নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এক তরুণী (১৯) দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর পুলিশ প্রেমিকসহ ৩ যুবককে আটক করেছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটকরা হলেন- উপজেলার কাশিপুর গ্রামের বিল্লাল (২২), হারুন (২৭) ও রুবেল (২৫)। ওই ৩ জন পেশায় ভ্যানচালক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী তরুণী ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই তরুণীর সঙ্গে কেন্দুয়া উপজেলার কাশিপুর গ্রামের বিল্লালের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে শনিবার দিবাগত রাতে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ থেকে কেন্দুয়ায় যান। পরে বিল্লাল ওই তরুণীকে কাশিপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে নিয়ে যান। এ সময় তার দুই বন্ধু হারুণ ও রুবেলকে সেখানে ডেকে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধ হয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে তারা তরুণীকে ফেলে রেখে চলে যান।
এ ঘটনার পর রাতেই থানায় গিয়ে বিল্লালসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী তরুণী। পরে রোববার ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশ। পরে সকালে তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রেকর্ডভুক্ত করা হয়।
কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল সরকার বলেন, ভুক্তভোগী নিজেই বাদী ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আটক তিনজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটকরা হলেন- উপজেলার কাশিপুর গ্রামের বিল্লাল (২২), হারুন (২৭) ও রুবেল (২৫)। ওই ৩ জন পেশায় ভ্যানচালক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী তরুণী ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই তরুণীর সঙ্গে কেন্দুয়া উপজেলার কাশিপুর গ্রামের বিল্লালের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে শনিবার দিবাগত রাতে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ থেকে কেন্দুয়ায় যান। পরে বিল্লাল ওই তরুণীকে কাশিপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে নিয়ে যান। এ সময় তার দুই বন্ধু হারুণ ও রুবেলকে সেখানে ডেকে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধ হয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে তারা তরুণীকে ফেলে রেখে চলে যান।
এ ঘটনার পর রাতেই থানায় গিয়ে বিল্লালসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী তরুণী। পরে রোববার ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশ। পরে সকালে তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রেকর্ডভুক্ত করা হয়।
কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল সরকার বলেন, ভুক্তভোগী নিজেই বাদী ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আটক তিনজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক