কন্যাদিবস উপলক্ষে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন অভিনেত্রী কৃতি সেনন। রোজের জীবনে মহিলাদের যে নানা ধরনের নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, সেই বিষয়টিই তুলে ধরেছেন তিনি। রাতের বেলা হয়তো কোনও মেয়ে বাড়িতে ফোন করে জানাচ্ছে যে, একদল পুরুষ তাকে অনুসরণ করছে! তখন? এমনই এক পরিস্থিতির উদাহরণ দিলেন তিনি।
রাতে একা বাড়ি ফেরার সময় মহিলারা যে ভয় এবং উদ্বেগের মধ্যে থাকেন, সেই বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছেন কৃতি। একা হাঁটার সময় বারবার পিছনে ফিরে তাকানো, নিরাপদে বাড়ি পৌঁছোতে পারবেন কি না তা নিয়ে চিন্তা করা— এই অভিজ্ঞতাগুলির কথাই তুলে ধরেছেন তিনি। এমনকি বাড়ি ফেরার পথে ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেলেও একা যাতায়াত করা মহিলাদের উদ্বেগ বেড়ে যায় বলে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী।
কৃতির মতে, কন্যাদিবস তখনই সার্থক হবে, যখন মহিলারা রাতে একা বাড়ি ফিরতে পারবেন, অন্ধকার নামার পরেও পার্কে বসতে পারবেন, নিজেদের পছন্দের পোশাক পরতে পারবেন এবং কোনও ভয় ছাড়াই গণপরিবহণ ব্যবহার করতে পারবেন। তিনি লিখেছেন, “যে দিন কোনও মেয়ে কোনও প্রকাশ্য জায়গায় শুধুমাত্র নিজের মতো করে থাকতে পারবে, তাকে আর এই হিসাব কষতে হবে না যে, সে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে কি না, সে দিনই আমাদের ‘কন্যাদিবস’ উদ্যাপন করা উচিত।”
কৃতি আশা প্রকাশ করেছেন, একদিন এমন একটি পৃথিবী তৈরি হবে, যখন কোনও মেয়ে একা যাতায়াত করার সময় শুধু অন্যদের আশ্বস্ত করার জন্য বাড়িতে ফোন বা মেসেজ করতে বাধ্য হবে না। বার্তার শেষে অভিনেত্রী লেখেন, এমন একটি পৃথিবীই মেয়েদের প্রাপ্য এবং সমাজেরও তাঁদের প্রতি সেই দায়িত্ব রয়েছে।
সম্প্রতি পোশাক-বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী। রাখির জন্য একটি সংস্থার বিজ্ঞাপনে তাঁর পোশাক নিয়ে কটাক্ষের ঝড় বয়ে যায় সমাজমাধ্যমে। রাখির মতো অনুষ্ঠানের জন্য কৃতির পোশাক অত্যন্ত ‘ছোট ও কুরুচিকর’ বলে নানা ধরনের মন্তব্য শোনা যায়। বিতর্ক এমনই পর্যায় পৌঁছোয় যে, ওই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয় সংস্থার তরফে।
এর পরে, গত শনিবারই অভিনেত্রী নারীসুরক্ষা ও সমাজের পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা সংক্রান্ত একটি পোস্টও ভাগ করে নেন। যেখানে বিহারের জমুইয়ে তরুণীকে হেনস্থার প্রেক্ষাপটে অভিনেত্রীর মত স্পষ্ট জানা যায়। তাঁর মতে, বিষয়টি ‘পুরুষ বনাম মহিলা’র লড়াই নয়। বরং লড়াইটা পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা এবং সেই মানসিকতাকে সমর্থন করে চলা মানুষদের বিরুদ্ধে। তার পরেই কন্যাদিবস উপলক্ষে রবিবারের পোস্ট বিশেষ নজর কেড়েছে অনুরাগীদের।
কৃতিকে শেষ দেখা গিয়েছে ‘ককটেল ২’ ছবিতে। তাঁর সঙ্গে ছবিতে অভিনয় করেছেন রশ্মিকা মন্দানা এবং শাহিদ কাপূর।
রাতে একা বাড়ি ফেরার সময় মহিলারা যে ভয় এবং উদ্বেগের মধ্যে থাকেন, সেই বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছেন কৃতি। একা হাঁটার সময় বারবার পিছনে ফিরে তাকানো, নিরাপদে বাড়ি পৌঁছোতে পারবেন কি না তা নিয়ে চিন্তা করা— এই অভিজ্ঞতাগুলির কথাই তুলে ধরেছেন তিনি। এমনকি বাড়ি ফেরার পথে ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেলেও একা যাতায়াত করা মহিলাদের উদ্বেগ বেড়ে যায় বলে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী।
কৃতির মতে, কন্যাদিবস তখনই সার্থক হবে, যখন মহিলারা রাতে একা বাড়ি ফিরতে পারবেন, অন্ধকার নামার পরেও পার্কে বসতে পারবেন, নিজেদের পছন্দের পোশাক পরতে পারবেন এবং কোনও ভয় ছাড়াই গণপরিবহণ ব্যবহার করতে পারবেন। তিনি লিখেছেন, “যে দিন কোনও মেয়ে কোনও প্রকাশ্য জায়গায় শুধুমাত্র নিজের মতো করে থাকতে পারবে, তাকে আর এই হিসাব কষতে হবে না যে, সে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে কি না, সে দিনই আমাদের ‘কন্যাদিবস’ উদ্যাপন করা উচিত।”
কৃতি আশা প্রকাশ করেছেন, একদিন এমন একটি পৃথিবী তৈরি হবে, যখন কোনও মেয়ে একা যাতায়াত করার সময় শুধু অন্যদের আশ্বস্ত করার জন্য বাড়িতে ফোন বা মেসেজ করতে বাধ্য হবে না। বার্তার শেষে অভিনেত্রী লেখেন, এমন একটি পৃথিবীই মেয়েদের প্রাপ্য এবং সমাজেরও তাঁদের প্রতি সেই দায়িত্ব রয়েছে।
সম্প্রতি পোশাক-বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী। রাখির জন্য একটি সংস্থার বিজ্ঞাপনে তাঁর পোশাক নিয়ে কটাক্ষের ঝড় বয়ে যায় সমাজমাধ্যমে। রাখির মতো অনুষ্ঠানের জন্য কৃতির পোশাক অত্যন্ত ‘ছোট ও কুরুচিকর’ বলে নানা ধরনের মন্তব্য শোনা যায়। বিতর্ক এমনই পর্যায় পৌঁছোয় যে, ওই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয় সংস্থার তরফে।
এর পরে, গত শনিবারই অভিনেত্রী নারীসুরক্ষা ও সমাজের পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা সংক্রান্ত একটি পোস্টও ভাগ করে নেন। যেখানে বিহারের জমুইয়ে তরুণীকে হেনস্থার প্রেক্ষাপটে অভিনেত্রীর মত স্পষ্ট জানা যায়। তাঁর মতে, বিষয়টি ‘পুরুষ বনাম মহিলা’র লড়াই নয়। বরং লড়াইটা পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা এবং সেই মানসিকতাকে সমর্থন করে চলা মানুষদের বিরুদ্ধে। তার পরেই কন্যাদিবস উপলক্ষে রবিবারের পোস্ট বিশেষ নজর কেড়েছে অনুরাগীদের।
কৃতিকে শেষ দেখা গিয়েছে ‘ককটেল ২’ ছবিতে। তাঁর সঙ্গে ছবিতে অভিনয় করেছেন রশ্মিকা মন্দানা এবং শাহিদ কাপূর।
তামান্না হাবিব নিশু