিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম চালুর কথা ভাবছে সরকার। এজন্য ১৬টি দেশের শিক্ষাক্রম নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে।

যেমন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের শিখন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি বিভিন্ন রকম। শিক্ষার্থীরা সংখ্যাতত্ব, প্রযুক্তি, নীতি, সৃজনশীল চিন্তা, মানবিক, সমাজবিজ্ঞান ও সংস্কৃতি। দেশটিতে শ্রেণীকক্ষে ধারাবাহিক্ম মূল্যায়নে বেশি জোর দেয়া হয়। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রে শিখন মূল্যায়ন পদ্ধতি স্কুলগুলোই ঠিক করেন। শিক্ষকরা ক্লাসে দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়নে জোর দেন। ফলে অনুসন্ধানভিত্তিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে পৃথিবীর অন্যতম সুখী দেশ ফিনল্যান্ডে নীতি, গনিত, বিজ্ঞান, শিল্প-কলা, সমাজ বিজ্ঞান ও বিদেশী ভাষায় প্রাধান্য দেয়া হয়। দেশটির শিখন পদ্ধতি অনুসন্ধানভিত্তিক ও অভিজ্ঞতামূলক। ক্লাসে জীবনমুখী সমস্যার সমাধান করান শিক্ষকরা। দ্বাদশ শ্রেণীতে হয় প্রথম পাবলিক পরীক্ষা।

অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চীনের শিক্ষাক্রমে ভাষা, কারিগরি শিক্ষা, গনিত, নৈতিক ও রাজনীতি শিক্ষা প্রাধান্য দেয়া হয়। সমালোচনামূলক চিন্তা, সমস্যা সমাধান, দলগত কাজ ও উদ্ভাবনী শিক্ষার ওপর ক্লাসে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হয়।

এখন সমস্যা হলো এসব দেশের শিক্ষাক্রম চালু করার মতো আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট দেশে নেই। তাছাড়া, মানসপন্ন শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের অভাব তো রয়েছেই।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্ত বোর্ডের (এনসিটিবি) বিশেষজ্ঞ ড. মুহাম্মদ জাইর আল ফারুকী বলেছেন, আমাদের স্কুলের পরিবেশ ও ক্লাসরুমের চর্চার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এজন্য শিক্ষকদের পেশাগত প্রস্তুতি ও নিষ্ঠা প্রয়োজন।

এদিকে, শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর মতাদর্শগত বিস্তর ফারাক আরেকটি বাধা।

এনসিটিবির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী বলেন, শিক্ষাক্রম নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে কাঠামো তৈরি করা হবে। দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতেই এটি করা হবে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় যাওয়া দল এটিকে বাস্তবায়ন করবে।

অন্যদিকে শিক্ষাবিদরা জানান, অনেক দেশই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রায় প্রতিবছরই শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়। সেটিই শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, কারিকুলাম বদলাতে হবে আগে সংবিধানকে ঠিক করতে হবে। এটি না করা গেলে বর্তমান সংবিধান বা ঐকমত্যকে ভিত্তি ধরে শিক্ষানীতি তৈরি করতে হবে। কারন আগের শিক্ষানীতি অনেক পুরাতন হয়ে গেছে। সেই নীতিকে অনেক অসঙ্গতি ও গ্যাপ রয়েছে। তাই সেটির ওপর ভিত্তি করে নতুন শিক্ষাক্রম করা যাবে না।

একবারেই শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন, উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানান শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। তবে তিনি পথটি তৈরি করে দিতে চান।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, শিক্ষাক্রম নিতে এনসিটিবিতে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। কিছু পরিকল্পনা নেয়ান হয়েছে।

তবে নোটবই আর কোচিং বাণিজ্যকে উদ্বুদ্ধ করে এমন শিক্ষা ব্যবস্থা চান না সচেতন অভিভাবকরা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হযরত শাহ মখদুম রুপোশ (রহঃ) এর মাজার জিয়ারত করলেন নবনিযুক্ত রাসিক প্রশাসক

হযরত শাহ মখদুম রুপোশ (রহঃ) এর মাজার জিয়ারত করলেন নবনিযুক্ত রাসিক প্রশাসক