রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা থেকে বদলি হয়ে বিদায় নিলেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা থেকে বদলি হয়ে বিদায় নিলেনসহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ সুমিত।
ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা, দালালমুক্ত পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘মানবতা ফেরিওয়ালা’ হিসেবে।
প্রায় ১৪ মাস পুঠিয়ায় দায়িত্ব পালনের পর পদোন্নতিজনিত বদলিতে ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় তিনি কর্মস্থল ছাড়েন। ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে পুঠিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
দায়িত্ব নেওয়ার পর ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা মানুষের হয়রানি কমানো, দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সেবা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন শিবু দাশ। ভূমি সেবার ডিজিটাল ব্যবস্থার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান।
তবে তাঁর পরিচিতি শুধু ভূমি অফিসকেন্দ্রিক ছিল না। পুঠিয়ার বিভিন্ন এলাকায় দুর্যোগ, বিপদ কিংবা অসহায় মানুষের প্রয়োজনের সময়ে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক সহায়তামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তাঁকে দেখা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দাপ্তরিক প্রয়োজনের বাইরে কোনো সমস্যায় পড়লেও অনেকে তাঁর কাছে সহযোগিতা চাইতেন। তাঁদের মতে, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাধারণ মানুষের প্রতি সহমর্মিতার যে সমন্বয় তাঁরা দেখতে চেয়েছেন, শিবু দাশের কর্মকাণ্ডে তার প্রতিফলন পেয়েছেন।
তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে এবং অনলাইন জুয়া বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অভিযানে সক্রিয় ছিলেন তিনি। মাদক বিক্রি, সেবন ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের কারণে অপরাধীদের কাছে তিনি ছিলেন কঠোর কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত।
বিদায়বেলায় আবেগাপ্লুত শিবু দাশ সুমিত বলেন, সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী এক কর্মস্থল থেকে অন্যত্র যেতে হয়। তবে কর্মস্থল বদল হলেও মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ও স্মৃতি থেকে যায়।
তিনি বলেন, ‘পুঠিয়ায় দায়িত্ব পালনের সময় সাধারণ মানুষকে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ডিজিটাল ভূমিসেবার সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখাই ছিল আমার অন্যতম লক্ষ্য। কতটা সফল হয়েছি, তার বিচার করবেন পুঠিয়ার মানুষ।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুঠিয়াকে আমি আমার পরিবারের মতো মনে করেছি। জাতি, ধর্ম, বর্ণের পার্থক্য না করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমি যেখানে থাকি না কেন, পুঠিয়ার মানুষের ভালোবাসা ও এখানকার স্মৃতি আমার হৃদয়ে থাকবে।’
স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর নতুন কর্মস্থলে সাফল্য কামনা করে বলেন, একজন কর্মকর্তা চলে গেলেও তাঁর ভালো কাজের স্মৃতি মানুষের মনে থেকে যায়। তাঁদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও শিবু দাশের মতো কর্মকর্তারা সরকারি সেবাকে আরও মানবিক ও জনবান্ধব করে তুলবেন।
ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা, দালালমুক্ত পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘মানবতা ফেরিওয়ালা’ হিসেবে।
প্রায় ১৪ মাস পুঠিয়ায় দায়িত্ব পালনের পর পদোন্নতিজনিত বদলিতে ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় তিনি কর্মস্থল ছাড়েন। ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে পুঠিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
দায়িত্ব নেওয়ার পর ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা মানুষের হয়রানি কমানো, দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সেবা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন শিবু দাশ। ভূমি সেবার ডিজিটাল ব্যবস্থার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান।
তবে তাঁর পরিচিতি শুধু ভূমি অফিসকেন্দ্রিক ছিল না। পুঠিয়ার বিভিন্ন এলাকায় দুর্যোগ, বিপদ কিংবা অসহায় মানুষের প্রয়োজনের সময়ে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক সহায়তামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তাঁকে দেখা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দাপ্তরিক প্রয়োজনের বাইরে কোনো সমস্যায় পড়লেও অনেকে তাঁর কাছে সহযোগিতা চাইতেন। তাঁদের মতে, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাধারণ মানুষের প্রতি সহমর্মিতার যে সমন্বয় তাঁরা দেখতে চেয়েছেন, শিবু দাশের কর্মকাণ্ডে তার প্রতিফলন পেয়েছেন।
তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে এবং অনলাইন জুয়া বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অভিযানে সক্রিয় ছিলেন তিনি। মাদক বিক্রি, সেবন ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের কারণে অপরাধীদের কাছে তিনি ছিলেন কঠোর কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত।
বিদায়বেলায় আবেগাপ্লুত শিবু দাশ সুমিত বলেন, সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী এক কর্মস্থল থেকে অন্যত্র যেতে হয়। তবে কর্মস্থল বদল হলেও মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ও স্মৃতি থেকে যায়।
তিনি বলেন, ‘পুঠিয়ায় দায়িত্ব পালনের সময় সাধারণ মানুষকে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ডিজিটাল ভূমিসেবার সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখাই ছিল আমার অন্যতম লক্ষ্য। কতটা সফল হয়েছি, তার বিচার করবেন পুঠিয়ার মানুষ।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুঠিয়াকে আমি আমার পরিবারের মতো মনে করেছি। জাতি, ধর্ম, বর্ণের পার্থক্য না করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমি যেখানে থাকি না কেন, পুঠিয়ার মানুষের ভালোবাসা ও এখানকার স্মৃতি আমার হৃদয়ে থাকবে।’
স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর নতুন কর্মস্থলে সাফল্য কামনা করে বলেন, একজন কর্মকর্তা চলে গেলেও তাঁর ভালো কাজের স্মৃতি মানুষের মনে থেকে যায়। তাঁদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও শিবু দাশের মতো কর্মকর্তারা সরকারি সেবাকে আরও মানবিক ও জনবান্ধব করে তুলবেন।