শরীয়তপুরের জাজিরায় এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে এক কিশোরকে কান ধরে উঠবস করানোর পর মাথা ন্যাড়া করে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের বড় কৃষ্ণ নগর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ছিল এক কিশোরের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি বিষয়টি ভুক্তভোগী ছাত্রী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রাজ্জাক মাদবরকে জানায়। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেন।
মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্ত কিশোর বিদ্যালয়ের গেটের সামনে গেলে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পরে রাজ্জাক মাদবরের নেতৃত্বে ওই কিশোরকে কান ধরে উঠবস করানো হয়। একপর্যায়ে তার মাথা ন্যাড়া করে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে উত্ত্যক্তের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রাজ্জাক মাদবর বলেন, এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর ওই কিশোরকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাকে কান ধরে উঠবস করানো হয় এবং মাথা ন্যাড়া করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে স্থানীয়ভাবে শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অভিযুক্ত কিশোর ও ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছে।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ্ আহাম্মদ বলেন, তিনি এ বিষয়ে এখনও অবগত নন। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের বড় কৃষ্ণ নগর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ছিল এক কিশোরের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি বিষয়টি ভুক্তভোগী ছাত্রী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রাজ্জাক মাদবরকে জানায়। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেন।
মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্ত কিশোর বিদ্যালয়ের গেটের সামনে গেলে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পরে রাজ্জাক মাদবরের নেতৃত্বে ওই কিশোরকে কান ধরে উঠবস করানো হয়। একপর্যায়ে তার মাথা ন্যাড়া করে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে উত্ত্যক্তের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রাজ্জাক মাদবর বলেন, এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর ওই কিশোরকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাকে কান ধরে উঠবস করানো হয় এবং মাথা ন্যাড়া করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে স্থানীয়ভাবে শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অভিযুক্ত কিশোর ও ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছে।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ্ আহাম্মদ বলেন, তিনি এ বিষয়ে এখনও অবগত নন। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক