সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় গরু চুরি বেড়ে যাওয়ায় সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সংযোগস্থলে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে চেকপোস্ট বসিয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্বেচ্ছাসেবী গ্রামবাসী ও গ্রাম পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত এ পাহারায় সহায়তা করছে পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি দুই উপজেলায় গরু চোরদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। গত কয়েকদিনের ব্যবধানে কৃষকদের গোয়ালঘর থেকে প্রায় অর্ধশত গরু চুরি হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে গরু চুরি ঠেকাতে নিজেরাই রাত জেগে পাহারার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।
পাহারাদাররা জানান, চোরেরা যাতে গরু চুরি করে সহজে যানবাহনে তুলে নিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। রাতভর এসব চেকপোস্টে পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন স্থানীয়রা। সন্দেহজনক যানবাহন ও ব্যক্তিদের চলাচলও নজরদারি করা হচ্ছে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, গরু চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় নাগরিকদেরও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের উদ্যোগে ‘বাঁশকল’ চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, থানায় সীমিতসংখ্যক কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য থাকলেও স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় রাতের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ১২টি পয়েন্টে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। গ্রামবাসী ও গ্রাম পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত পাহারায় থানা পুলিশও সহায়তা করছে।
তার দাবি, এ পদ্ধতি চালুর পর এরই মধ্যে গরু চুরির ঘটনা কমে এসেছে।
এদিকে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান পাহারা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু। এ সময় তিনি চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পাহারা কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন।
পরে দায়িত্ব পালনকারীদের উৎসাহিত করতে তাদের মধ্যে বাঁশি ও টর্চলাইট উপহার দেন পুলিশ সুপার।
পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় গরু চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সংযোগস্থলে ‘বাঁশকল’ চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে স্থাপিত এসব চেকপোস্টে পুলিশের পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা প্রতি রাতে পাহারা ও নজরদারি করছেন। এতে অপরাধ কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি দুই উপজেলায় গরু চোরদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। গত কয়েকদিনের ব্যবধানে কৃষকদের গোয়ালঘর থেকে প্রায় অর্ধশত গরু চুরি হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে গরু চুরি ঠেকাতে নিজেরাই রাত জেগে পাহারার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।
পাহারাদাররা জানান, চোরেরা যাতে গরু চুরি করে সহজে যানবাহনে তুলে নিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। রাতভর এসব চেকপোস্টে পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন স্থানীয়রা। সন্দেহজনক যানবাহন ও ব্যক্তিদের চলাচলও নজরদারি করা হচ্ছে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, গরু চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় নাগরিকদেরও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের উদ্যোগে ‘বাঁশকল’ চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, থানায় সীমিতসংখ্যক কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য থাকলেও স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় রাতের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ১২টি পয়েন্টে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। গ্রামবাসী ও গ্রাম পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত পাহারায় থানা পুলিশও সহায়তা করছে।
তার দাবি, এ পদ্ধতি চালুর পর এরই মধ্যে গরু চুরির ঘটনা কমে এসেছে।
এদিকে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান পাহারা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু। এ সময় তিনি চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পাহারা কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন।
পরে দায়িত্ব পালনকারীদের উৎসাহিত করতে তাদের মধ্যে বাঁশি ও টর্চলাইট উপহার দেন পুলিশ সুপার।
পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় গরু চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সংযোগস্থলে ‘বাঁশকল’ চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে স্থাপিত এসব চেকপোস্টে পুলিশের পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা প্রতি রাতে পাহারা ও নজরদারি করছেন। এতে অপরাধ কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনলাইন ডেস্ক