রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন ও নেশাজাতীয় সিরাপসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বিক্রির নগদ টাকা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন অপরাধে আরও ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান ।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে মাদক কারবারিসহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানে মতিহার থানার তালাইমারী পাওয়ার হাউজপাড়া এলাকা থেকে ছয় গ্রাম গাঁজাসহ শুভ ওরফে সজিবকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাঁচটি ইয়াবা ফেলে সেন্টু (২৯) নামে এক ব্যক্তি পালিয়ে যান। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক ও পেনাল কোডে সাতটি মামলা রয়েছে।
কাশিয়াডাঙ্গা থানার পূর্ব রায়পাড়া এলাকা থেকে দুই গ্রাম হেরোইনসহ আবুল হোসেনকে (৫৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, তিনি পলাতক রজব আলীর সঙ্গে মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। রজব আলীর বিরুদ্ধে ১১টি মাদক মামলা রয়েছে।
শুক্রবার রাতে রাজপাড়া থানার শ্রীরামপুর নদীর ধার থেকে ২০টি ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ৭৫০ টাকাসহ কামাল আলী ওরফে হাবিলকে (২৮) গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে ২৬১ গ্রাম গাঁজাসহ মতিয়ার রহমান ওরফে মতি (৫৫) ও শফিকুল ইসলামকে (৫৪) গ্রেপ্তার করা হয়। শফিকুলের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় দুটি মাদক মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, দামকুড়া থানার বেড়পাড়া এলাকায় ছয় বোতল ব্রনকফ-সি, দুই বোতল মোনোড্রিল ও তিন বোতল ফেয়ারড্রিল সিরাপ ফেলে সুমন আলী (২৭) পালিয়ে যান। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ আরও জানায়, গত ১৬ অক্টোবর বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার হওয়া ১৫ জনের মধ্যে পাঁচজন ওয়ারেন্টভুক্ত, চারজন মাদক মামলার আসামি এবং ছয়জন অন্যান্য মামলার আসামি।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে।
শনিবার সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান ।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে মাদক কারবারিসহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানে মতিহার থানার তালাইমারী পাওয়ার হাউজপাড়া এলাকা থেকে ছয় গ্রাম গাঁজাসহ শুভ ওরফে সজিবকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাঁচটি ইয়াবা ফেলে সেন্টু (২৯) নামে এক ব্যক্তি পালিয়ে যান। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক ও পেনাল কোডে সাতটি মামলা রয়েছে।
কাশিয়াডাঙ্গা থানার পূর্ব রায়পাড়া এলাকা থেকে দুই গ্রাম হেরোইনসহ আবুল হোসেনকে (৫৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, তিনি পলাতক রজব আলীর সঙ্গে মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। রজব আলীর বিরুদ্ধে ১১টি মাদক মামলা রয়েছে।
শুক্রবার রাতে রাজপাড়া থানার শ্রীরামপুর নদীর ধার থেকে ২০টি ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ৭৫০ টাকাসহ কামাল আলী ওরফে হাবিলকে (২৮) গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে ২৬১ গ্রাম গাঁজাসহ মতিয়ার রহমান ওরফে মতি (৫৫) ও শফিকুল ইসলামকে (৫৪) গ্রেপ্তার করা হয়। শফিকুলের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় দুটি মাদক মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, দামকুড়া থানার বেড়পাড়া এলাকায় ছয় বোতল ব্রনকফ-সি, দুই বোতল মোনোড্রিল ও তিন বোতল ফেয়ারড্রিল সিরাপ ফেলে সুমন আলী (২৭) পালিয়ে যান। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ আরও জানায়, গত ১৬ অক্টোবর বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার হওয়া ১৫ জনের মধ্যে পাঁচজন ওয়ারেন্টভুক্ত, চারজন মাদক মামলার আসামি এবং ছয়জন অন্যান্য মামলার আসামি।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে।
শনিবার সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :