রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এবার সরাসরি পড়ল সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার প্রযুক্তি সংস্থা ইয়ানডেক্সের একাধিক ডেটা সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ব্যাহত হয়েছে অনলাইন পেমেন্ট, ট্যাক্সি বুকিং, খাবার সরবরাহ ও ক্লাউড স্টোরেজের মতো পরিষেবা। ফলে অ্যাকাউন্টে টাকা থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহার করতে না পেরে সমস্যায় পড়েছেন বহু রুশ নাগরিক।
সেন্ট পিটার্সবার্গের বাসিন্দা ও ব্লগার ইরিনা জানিয়েছেন, পরিষেবা বিপর্যয়ের কারণে চার দিন ধরে বাড়িভাড়া দেওয়া, সন্তানের খাবার কেনা এবং বিদ্যুতের বিল মেটানো নিয়ে সমস্যায় পড়েন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর ইউক্রেনের হামলায় ইয়ানডেক্সের পাঁচটি প্রধান ডেটা সেন্টারের মধ্যে তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর জেরে গ্রাহকদের পাশাপাশি ট্যাক্সিচালকরাও বিপাকে পড়েন। অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং নেওয়া এবং উপার্জনের টাকা তোলার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দেয়। মস্কোর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, পরিস্থিতির পর তিনি ইয়ানডেক্সের পরিষেবা ব্যবহার বন্ধ করার কথা ভাবছেন।
৯ অক্টোবর ইয়ানডেক্স জানায়, ঘটনায় কোনও কর্মী আহত হননি। পরিষেবা স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।
এদিকে, রাশিয়াও ইউক্রেনের ডেটা সেন্টারে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়া ইউক্রেনীয়দের ইন্টারনেট পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চাইছে। পাল্টা হামলার অংশ হিসেবে ইউক্রেন রাশিয়ার প্রযুক্তি পরিকাঠামোয় আঘাত হানছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় স্পষ্ট, আধুনিক যুদ্ধে ডেটা সেন্টারের মতো ডিজিটাল পরিকাঠামোয় হামলার প্রভাব শুধু প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না, তা সরাসরি সাধারণ মানুষের আর্থিক লেনদেন ও দৈনন্দিন জীবনকেও বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।
সেন্ট পিটার্সবার্গের বাসিন্দা ও ব্লগার ইরিনা জানিয়েছেন, পরিষেবা বিপর্যয়ের কারণে চার দিন ধরে বাড়িভাড়া দেওয়া, সন্তানের খাবার কেনা এবং বিদ্যুতের বিল মেটানো নিয়ে সমস্যায় পড়েন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর ইউক্রেনের হামলায় ইয়ানডেক্সের পাঁচটি প্রধান ডেটা সেন্টারের মধ্যে তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর জেরে গ্রাহকদের পাশাপাশি ট্যাক্সিচালকরাও বিপাকে পড়েন। অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং নেওয়া এবং উপার্জনের টাকা তোলার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দেয়। মস্কোর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, পরিস্থিতির পর তিনি ইয়ানডেক্সের পরিষেবা ব্যবহার বন্ধ করার কথা ভাবছেন।
৯ অক্টোবর ইয়ানডেক্স জানায়, ঘটনায় কোনও কর্মী আহত হননি। পরিষেবা স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।
এদিকে, রাশিয়াও ইউক্রেনের ডেটা সেন্টারে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়া ইউক্রেনীয়দের ইন্টারনেট পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চাইছে। পাল্টা হামলার অংশ হিসেবে ইউক্রেন রাশিয়ার প্রযুক্তি পরিকাঠামোয় আঘাত হানছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় স্পষ্ট, আধুনিক যুদ্ধে ডেটা সেন্টারের মতো ডিজিটাল পরিকাঠামোয় হামলার প্রভাব শুধু প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না, তা সরাসরি সাধারণ মানুষের আর্থিক লেনদেন ও দৈনন্দিন জীবনকেও বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক