নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুলিশকে হুমকি দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিন মামলার আসামি ও ফেনী সরকারি কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পুলিশের উদ্দেশে হুমকিমূলক ওই পোস্ট দেন তিনি। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযানের সময় ঘরের দরজার তালা ভাঙার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেওয়া পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুক পোস্টে কোম্পানীগঞ্জ থানার সদ্যবিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিমের তাৎক্ষণিক বদলির প্রসঙ্গ তুলে আতিকুর প্রশ্ন করেন, ‘বদলি কি সব সমস্যার সমাধান?’
পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, তিন হিন্দু সাবেক ছাত্রলীগ নেতার সমন্বিত নেতৃত্বে তার বাড়িতে ‘ন্যক্কারজনক হামলা’ হয়েছে। তিনি তিনজন হিসেবে উত্তম কুমার, এসআই সুমন ও এসআই বিজয়ের নাম উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আলমের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন আতিকুর। একপর্যায়ে পুলিশের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘তোদের (পুলিশের) জান কালাকালা করি দিমু দাঁড়া।’
জানা গেছে, গত শনিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি নুরুল হাকিম ও পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আলমের নেতৃত্বে পরোয়ানাভুক্ত আসামি আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান বলে পুলিশ জানায়।
অভিযানের সময় তার ঘরের দরজার তালা ভাঙার অভিযোগ তুলে রোববার রাতে চরপার্বতী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
এ বিষয়ে আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ও আলমারি ভেঙে ফেলে। তার দাবি, আওয়ামী লীগ আমলে তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো করা হয়েছিল এবং ২০২৩ ও ২০২৪ সালে তিনি এসব মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন। তবে মামলাগুলোর নকল নেওয়া হয়নি। সোমবার তিনি মামলাগুলোর নকল সংগ্রহ করে থানায় জমা দিয়েছেন বলেও জানান।
অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার সদ্যবিদায়ী ওসি নুরুল হাকিম বলেন, ঘরের দরজা ও আলমারি ভাঙার অভিযোগ সত্য নয়। এটি তাদের সাজানো অভিযোগ। আতিকুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্যই নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সেখানে অভিযান চালানো হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পুলিশের উদ্দেশে হুমকিমূলক ওই পোস্ট দেন তিনি। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযানের সময় ঘরের দরজার তালা ভাঙার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেওয়া পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুক পোস্টে কোম্পানীগঞ্জ থানার সদ্যবিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিমের তাৎক্ষণিক বদলির প্রসঙ্গ তুলে আতিকুর প্রশ্ন করেন, ‘বদলি কি সব সমস্যার সমাধান?’
পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, তিন হিন্দু সাবেক ছাত্রলীগ নেতার সমন্বিত নেতৃত্বে তার বাড়িতে ‘ন্যক্কারজনক হামলা’ হয়েছে। তিনি তিনজন হিসেবে উত্তম কুমার, এসআই সুমন ও এসআই বিজয়ের নাম উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আলমের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন আতিকুর। একপর্যায়ে পুলিশের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘তোদের (পুলিশের) জান কালাকালা করি দিমু দাঁড়া।’
জানা গেছে, গত শনিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি নুরুল হাকিম ও পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আলমের নেতৃত্বে পরোয়ানাভুক্ত আসামি আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান বলে পুলিশ জানায়।
অভিযানের সময় তার ঘরের দরজার তালা ভাঙার অভিযোগ তুলে রোববার রাতে চরপার্বতী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
এ বিষয়ে আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ও আলমারি ভেঙে ফেলে। তার দাবি, আওয়ামী লীগ আমলে তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো করা হয়েছিল এবং ২০২৩ ও ২০২৪ সালে তিনি এসব মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন। তবে মামলাগুলোর নকল নেওয়া হয়নি। সোমবার তিনি মামলাগুলোর নকল সংগ্রহ করে থানায় জমা দিয়েছেন বলেও জানান।
অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার সদ্যবিদায়ী ওসি নুরুল হাকিম বলেন, ঘরের দরজা ও আলমারি ভাঙার অভিযোগ সত্য নয়। এটি তাদের সাজানো অভিযোগ। আতিকুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্যই নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সেখানে অভিযান চালানো হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক