রাজশাহীর বরেন্দ্র ভূমির তানোর ও মোহনপুরে ধান, আলু ও আম চাষে কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে সফল্য অর্জন করছেন। কিন্ত্ত সেচ পানির সংকট এখানকার বহু পুরাতন সমস্যা। তবে মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের কারিগরি সহযোগিতা এবং পরামর্শে এবার কিছু কৃষক গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে সরে গিয়ে নতুন সম্ভাবনাময় ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এর মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ মাচায় তরমুজ চাষ।
মোহনপুর উপজেলার বাকশিমইল গ্রামের কৃষক শাফিউল ইসলাম ১৬ শতক জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করেছেন। শাফিউল ইসলাম বলেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি মাচায় তরমুজ চাষ করেছেন।তিনি বলেন, ১৬ শতক জমিতে তরমুজ চাষে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা।এখন পর্যন্ত ৭০০ পিচ তরমুজে নেট বেঁধেছেন। প্রতিটি তরমুজের ওজন গড় দুই কেজি করে। এখন বাজারে তরমুজ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। এসব তরমুজ সুস্বাদু ও রসালো। তিনি আশা করছেন ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হবে।তিনি বলেন, তরমুজের চারা রোপণ থেকে শুরু করে তরমুজ পাকা পর্যন্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়মিত তরমুজখেত পরিদর্শন ও পরামর্শ দিয়েছেন এবং কারিগরি সহযোগিতা করেছেন।
মোহনপুর উপজেলার বাকশিমইল গ্রামের কৃষক শাফিউল ইসলাম ১৬ শতক জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করেছেন। শাফিউল ইসলাম বলেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি মাচায় তরমুজ চাষ করেছেন।তিনি বলেন, ১৬ শতক জমিতে তরমুজ চাষে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা।এখন পর্যন্ত ৭০০ পিচ তরমুজে নেট বেঁধেছেন। প্রতিটি তরমুজের ওজন গড় দুই কেজি করে। এখন বাজারে তরমুজ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। এসব তরমুজ সুস্বাদু ও রসালো। তিনি আশা করছেন ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হবে।তিনি বলেন, তরমুজের চারা রোপণ থেকে শুরু করে তরমুজ পাকা পর্যন্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়মিত তরমুজখেত পরিদর্শন ও পরামর্শ দিয়েছেন এবং কারিগরি সহযোগিতা করেছেন।
এদিকে তানোরে মচায় তরমুজ চাষ করে সফল হয়েছেন খাইরুল ও জাকির নামের দুই চাষি। এখন তাঁদের মাচায় ঝুলছে অফ-সিজনের তরমুজ। তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) পাড়িশো গ্রামের বাসিন্দা খাইরুল ও জাকির। তারা কামারগাঁ ইউপির পাড়িশো দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠের জমিতে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে তাদের ২৫ শতক জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন।
উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগিতায়, গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে কয়েক জাতের তরমুজ বীজ বপন করা হয়। বর্তমানে প্রতিটি গাছে ঝুলছে শত শত তরমুজ, যার মধ্যে রয়েছে রঙ্গীলা, আম্বার সুইট, হলুদ মধুমালা ও ডোরাকাটা জাত।
তরমুজ চাষি জাকির জানান, মৌসুমি তরমুজের তুলনায় দেশে অফ-সিজনাল তরমুজের চাহিদা বেশি। ইতিমধ্যেই স্থানীয় ও বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা তরমুজ কিনেছেন। বাজারে ভালো দাম থাকায় তারা তরমুজ চাষে লাভবান হয়েছেন।
এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলাম জানান, বরেন্দ্র ভূমিতে তরমুজের ফলন প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হচ্ছে। অনেক কৃষক মাচায় তরমুজ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এমন ফলন দেখে তিনি নিজেই নিয়মিত মাঠে গিয়ে দেখভাল করছেন। প্রতি হেক্টরে ৫০ মেট্রিক টন ফলনের আশা করা যাচ্ছে।
আলিফ হোসেন