রাজশাহীর তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়ন (ইউপি) বিএনপির সভাপতি ও বৈদ্যপুর দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে, তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে চাঁদাদাবি ও গভীর নলকুপ অপারেটর বাণিজ্যসহ অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কলমা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আগামি নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতার ঘোষণা দিয়ে মাঠ গোছানো শুরু করেছেন। তিনি প্রতিদিন ইউপির বিভিন্ন এলাকার হাট-বাজার, গ্রাম-গঞ্জের মোড়ে মোড়ে গিয়ে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মতবিনিময় করছেন।
তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাকে নির্বাচনে প্রতিদন্দীতা ও বিজয়ী হবার ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী করে তুলেছে। তবে তার এই জনপ্রিয়তা তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি গোষ্ঠী তার এই জনপ্রিয়তা মেনে নিতে পারছে না। মোস্তাফিজুরের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে তারা নানা অপপ্রচার শুরু করেছে। চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ ও ডিলার বাণিজ্যে ইত্যাদি মিথ্যাচার করছে। তাদের ধারণা এসব করলে মোস্তাফিজুরের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাবে এবং দলীয় সমর্থন হারাবে। কিন্তু ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তাদের এসব কথা বিশ্বাস করছে না। বরং তাদের এসব গুজব অপপ্রচারে মোস্তাফিজুর রহমানের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। অথচ এসব করে তারা যে সাধারণ মানুষের কাছে হাসির পাত্র হচ্ছে সেটা তারা বুঝতে পারছে না।
জানা গেছে, কলমা ইউপি বিএনপির সভাপতি পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন নেতৃত্ব মোস্তাফিজুর রহমান দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশা করেছেন।ইতোমধ্যে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতার ইচ্ছে প্রকাশ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
স্থানীয় বিএনপির অনেক নেতাকর্মী বলছে, মোস্তাফিজুর রহমান একজন সৎ, আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্ব। যিনি কখানো কোনো লোভ-লালসার স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে দেননি। যিনি সব সময় শত প্রতিকুলতার মাঝে বিএনপির মুল ধারার সঙ্গে রয়েছেন।তিনি ব্যক্তি স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে সব সময় মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে আসছেন।অফিস পাড়ায় দালালী, পুকুর দখল, জমি দখল, ডিপ বাণিজ্যে,বিরোধপূর্ণ সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়া বা সালিশ বাণিজ্য ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত না এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে এধরণের কোনো বিতর্ক নাই।
মোস্তাফিজুর রহমানের অনুসারীরা বলছে, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তিনি পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন, দল থেকে তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে এটা প্রায় নিম্চিত। তারা বলেন, এই বিষয়টি বুঝতে পেরে তার দলীয় মনোনয়ন ঠেকাতে ও তাকে বির্তকিত করতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে।
এবিষয়ে ইউপি বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা করবেন। তিনি বলেন, ভোটারদের মানসিকতা ও নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী দেয়া হলে তার মনোনয়ন শতভাগ নিশ্চিত। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি ইউপিবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা বিস্তার, মাদক প্রতিরোধ, শতভাগ স্যানিটেন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণের মাধ্যমে কলমা স্মার্ট ইউপি হিসেবে গড়ে তুলবেন।
তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাকে নির্বাচনে প্রতিদন্দীতা ও বিজয়ী হবার ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী করে তুলেছে। তবে তার এই জনপ্রিয়তা তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি গোষ্ঠী তার এই জনপ্রিয়তা মেনে নিতে পারছে না। মোস্তাফিজুরের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে তারা নানা অপপ্রচার শুরু করেছে। চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ ও ডিলার বাণিজ্যে ইত্যাদি মিথ্যাচার করছে। তাদের ধারণা এসব করলে মোস্তাফিজুরের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাবে এবং দলীয় সমর্থন হারাবে। কিন্তু ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তাদের এসব কথা বিশ্বাস করছে না। বরং তাদের এসব গুজব অপপ্রচারে মোস্তাফিজুর রহমানের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। অথচ এসব করে তারা যে সাধারণ মানুষের কাছে হাসির পাত্র হচ্ছে সেটা তারা বুঝতে পারছে না।
জানা গেছে, কলমা ইউপি বিএনপির সভাপতি পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন নেতৃত্ব মোস্তাফিজুর রহমান দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশা করেছেন।ইতোমধ্যে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতার ইচ্ছে প্রকাশ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
স্থানীয় বিএনপির অনেক নেতাকর্মী বলছে, মোস্তাফিজুর রহমান একজন সৎ, আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্ব। যিনি কখানো কোনো লোভ-লালসার স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে দেননি। যিনি সব সময় শত প্রতিকুলতার মাঝে বিএনপির মুল ধারার সঙ্গে রয়েছেন।তিনি ব্যক্তি স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে সব সময় মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে আসছেন।অফিস পাড়ায় দালালী, পুকুর দখল, জমি দখল, ডিপ বাণিজ্যে,বিরোধপূর্ণ সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়া বা সালিশ বাণিজ্য ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত না এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে এধরণের কোনো বিতর্ক নাই।
মোস্তাফিজুর রহমানের অনুসারীরা বলছে, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তিনি পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন, দল থেকে তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে এটা প্রায় নিম্চিত। তারা বলেন, এই বিষয়টি বুঝতে পেরে তার দলীয় মনোনয়ন ঠেকাতে ও তাকে বির্তকিত করতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে।
এবিষয়ে ইউপি বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা করবেন। তিনি বলেন, ভোটারদের মানসিকতা ও নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী দেয়া হলে তার মনোনয়ন শতভাগ নিশ্চিত। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি ইউপিবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা বিস্তার, মাদক প্রতিরোধ, শতভাগ স্যানিটেন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণের মাধ্যমে কলমা স্মার্ট ইউপি হিসেবে গড়ে তুলবেন।
আলিফ হোসেন