ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ , ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহী সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ নন্দীগ্রামে দুই সন্তান রেখে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও রুয়েটে জঙ্গল থেকে উদ্ধারকৃত সাইকেল প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলেন আনসার সদস্য প্রধান শিক্ষিকা রনজিলা পারভীন হত্যা মামলায় মোটরসাইকেলের মালিক রাকিবের জামিন সৌদিতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ২ ক্রুর মৃত্যু ফ্রান্সজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ পুলিশে বড় রদবদল, ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি বড়াইগ্রামে স্কুল মাঠে মদের বোতল হাতে শিক্ষার্থীদের নাচ, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও সরাইলে ওয়াজে যাওয়ার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গেলেন ৬ জন ত্বক থেকে চুল, নিম গাছের যত উপকারিতা মেয়ের ঘরে কিশোরকে ধরে বেধড়ক পিটিয়ে জামায়াত নেতা বললেন একটু শাসন করেছি বেড়া দিয়ে প্রবাসী স্ত্রীর বাড়িকে ‘কবরস্থান ঘোষণা’ জামায়াত নেতার মোবাইল ও সিম বদলে আত্মগোপনে ছিলেন আমিনী, অতঃপর... জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী মোহনপুরে বিভাগীয় কমিশনারের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হাল্ট প্রাইজের কার্যক্রম শুরু, প্রথম উদ্যোগ মিশন জিরোবাইট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফর ঘিরে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার মিছিল গুজরাটে স্কুলের ক্লাসরুমে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষক চলনবিলের শাপলা-ঢ্যাপ বিক্রিতে সংসার চলে আব্দুল আলিমের রাণীনগরে ইটের দেয়াল কেটে কিটনাশক দোকানের মালামাল চুরি

আগে কাঞ্চন আমার সাজের প্রশংসা করত, এখন মেয়ে করে: শ্রীময়ী

  • আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৬ ০৬:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৬ ০৬:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন
আগে কাঞ্চন আমার সাজের প্রশংসা করত, এখন মেয়ে করে: শ্রীময়ী আগে কাঞ্চন আমার সাজের প্রশংসা করত, এখন মেয়ে করে: শ্রীময়ী
ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। উৎসবের আবহে মেতে গোটা বাংলা। দুর্গাপুজোর আনন্দে কোনও খামতি রাখতে নারাজ বাঙালি। তারকারাও এই কয়েক দিন মেতে ওঠেন আনন্দে। কাজের পাশাপাশি পরিবার, বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতে ভালবাসেন তাঁরাও। তারকাদম্পতি কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের কাছে এই বছরের পুজো খুব স্পেশ্যাল। মেয়ে কৃষভিকে নিয়ে তো আগের বছরেও ঘুরেছেন তাঁরা। এ বার রয়েছে ছেলে কৃষভিও। তাই আনন্দও দ্বিগুণ!

একরত্তি ছেলের কথা হতেই শ্রীময়ী-কাঞ্চন একই স্বরে বলে ওঠেন, ‘‘গদাইয়ের বয়স দু’মাস। ওকে নিয়ে বেরোনো যাবে না।’’। কাঞ্চন যোগ করেন, ‘‘তবে আমাদের মেয়ে ঠাকুর দেখতে খুব ভালবাসে। ওকে প্যান্ডেলেও নিয়ে গিয়েছি, কাঁধে চড়িয়ে ঠাকুরও দেখিয়েছি আগের বছর।” শ্রীময়ী বলেন, ‘‘আমার দেশের বাড়িতে পুজো হয়। বাড়ির সকলে মুখে কাপড় বেঁধে ভোগ রান্না করেন। মিউজ়িক্যাল চেয়ার খেলা হয়। সিঁদুর খেলা, ভাসানের সময়ে নাচ— সব মিলিয়ে দারুণ কাটে। আগের বছর মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলাম। এ বছরও এক দিন নিয়ে যাব, দারুণ কাটবে আশা করি।’’

কাঞ্চন বলেন, ‘‘ছোটবেলায় পুজোর সময় অপেক্ষা করে থাকতাম, কোন মামা বা কোন কাকা কী জামা দেবে। দেখতাম ১০টা জামা হচ্ছে কি না। দক্ষিণ কলকাতায় মায়ের হাত ধরে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরতাম আর মোগলাই পরোটা দিয়ে কষা মাংস খেতাম। এই ছিল আমার আনন্দ। এরপর যখন নিজে পাড়ার পুজোর সঙ্গে যুক্ত হলাম, তখন আলাদাই উচ্ছ্বাস। গলায় ক্লাবের নাম লেখা কার্ড ঝুলিয়ে ভলান্টিয়ার হয়ে ভিড় সামলানোর মধ্যে একটা অন্য রকমের মজা ছিল।’’ পুজোয় প্রেম হয়েছে কখনও? কাঞ্চন সঙ্গে সঙ্গে বলেন, ‘‘কেউ আমার প্রেমে পড়েনি কোনও দিন, কেউ না। কেউ না মানে কেউ-ই না। দশমীর দিন প্রণাম করা, কোলাকুলি করা— আহা কী সব দিন কেটেছে! ওই দিন আবার এখন খুব স্পেশ্যাল হয়েছে, বিশেষ করে শ্রীময়ীর জন্য। সিঁদুর খেলতে না পারলে কথা বন্ধ রাখে!’’

শ্রীময়ীর আবার ছোটবেলায় পুজো কেটেছে খানিক কঠোর ভাবেই। তাঁর রাত জেগে ঠাকুর দেখার সুযোগ ছিল না। শ্রীময়ী বলেন, ‘‘বাবার সঙ্গে একদিনই সারা রাত ঘুরতে যেতাম। আমি বন্ধুদের হয়ে প্রেমের চিঠি বিলোতাম। চতুর্থীতে প্রেম হত, আর দশমীতে কেটে যেত। আমি উত্তর কলকাতায় থাকতাম। পুজোয় কেউ দেখে নেবে ভেবে আমি আর প্রেম করার ঝুঁকি নিইনি। আর আমার খুব পছন্দের নাগরদোলা, মেলায় গিয়ে সেটা চড়তাম।” কথা থামিয়েই কাঞ্চন বলেন ‘‘আমার কাছে নাগরদোলা মানে ‘ট্রমা’। একবার একজন কাকিমাকে চেপে ধরেছিলাম ভয়ে, একটুর জন্য চড় খাওয়া থেকে বেঁচেছি।’’

শ্রীময়ীর পছন্দের দিন দশমী। কারণ সিঁদুরখেলা তাঁর বড্ড প্রিয়। শ্রীময়ী বলেন, ‘‘আমি সিঁদুর খেলতে খুব ভালবাসি। বিয়ের পর তা আরও প্রিয় হয়েছে। আগে তো ফোটোশুট করার জন্য খেলতাম। এখন আমি মনে করি, শাঁখা-পলা আর সিঁদুর যে কোনও নারীর শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার। আগে কাঞ্চন আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করত, এখন অবশ্য মেয়ে করে।’’

শ্রীময়ীর কাছে পুজো মানেই ‘নো ডায়েট’। তিনি বলতে থাকেন,‘‘আমরা চতুর্থী থেকে রেস্তরাঁয় খাই। পোলাও-মটন তো অবশ্যই থাকে তালিকায়, শুধু অষ্টমীর দিন নিরামিষ খাই। তাই খিচুড়ি ভোগ আর তার সঙ্গে লাবড়া থাকতেই হবে।” দশমীর কথায় কাঞ্চন বলেন, ‘‘আমার দশমীর দিন মনটা খারাপ হয়ে যায়, কারণ, আমি ৩৬৫ দিন অপেক্ষা করি পুজোর জন্য। দশমীর রেশ কাটতে না কাটতেই আবার দিন গুনি পরের বছর পুজোর। এ বারেও তার অন্যথা হবে না।”

নিউজটি আপডেট করেছেন : md.masudrana2008@gmail.com

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রুয়েটে জঙ্গল থেকে উদ্ধারকৃত সাইকেল প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলেন আনসার সদস্য

রুয়েটে জঙ্গল থেকে উদ্ধারকৃত সাইকেল প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলেন আনসার সদস্য