চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ১৯টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের খাকসাপাড়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার করা ককটেলগুলো একটি কালো বালতির ভেতর খড়ের স্তূপের নিচে রাখা ছিল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান (পিএসসি) জানান, রঘুনাথপুর সীমান্ত থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুর্লভপুর ইউনিয়নের খাকসাপাড়া গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে আবুল কালামের বাড়ির সামনে খড়ের স্তূপে ককটেল রাখা হয়েছে—এমন গোয়েন্দা তথ্য পায় বিজিবি।
পরে বিষয়টি শিবগঞ্জ থানা পুলিশকে জানিয়ে ওই এলাকা ঘিরে রাখা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে খড়ের স্তূপের নিচে থাকা একটি কালো বালতির ভেতর থেকে ১৯টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, উদ্ধার করা ককটেলগুলো প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে শিবগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
বিজিবি অধিনায়ক আরও বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের খাকসাপাড়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার করা ককটেলগুলো একটি কালো বালতির ভেতর খড়ের স্তূপের নিচে রাখা ছিল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান (পিএসসি) জানান, রঘুনাথপুর সীমান্ত থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুর্লভপুর ইউনিয়নের খাকসাপাড়া গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে আবুল কালামের বাড়ির সামনে খড়ের স্তূপে ককটেল রাখা হয়েছে—এমন গোয়েন্দা তথ্য পায় বিজিবি।
পরে বিষয়টি শিবগঞ্জ থানা পুলিশকে জানিয়ে ওই এলাকা ঘিরে রাখা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে খড়ের স্তূপের নিচে থাকা একটি কালো বালতির ভেতর থেকে ১৯টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, উদ্ধার করা ককটেলগুলো প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে শিবগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
বিজিবি অধিনায়ক আরও বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক