আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পানামার পতাকাবাহী অপরিশোধিত তেলবাহী একটি ট্যাংকারে লিম্পেট মাইন হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবারের এ হামলায় জাহাজটির ইঞ্জিন রুমে আগুন ধরে যায়। তবে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন ট্যাংকারে থাকা ২৭ জন ভারতীয় নাবিক।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আক্রান্ত ট্যাংকারটির নাম ‘এমটি লুইস ১ (MT LOUISE 1)। একটি ছোট নৌকায় করে আসা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা জাহাজটির নিচের অংশে দুটি লিম্পেট মাইন সংযুক্ত করে পালিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ছড়িয়ে পড়ে ইঞ্জিন রুমে। এতে কিছু সময়ের জন্য জাহাজটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে ভারতীয় নাবিকদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া আঞ্চলিক সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালীতে কোনো বাণিজ্যিক জাহাজে সফলভাবে লিম্পেট মাইন ব্যবহারের ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানা গেছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে একই ধরনের হামলার চেষ্টা হলেও বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হয়নি।
এ ঘটনার মাত্র এক দিন আগে একই সমুদ্রপথে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এমটি আরজানাহ’ নামের আরেকটি তেলবাহী ট্যাংকার হামলার শিকার হয়। ওই জাহাজেও দুজন ভারতীয় নাবিক ছিলেন।
ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর ও জাহাজ চলাচলমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল জানিয়েছেন, হামলার শিকার দুটি জাহাজে থাকা মোট ২৯ জন ভারতীয় নাবিকই নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন। তাঁদের কেউ আহত হননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ‘এমটি লুইস ১’ পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, পুরো পরিস্থিতির ওপর ভারত সরকার ও দেশটির দূতাবাস নিবিড় নজর রাখছে। পাশাপাশি জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থার সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করে। ফলে এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরক হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ছোট নৌকার মাধ্যমে বড় বাণিজ্যিক জাহাজে বিস্ফোরক সংযুক্ত করার ঘটনায় নিরাপত্তাঝুঁকি আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আক্রান্ত ট্যাংকারটির নাম ‘এমটি লুইস ১ (MT LOUISE 1)। একটি ছোট নৌকায় করে আসা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা জাহাজটির নিচের অংশে দুটি লিম্পেট মাইন সংযুক্ত করে পালিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ছড়িয়ে পড়ে ইঞ্জিন রুমে। এতে কিছু সময়ের জন্য জাহাজটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে ভারতীয় নাবিকদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া আঞ্চলিক সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালীতে কোনো বাণিজ্যিক জাহাজে সফলভাবে লিম্পেট মাইন ব্যবহারের ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানা গেছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে একই ধরনের হামলার চেষ্টা হলেও বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হয়নি।
এ ঘটনার মাত্র এক দিন আগে একই সমুদ্রপথে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এমটি আরজানাহ’ নামের আরেকটি তেলবাহী ট্যাংকার হামলার শিকার হয়। ওই জাহাজেও দুজন ভারতীয় নাবিক ছিলেন।
ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর ও জাহাজ চলাচলমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল জানিয়েছেন, হামলার শিকার দুটি জাহাজে থাকা মোট ২৯ জন ভারতীয় নাবিকই নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন। তাঁদের কেউ আহত হননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ‘এমটি লুইস ১’ পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, পুরো পরিস্থিতির ওপর ভারত সরকার ও দেশটির দূতাবাস নিবিড় নজর রাখছে। পাশাপাশি জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থার সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করে। ফলে এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরক হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ছোট নৌকার মাধ্যমে বড় বাণিজ্যিক জাহাজে বিস্ফোরক সংযুক্ত করার ঘটনায় নিরাপত্তাঝুঁকি আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক