নওগাঁর আত্রাইয়ে ছাগলে সিমগাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে মিম হোসেন (১৯) নামের এক যুবকের কিল-ঘুষিতে ইয়াছিন মন্ডল (৮০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মধুগুড়নই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ইয়াছিন মন্ডল ওই গ্রামের গরিবুল্লা মন্ডলের ছেলে।
খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের ছেলে সারোয়ার হোসেন জানান, সকালে পরিবারের সদস্যরা আহসানগঞ্জ বাজারে ছিলেন। এ সময় একই গ্রামের রহিদুল ইসলামের ছেলে মিম হোসেনের ছাগল তাদের সিমগাছের পাতা খাচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে মিম হোসেনের সঙ্গে তার বাবার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মিম হোসেন তার বাবাকে কিল-ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেন।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ইয়াছিন মন্ডলকে উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সারোয়ার হোসেনের দাবি, মিম হোসেন তার বাবার বুকে জোরে আঘাত করে কিল-ঘুষি মারায় তিনি মারা যান। তিনি এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ খায়রুল আলম বলেন, বৃদ্ধকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে দৃশ্যমান আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের ছেলে সারোয়ার হোসেন জানান, সকালে পরিবারের সদস্যরা আহসানগঞ্জ বাজারে ছিলেন। এ সময় একই গ্রামের রহিদুল ইসলামের ছেলে মিম হোসেনের ছাগল তাদের সিমগাছের পাতা খাচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে মিম হোসেনের সঙ্গে তার বাবার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মিম হোসেন তার বাবাকে কিল-ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেন।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ইয়াছিন মন্ডলকে উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সারোয়ার হোসেনের দাবি, মিম হোসেন তার বাবার বুকে জোরে আঘাত করে কিল-ঘুষি মারায় তিনি মারা যান। তিনি এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ খায়রুল আলম বলেন, বৃদ্ধকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে দৃশ্যমান আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কাজি আনিসুর রহমান (রাণীনগর (নওগাঁ)