রাজশাহী মহানগরীর পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন, জলাধার রক্ষা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়নে ‘নগর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা সেবা বিষয়ক কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) নগর ভবনের সরিৎ দত্ত গুপ্ত নগর সভাকক্ষে জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেডের ‘লিভেবল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ সিটিজ ফর অল’ (LIFA) প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি কর্মশালার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক বলেন, রাজশাহী মহানগরীকে আরও আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য নগরবাসীর পরামর্শ নিয়ে নগরীকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। নগর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
জিআইজেডের সঙ্গে রাসিকের দীর্ঘদিনের যৌথ কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি রাজশাহী মহানগরীর উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে জিআইজেডকে নতুন প্রকল্প গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তালাইমারী শহীদ মিনারসংলগ্ন এলাকায় একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় এলাকাটিকে দৃষ্টিনন্দন ও নান্দনিকভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
মাহফুজুর রহমান রিটন আরও বলেন, এ ধরনের কর্মশালা নগর উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মশালার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে নগর উন্নয়ন কার্যক্রমে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
কর্মশালায় LIFA প্রকল্পের আরবান ফরেস্ট্রি অ্যান্ড নার্সারি অ্যাডভাইজার পঞ্চানন কুমার ঢালী, প্রজেক্ট কম্পোনেন্ট ম্যানেজার বিপাশা দত্ত এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ স্পেশালিস্ট হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাডভাইজার মোজাফফর মাহমুদ।
এ সময় রাসিকের সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নূর-ঈ-সাঈদ, বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন ইউনিটের জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন আরজু এবং রাজস্ব কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন খোকন উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ওয়াসা রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর সহকারী পরিচালক মো. কবির হোসেন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সিডিসির নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কর্মশালায় অংশ নেন।
কর্মশালায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকার সার্বিক পরিবেশ সংরক্ষণ, পুকুর ও জলাধার রক্ষা, পার্ক ও খেলার মাঠের উন্নয়ন, নগরায়ণে সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাজশাহীকে আরও বাসযোগ্য, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) নগর ভবনের সরিৎ দত্ত গুপ্ত নগর সভাকক্ষে জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেডের ‘লিভেবল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ সিটিজ ফর অল’ (LIFA) প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি কর্মশালার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক বলেন, রাজশাহী মহানগরীকে আরও আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য নগরবাসীর পরামর্শ নিয়ে নগরীকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। নগর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
জিআইজেডের সঙ্গে রাসিকের দীর্ঘদিনের যৌথ কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি রাজশাহী মহানগরীর উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে জিআইজেডকে নতুন প্রকল্প গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তালাইমারী শহীদ মিনারসংলগ্ন এলাকায় একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় এলাকাটিকে দৃষ্টিনন্দন ও নান্দনিকভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
মাহফুজুর রহমান রিটন আরও বলেন, এ ধরনের কর্মশালা নগর উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মশালার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে নগর উন্নয়ন কার্যক্রমে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
কর্মশালায় LIFA প্রকল্পের আরবান ফরেস্ট্রি অ্যান্ড নার্সারি অ্যাডভাইজার পঞ্চানন কুমার ঢালী, প্রজেক্ট কম্পোনেন্ট ম্যানেজার বিপাশা দত্ত এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ স্পেশালিস্ট হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাডভাইজার মোজাফফর মাহমুদ।
এ সময় রাসিকের সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নূর-ঈ-সাঈদ, বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন ইউনিটের জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন আরজু এবং রাজস্ব কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন খোকন উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ওয়াসা রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর সহকারী পরিচালক মো. কবির হোসেন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সিডিসির নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কর্মশালায় অংশ নেন।
কর্মশালায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকার সার্বিক পরিবেশ সংরক্ষণ, পুকুর ও জলাধার রক্ষা, পার্ক ও খেলার মাঠের উন্নয়ন, নগরায়ণে সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাজশাহীকে আরও বাসযোগ্য, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :