প্রায় তিন মাস ধরে নিখোঁজ মানসিকভাবে অসুস্থ স্ত্রীকে পথে পথে খুঁজেছেন স্বামী। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, মাজার থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি—কোথাও বাদ রাখেননি। অবশেষে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর সূত্র ধরে সন্ধান মিলল সেই স্ত্রীর। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রিয় মানুষটিকে ফিরে পেয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বামী। আবেগঘন এ দৃশ্য ছুঁয়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের হৃদয়।
মানবিক এ ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায়। প্রায় তিন মাস আগে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ওই নারী। এরপর স্ত্রীকে খুঁজতে বিভিন্ন স্থানে ছুটে বেড়ালেও দীর্ঘদিন তার কোনো সন্ধান পাননি স্বামী।
এদিকে নিজের নাম-ঠিকানাও ভুলে যাওয়া ওই নারী দিন কাটাচ্ছিলেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের রাস্তার পাশে। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ক্ষুধার্ত অবস্থায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।
এ সময় তার পাশে দাঁড়ান স্থানীয় ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘ভয়েস অব রবিউল ভাই’। নারীর অসহায় অবস্থার চিত্র তুলে ধরে একটি ভিডিও তৈরি করে ফেসবুকে প্রকাশ করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার একপর্যায়ে সেটি ওই নারীর স্বামীর মোবাইল ফোনে পৌঁছে যায়। ভিডিও দেখেই স্ত্রীকে চিনতে পারেন তিনি। পরে পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করে দ্রুত সেখানে ছুটে যান।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর স্ত্রীকে খুঁজে পান তিনি। প্রায় তিন মাস পর প্রিয় মানুষটিকে সামনে পেয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি স্বামী। স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। স্বামীকে দেখেও ওই নারী তাকে চিনতে পারেন।
দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর এমন আবেগঘন পুনর্মিলনের দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরাও। স্ত্রীকে ফিরে পেয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান স্বামী।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর রবিউল হক বলেন, রাস্তার পাশে ওই নারীকে অসহায় অবস্থায় দেখে তার খুব কষ্ট হয়। তখনই তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই উদ্দেশ্যে ভিডিওটি তৈরি করে ফেসবুকে প্রকাশ করেন তিনি।
রবিউল হক বলেন, ‘অবশেষে গত মঙ্গলবার তার স্বামী এসে তাকে নিয়ে যান। সেই মুহূর্তটি আমার জন্য সত্যিই আবেগঘন ও স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমিও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। একজন অসহায় মানুষকে তার আপনজনদের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি, এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।’
এদিকে ওই নারীর স্বামী গণমাধ্যমের কাছে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
মানবিক এ ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায়। প্রায় তিন মাস আগে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ওই নারী। এরপর স্ত্রীকে খুঁজতে বিভিন্ন স্থানে ছুটে বেড়ালেও দীর্ঘদিন তার কোনো সন্ধান পাননি স্বামী।
এদিকে নিজের নাম-ঠিকানাও ভুলে যাওয়া ওই নারী দিন কাটাচ্ছিলেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের রাস্তার পাশে। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ক্ষুধার্ত অবস্থায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।
এ সময় তার পাশে দাঁড়ান স্থানীয় ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘ভয়েস অব রবিউল ভাই’। নারীর অসহায় অবস্থার চিত্র তুলে ধরে একটি ভিডিও তৈরি করে ফেসবুকে প্রকাশ করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার একপর্যায়ে সেটি ওই নারীর স্বামীর মোবাইল ফোনে পৌঁছে যায়। ভিডিও দেখেই স্ত্রীকে চিনতে পারেন তিনি। পরে পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করে দ্রুত সেখানে ছুটে যান।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর স্ত্রীকে খুঁজে পান তিনি। প্রায় তিন মাস পর প্রিয় মানুষটিকে সামনে পেয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি স্বামী। স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। স্বামীকে দেখেও ওই নারী তাকে চিনতে পারেন।
দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর এমন আবেগঘন পুনর্মিলনের দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরাও। স্ত্রীকে ফিরে পেয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান স্বামী।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর রবিউল হক বলেন, রাস্তার পাশে ওই নারীকে অসহায় অবস্থায় দেখে তার খুব কষ্ট হয়। তখনই তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই উদ্দেশ্যে ভিডিওটি তৈরি করে ফেসবুকে প্রকাশ করেন তিনি।
রবিউল হক বলেন, ‘অবশেষে গত মঙ্গলবার তার স্বামী এসে তাকে নিয়ে যান। সেই মুহূর্তটি আমার জন্য সত্যিই আবেগঘন ও স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমিও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। একজন অসহায় মানুষকে তার আপনজনদের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি, এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।’
এদিকে ওই নারীর স্বামী গণমাধ্যমের কাছে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
অনলাইন ডেস্ক