‘পেদ্দি’ ছবিতে জাহ্নবী কপূরকে যে ভাবে দেখানো হয়েছে, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। নেটাগরিকের একাংশের মত ছিল, ছবিতে অভিনেত্রী যেন শরীরসর্বস্ব। চলতি বছরের গোড়ায় রাম চরণের সঙ্গে এই ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে বিতর্কে জড়ান অভিনেত্রী নিজেও। দক্ষিণী ছবিতে অভিনেত্রীদের এ ভাবে উপস্থাপনের প্রবণতা নিয়ে পরে সরব হয়েছিলেন বিনোদনজগতের অনেকেই। এ বার সেই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন রশ্মিকা মন্দানা। কর্ণ জোহরের সঞ্চালনায় ‘কফি উইথ কর্ণ’-তে এই প্রসঙ্গে কথা বলেন অভিনেত্রী।
আলোচনায় জাহ্নবীর প্রসঙ্গ তোলেন কর্ণ। রশ্মিকাকে তিনি বলেন, ‘পেদ্দি’ ছবিতে জাহ্নবীকে যে ভাবে দেখানো হয়েছে, তেমন কিছু রশ্মিকার ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। তার পরেই কর্ণ জানতে চান, এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে ছবিতে পোশাক এবং দৃশ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকেন রশ্মিকা? উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, “কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলি নিয়ে আমি স্বচ্ছন্দ নই। কোনও চরিত্রের প্রয়োজনে বিকিনি পরার মতো দৃশ্য থাকতে পারে, সেটা আমি বুঝি। কিন্তু শরীর দেখানো বা খোলামেলা পোশাক পরার বিষয়েও আমি খুব একটা স্বচ্ছন্দ নই। আমি সে রকম মানুষ নই।”
রশ্মিকা আরও জানান, বাণিজ্যিক ছবিতে অভিনয় করতে গিয়েও এমন অনেক পোশাক পরতে হয়, যা তাঁর পছন্দ নয়। তবে নিজের কিছু সীমারেখা রয়েছে, যা তিনি মেনে চলতে চান। অভিনেত্রীর কথায়, “নিজের জন্য কিছু সীমারেখা ঠিক করে রেখেছি। বেশির ভাগ পরিচালকই সেই সীমারেখাকে সম্মান করেন। আমি এমন পরিচালকদের সঙ্গেই কাজ করতে পছন্দ করি।” রশ্মিকার কথা শুনে আলোচনায় যোগ দেন বিজয় দেবরকোন্ডা। তাঁর মতে, কোনও দৃশ্যে আপত্তি থাকলে শিল্পীদের ‘না’ বলার সাহস জোগাতে হবে।
বিজয় বলেন, “অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বোঝানোর প্রয়োজন যে, আপত্তি জানানো বা কোনও বিষয়ে না বলা স্বাভাবিক ব্যাপার। কারণ, অনেক সময় তাঁদের বলা হয়, ‘তুমি অভিনেত্রী, এই ছবিতে অভিনয় করতে রাজি হয়েছ, এটাই তো তোমার কাজ।’ তখন তাঁরা ভাবতে শুরু করেন, তা হলে কি তাঁরা নিজেদের কাজ ঠিক ভাবে করছেন না?”
পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে অনেকেই আর প্রতিবাদ করতে চান না। বরং পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে চান, জানান বিজয়। তাই বাধ্য হয়েই অনেকে অনেক কিছু করে ফেলেন।
আলোচনায় জাহ্নবীর প্রসঙ্গ তোলেন কর্ণ। রশ্মিকাকে তিনি বলেন, ‘পেদ্দি’ ছবিতে জাহ্নবীকে যে ভাবে দেখানো হয়েছে, তেমন কিছু রশ্মিকার ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। তার পরেই কর্ণ জানতে চান, এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে ছবিতে পোশাক এবং দৃশ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকেন রশ্মিকা? উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, “কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলি নিয়ে আমি স্বচ্ছন্দ নই। কোনও চরিত্রের প্রয়োজনে বিকিনি পরার মতো দৃশ্য থাকতে পারে, সেটা আমি বুঝি। কিন্তু শরীর দেখানো বা খোলামেলা পোশাক পরার বিষয়েও আমি খুব একটা স্বচ্ছন্দ নই। আমি সে রকম মানুষ নই।”
রশ্মিকা আরও জানান, বাণিজ্যিক ছবিতে অভিনয় করতে গিয়েও এমন অনেক পোশাক পরতে হয়, যা তাঁর পছন্দ নয়। তবে নিজের কিছু সীমারেখা রয়েছে, যা তিনি মেনে চলতে চান। অভিনেত্রীর কথায়, “নিজের জন্য কিছু সীমারেখা ঠিক করে রেখেছি। বেশির ভাগ পরিচালকই সেই সীমারেখাকে সম্মান করেন। আমি এমন পরিচালকদের সঙ্গেই কাজ করতে পছন্দ করি।” রশ্মিকার কথা শুনে আলোচনায় যোগ দেন বিজয় দেবরকোন্ডা। তাঁর মতে, কোনও দৃশ্যে আপত্তি থাকলে শিল্পীদের ‘না’ বলার সাহস জোগাতে হবে।
বিজয় বলেন, “অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বোঝানোর প্রয়োজন যে, আপত্তি জানানো বা কোনও বিষয়ে না বলা স্বাভাবিক ব্যাপার। কারণ, অনেক সময় তাঁদের বলা হয়, ‘তুমি অভিনেত্রী, এই ছবিতে অভিনয় করতে রাজি হয়েছ, এটাই তো তোমার কাজ।’ তখন তাঁরা ভাবতে শুরু করেন, তা হলে কি তাঁরা নিজেদের কাজ ঠিক ভাবে করছেন না?”
পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে অনেকেই আর প্রতিবাদ করতে চান না। বরং পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে চান, জানান বিজয়। তাই বাধ্য হয়েই অনেকে অনেক কিছু করে ফেলেন।
তামান্না হাবিব নিশু