কিশোরগঞ্জে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ১০ বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে হাওর–অধ্যুষিত নিকলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় তার মা ঢাকায় ছিলেন এবং বাবা হাওরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। রাতে শিশুটি তার এক সহপাঠীকে নিয়ে নিজেদের বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিল।
রাত আনুমানিক ১১টার দিকে দরজায় কড়া নাড়লে শিশুটি তার বাবা এসেছেন ভেবে দরজা খুলে দেয়। এ সময় প্রতিবেশী আঙুর মিয়া (৬০) শিশুটির মুখ চেপে ধরে তাকে তুলে নিয়ে নিজের ঘরে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন ওই ব্যক্তি।
এ সময় শিশুটির চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আঙুর মিয়াকে ধরে ফেলেন। খবর পেয়ে নিকলী থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এরপর সোমবার (২৬ অক্টোবর) ধর্ষণের অভিযোগ এনে শিশুটির মা মামলা করলে তাতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পরপরই আঙুর মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন। ওই ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে হাওর–অধ্যুষিত নিকলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় তার মা ঢাকায় ছিলেন এবং বাবা হাওরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। রাতে শিশুটি তার এক সহপাঠীকে নিয়ে নিজেদের বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিল।
রাত আনুমানিক ১১টার দিকে দরজায় কড়া নাড়লে শিশুটি তার বাবা এসেছেন ভেবে দরজা খুলে দেয়। এ সময় প্রতিবেশী আঙুর মিয়া (৬০) শিশুটির মুখ চেপে ধরে তাকে তুলে নিয়ে নিজের ঘরে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন ওই ব্যক্তি।
এ সময় শিশুটির চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আঙুর মিয়াকে ধরে ফেলেন। খবর পেয়ে নিকলী থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এরপর সোমবার (২৬ অক্টোবর) ধর্ষণের অভিযোগ এনে শিশুটির মা মামলা করলে তাতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পরপরই আঙুর মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন। ওই ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক