ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ , ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুঠিয়ায় ফের ভেকু মেশিন নিস্ক্রীয় তানোরে সরকারি খাস জায়গায় পাকা বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক সেলিম রেজা ​দুর্গাপুরে ড্রেজার মেশিন জব্দ ও ভাসমান ভেলা ধ্বংস মোহনপুরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল মোহনপুরে সিসিডিবি উদ্যোগে শীতার্ত জনগণের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ ​নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিনা প্রচারণায় রাতে শীতার্তদের মাঝে বিজিবির কম্বল বিতরণ নোয়াখালীতে জমির বিরোধে বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেপ্তার সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় নগরীর রাজপাড়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নগরীতে আ’লীগ নেতা ও রাবি সেকশন অফিসার পলাশ সহ গ্রেফতার ৩৪ নগরীতে ট্যাপেন্টাডল-সহ ৫ কারবারি গ্রেফতার রাজশাহীতে মাদক প্রতিরোধে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে গণভোট প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে বিভাগীয় মতবিনিময় সভা চাইলে পরে ঠিক, সিল দিন টিক, অধ্যাপক আলী রীয়াজ গুণগতমান বজায় রেখে দ্রুত রাজশাহী আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণ শেষের নির্দেশ নগরীতে পুলিশের অভিযানে আ’লীগ নেতা ও রাবি সেকশন অফিসার সহ গ্রেফতার ৩৪ দামকুড়ায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ চট্টগ্রামে আলোচিত আইনজীবী হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

স্ট্রোকের সময়ে প্রাণ বাঁচাতে পারে মাত্র ৬টি অক্ষর! ব্যাখ্যা করলেন চিকিৎসক

  • আপলোড সময় : ১১-০৭-২০২৫ ১২:০৮:১৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৭-২০২৫ ১২:০৮:১৩ অপরাহ্ন
স্ট্রোকের সময়ে প্রাণ বাঁচাতে পারে মাত্র ৬টি অক্ষর! ব্যাখ্যা করলেন চিকিৎসক স্ট্রোকের সময়ে প্রাণ বাঁচাতে পারে মাত্র ৬টি অক্ষর! ব্যাখ্যা করলেন চিকিৎসক
সেরিব্রোভাস্কুলার অ্যাক্সিডেন্টস দু’রকমের হয়, ইস্কেমিক স্ট্রোক এবং হেমার্যাজিক স্ট্রোক। দু’টিতেই তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। তবে যত ক্ষণ বোঝার ক্ষমতা থাকে, তত ক্ষণ স্ট্রোকের লক্ষণ রোগী টের পাবেন। যাঁদের বোঝার ক্ষমতা থাকে না, তখন রোগীর নিকটস্থ ব্যক্তিকেই সতর্ক হতে হবে। আর সেই বোঝার জন্য তৈরি হয়েছে ৬টি অক্ষরের শব্দ।
সেরিব্রোভাস্কুলার অ্যাক্সিডেন্টস (সিভিএ), চলতি কথায় স্ট্রোক। বলে-কয়ে আসে না। স্ট্রোক হওয়ার পর কত ক্ষণে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করে রোগী বাঁচবে কি না। সেখানে দেরি হয়ে গেলেই মুশকিল। আর তাই স্ট্রোক হচ্ছে কি না, তা বোঝা দরকার সময় মতো। আর সকলের বোঝার সুবিধার জন্য ৬টি ইংরেজি অক্ষরকে পাশাপাশি বসিয়ে শব্দবন্ধ তৈরি হয়েছে। অ্যাক্রোনিম বা সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে তৈরি হয়েছে। প্রত্যেকটি অক্ষরের পূর্ণরূপ রয়েছে। ‘বি’, ‘ই’, ‘এফ’, ‘এ’, ‘এস’ এবং ‘টি’। একসঙ্গে বললে, ‘বি ফাস্ট’। অর্থাৎ, ‘দ্রুত করো’। এর আগে ‘আমেরিকান স্ট্রোক সোসাইটি’ চার অক্ষরের ‘ফাস্ট’ তৈরি করেছিল। পরবর্তীকালে ‘ইন্টারমাউন্টেন হেলথকেয়ার’ সেটির সঙ্গে দু’টি অক্ষর যোগ করে।

স্নায়ুরোগ এবং নিউরো রিহ্যাবিলিটেশনের চিকিৎসক সুপর্ণ গঙ্গোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, সেরিব্রোভাস্কুলার অ্যাক্সিডেন্টস দু’রকমের হয়, ইস্কেমিক স্ট্রোক এবং হেমার‌্যাজিক স্ট্রোক। দু’টিতেই তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। তবে যত ক্ষণ বোঝার ক্ষমতা থাকে, তত ক্ষণ স্ট্রোকের লক্ষণ রোগী টের পাবেন। যাঁদের বোঝার ক্ষমতা থাকে না, তখন রোগীর নিকটস্থ ব্যক্তিকেই সতর্ক হতে হবে। আর তাই জেনে নিতে হবে এই ৬টি অক্ষরের অর্থ। চিকিৎসক বলছেন, ‘‘সাধারণত স্ট্রোক হয় মস্কিষ্কের একটি দিকে। তখন শরীরের অন্য দিকটি অচল হতে শুরু করে। মুখ, হাত, চোখ ইত্যাদি অংশ অবশ হতে থাকে। কোন কোন অংশে কী হতে পারে, সেগুলি জেনে নেওয়া দরকার প্রত্যেকের।’’

কোন অক্ষরের কী অর্থ, দেখে নেওয়া যাক—

বি বা ব্যালান্স (ভারসাম্য): হঠাৎ শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় বলে মনে হতে থাকে। যাঁর হচ্ছে, তিনিও বুঝতে পারবেন, পাশে কেউ থাকলে তিনিও রোগীর চলন দেখে বুঝতে পারবেন।

ই বা আইজ় (চোখ): যাঁর স্ট্রোক হচ্ছে, তিনি দেখবেন, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে, ক্ষীণ হয়ে আসছে। অথবা কোনও এক চোখের দৃষ্টি চলে যাবে। পাশের মানুষ দেখবেন, চোখ বুজে আসছে।

এফ বা ফেস (মুখ): মুখের এক দিক নীচের দিকে ঝুলে পড়বে। অথবা হাসতে গেলে একটি দিক কোনও মতেই নাড়ানো যাবে না।

এ বা আর্মস (হাত): হাত তুলতে গেলে পড়ে যেতে পারে। এক দিকের হাত কোনও মতেই তোলা যাবে না।

এস বা স্পিচ (কথা): অস্পষ্ট হয়ে যাবে কথা। মনের মধ্যে শব্দটা তৈরি হলেও মুখ দিয়ে বেরোবে না ঠিক মতো। সঠিক শব্দ বেছে নিতেও অসুবিধা হতে পারে। গিলতে, চিবোতে অসুবিধা হতে পারে। খাবার খাওয়ার সময়ে মুখ থেকে গড়িয়ে পড়তে পারে।

টি বা টাইম (সময়): উপরের একটি লক্ষণও যদি দেখা দেয়, সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে রোগীকে। ঠিক কোন সময় থেকে উপসর্গগুলি দেখা গিয়েছে, আর তার পর কতখানি সময় পেরিয়ে যাচ্ছে, সবটা মাপতে থাকতে হবে। তবেই সঠিক চিকিৎসা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সময়ের বিষয়ে সুপর্ণ বলছেন, ‘‘লক্ষণ দেখা দেওয়ার পরমুহূর্ত থেকে হাসপাতালে যাওয়ার সময়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। যাকে ইংরেজিতে বলে গোল্ডেন টাইম। অর্থাৎ, যে সময়ের মধ্যে চিকিৎসা শুরু হলে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। তা ছাড়া, বাঁচানো গেলেও অনেক সময়ে জটিলতা থেকে যায়। তাই আমরা বলি যত দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসবেন, ততই কম জটিলতার মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা। আর সেই সময়টি হল, মাত্র ৬০ মিনিট। কিন্তু এ দেশের সুবিধা-অসুবিধার কারণে সেটি প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই সম্প্রতি এই গোল্ডেন টাইমের এই সময়টাকে বাড়িয়ে সাড়ে ৪ ঘণ্টা করা হয় সব দিক বিবেচনা করে। কিন্তু মাথায় রাখা উচিত, দ্রুত উন্নতির জন্য নিউরোরিহ্যাবিলিটেশনটা তাড়াতাড়ি শুরু করে দেওয়া উচিত।’’

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় নগরীর রাজপাড়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় নগরীর রাজপাড়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত